ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

অ্যামেরিকায় প্রবেশে কঠোর নজরদারি, বিদেশিদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ট্র্যাকিং চালু

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮১ বার পড়া হয়েছে

তুন এই নিয়ম আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান এবং পাসপোর্ট জালিয়াতি রোধে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার প্রকাশিত এক সরকারি নথিতে বলা হয়েছে, অ্যামেরিকার নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের দেশে প্রবেশ এবং দেশ ছেড়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ট্র্যাক করার জন্য মুখ শনাক্তকরণ (ফেসিয়াল রিকগনিশন) প্রযুক্তির প্রয়োগ বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, নতুন এই নিয়ম আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এর অধীনে অ্যামেরিকান কর্তৃপক্ষ বিদেশিদের কাছ থেকে অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্যও (যেমন আঙুলের ছাপ বা ডিএনএ নমুনা) সংগ্রহ করতে পারবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী,অ্যামেরিকার সীমান্ত কর্তৃপক্ষ এখন বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, স্থলপথসহ যেকোনো সীমান্ত পয়েন্টে বিদেশিদের ছবি তুলতে পারবে।ট্রাম্প প্রসাশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালুর উদ্দেশ্য হলো সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভিসা মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যারা দেশে থেকে যান তাদের কার্যকরভাবে শনাক্ত করা।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১৪ বছরের নিচের শিশু ও ৭৯ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণদের ক্ষেত্রেও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে সীমান্ত কর্তৃপক্ষ। আগে এই দুই শ্রেণির মানুষ এই নিয়মের বাইরে ছিলেন।

সীমান্তে কড়াকড়ি বৃদ্ধি মূলত ডনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ অভিবাসন রোধে নেয়া বৃহত্তর উদ্যোগের একটি অংশ।

অ্যামেরিকার বিমানবন্দরে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সংস্থা। তারা বলছেন,অতিরিক্ত নজরদারির ফলে ভুল শনাক্তকরণের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

সিভিল রাইটস কমিশনের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কালো ও অন্যান্য সংখ্যালঘু কমিউনিটির মানুষদের ভুলভাবে শনাক্ত করার সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে, ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) ইতোমধ্যেসব বাণিজ্যিক বিমানযাত্রার ক্ষেত্রে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তবে এ প্রযুক্তি এখনো শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট স্থানে দেশ ছাড়ার তথ্য রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

সিবিপি আশা করছে, আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে এই বায়োমেট্রিক এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেম সব বাণিজ্যিক বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরেই পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

অ্যামেরিকায় প্রবেশে কঠোর নজরদারি, বিদেশিদের জন্য প্রযুক্তিনির্ভর ট্র্যাকিং চালু

আপডেট সময় ০৩:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

তুন এই নিয়ম আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান এবং পাসপোর্ট জালিয়াতি রোধে নতুন পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। শুক্রবার প্রকাশিত এক সরকারি নথিতে বলা হয়েছে, অ্যামেরিকার নাগরিক নন এমন ব্যক্তিদের দেশে প্রবেশ এবং দেশ ছেড়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া ট্র্যাক করার জন্য মুখ শনাক্তকরণ (ফেসিয়াল রিকগনিশন) প্রযুক্তির প্রয়োগ বিস্তৃত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, নতুন এই নিয়ম আগামী ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে। এর অধীনে অ্যামেরিকান কর্তৃপক্ষ বিদেশিদের কাছ থেকে অন্যান্য বায়োমেট্রিক তথ্যও (যেমন আঙুলের ছাপ বা ডিএনএ নমুনা) সংগ্রহ করতে পারবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী,অ্যামেরিকার সীমান্ত কর্তৃপক্ষ এখন বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর, স্থলপথসহ যেকোনো সীমান্ত পয়েন্টে বিদেশিদের ছবি তুলতে পারবে।ট্রাম্প প্রসাশন বলছে, এই ব্যবস্থা চালুর উদ্দেশ্য হলো সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা এবং ভিসা মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যারা দেশে থেকে যান তাদের কার্যকরভাবে শনাক্ত করা।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১৪ বছরের নিচের শিশু ও ৭৯ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণদের ক্ষেত্রেও মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে সীমান্ত কর্তৃপক্ষ। আগে এই দুই শ্রেণির মানুষ এই নিয়মের বাইরে ছিলেন।

সীমান্তে কড়াকড়ি বৃদ্ধি মূলত ডনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ অভিবাসন রোধে নেয়া বৃহত্তর উদ্যোগের একটি অংশ।

অ্যামেরিকার বিমানবন্দরে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন সংস্থা। তারা বলছেন,অতিরিক্ত নজরদারির ফলে ভুল শনাক্তকরণের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

সিভিল রাইটস কমিশনের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তির ক্ষেত্রে কালো ও অন্যান্য সংখ্যালঘু কমিউনিটির মানুষদের ভুলভাবে শনাক্ত করার সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে, ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) ইতোমধ্যেসব বাণিজ্যিক বিমানযাত্রার ক্ষেত্রে মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তবে এ প্রযুক্তি এখনো শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট স্থানে দেশ ছাড়ার তথ্য রেকর্ড করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।

সিবিপি আশা করছে, আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে এই বায়োমেট্রিক এন্ট্রি-এক্সিট সিস্টেম সব বাণিজ্যিক বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরেই পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হবে।