ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

অভিষেকে ৯ রানের আক্ষেপ শাহ পরানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকেই সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন শাহ পরান। তবে শেষমেশ ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ২৪ বছর বয়সী ক্রিকেটারকে। খুলনার লেগ স্পিনার ইয়াসিন মুন্তাসিরের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১০০ বল খেলে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রান করেন চট্টগ্রামের এই ব্যাটার।

সেঞ্চুরির দেখা পেলে দেশের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে শতকের কীর্তি গড়তেন পরান। তবে তার দুর্দান্ত ইনিংসে প্রথম দিন শেষে ভালো অবস্থানে আছে চট্টগ্রাম। ৮৪.৪ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৪০ রানে দিন শেষ করেছে দলটি। পরান ছাড়াও ফিফটি পেয়েছেন সাজ্জাদুল হক (৫৬) ও ইরফান শুক্কুর (৬২)।

দলীয় ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর সাজ্জাদুলকে সঙ্গে নিয়ে ৯৪ রানের জুটি গড়েন শাহ পরান। এরপর সাজ্জাদুল ও ইরফান মিলে যোগ করেন ৬৯ রান। সাজ্জাদুল ফেরার পর নাঈমকে নিয়ে আরেকটা ৫২ রানের জুটি গড়েন ইরফান।

প্রথম দিনে খুলনার পেসার সফর আলী ৫১ রান খরচায় নিয়েছেন ৪ উইকেট।

২১২ রানে অলআউট বরিশাল

খুলনায় বরিশাল-রাজশাহী ম্যাচের প্রথম দিনে ২১২ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। দিনের শেষে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ৬ রান করেছে রাজশাহী। বরিশালের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫৮ রান এসেছে সালমান হোসেনের ব্যাট থেকে। ওপেনার ইফতিখার হোসেন করেছেন ৪০। মাত্র ৫৬ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় দলটি।

রাজশাহীর পাঁচ বোলারই নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

অমিতের লড়াকু ইনিংসের পরেও বিপদে সিলেট

আউটফিল্ড ভেজা থাকায় কক্সবাজারে সিলেট-রংপুর ম্যাচ শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর। আবার আলো

আলোকস্বল্পতায় খেলা শেষও হয় কেবল ৪৮.১ ওভারে। ৭ উইকেটে এদিনে সিলেটের রান দাঁড়ায় ১৭২। সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে আউট হয়েছেন অমিত হাসান। ১১ চারে ৯১ রান করে আউট হয়েছেন মুকিদুলকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।

৩২ ওভারের খেলায় নাঈম শেখের ফিফটি

কক্সবাজারে আরেক ম্যাচে দিনের খেলা হয়েছে মাত্র ৩২ ওভার। আর তাতে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ২ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান করেছে ময়মনসিংহ। ৫৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন নাঈম শেখ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

অভিষেকে ৯ রানের আক্ষেপ শাহ পরানের

আপডেট সময় ০১:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে অভিষেকেই সেঞ্চুরির কাছাকাছি গিয়েছিলেন শাহ পরান। তবে শেষমেশ ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে ২৪ বছর বয়সী ক্রিকেটারকে। খুলনার লেগ স্পিনার ইয়াসিন মুন্তাসিরের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ১০০ বল খেলে ১০ চার ও ৪ ছক্কায় ৯১ রান করেন চট্টগ্রামের এই ব্যাটার।

সেঞ্চুরির দেখা পেলে দেশের চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে শতকের কীর্তি গড়তেন পরান। তবে তার দুর্দান্ত ইনিংসে প্রথম দিন শেষে ভালো অবস্থানে আছে চট্টগ্রাম। ৮৪.৪ ওভারে ৮ উইকেটে ৩৪০ রানে দিন শেষ করেছে দলটি। পরান ছাড়াও ফিফটি পেয়েছেন সাজ্জাদুল হক (৫৬) ও ইরফান শুক্কুর (৬২)।

দলীয় ৯৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর সাজ্জাদুলকে সঙ্গে নিয়ে ৯৪ রানের জুটি গড়েন শাহ পরান। এরপর সাজ্জাদুল ও ইরফান মিলে যোগ করেন ৬৯ রান। সাজ্জাদুল ফেরার পর নাঈমকে নিয়ে আরেকটা ৫২ রানের জুটি গড়েন ইরফান।

প্রথম দিনে খুলনার পেসার সফর আলী ৫১ রান খরচায় নিয়েছেন ৪ উইকেট।

২১২ রানে অলআউট বরিশাল

খুলনায় বরিশাল-রাজশাহী ম্যাচের প্রথম দিনে ২১২ রানে অলআউট হয়েছে বরিশাল। দিনের শেষে ব্যাটিংয়ে নেমে বিনা উইকেটে ৬ রান করেছে রাজশাহী। বরিশালের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৫৮ রান এসেছে সালমান হোসেনের ব্যাট থেকে। ওপেনার ইফতিখার হোসেন করেছেন ৪০। মাত্র ৫৬ রানে শেষ ৫ উইকেট হারায় দলটি।

রাজশাহীর পাঁচ বোলারই নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।

অমিতের লড়াকু ইনিংসের পরেও বিপদে সিলেট

আউটফিল্ড ভেজা থাকায় কক্সবাজারে সিলেট-রংপুর ম্যাচ শুরু হয় নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর। আবার আলো

আলোকস্বল্পতায় খেলা শেষও হয় কেবল ৪৮.১ ওভারে। ৭ উইকেটে এদিনে সিলেটের রান দাঁড়ায় ১৭২। সেঞ্চুরির কাছে গিয়ে ৯ রানের আক্ষেপ নিয়ে আউট হয়েছেন অমিত হাসান। ১১ চারে ৯১ রান করে আউট হয়েছেন মুকিদুলকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।

৩২ ওভারের খেলায় নাঈম শেখের ফিফটি

কক্সবাজারে আরেক ম্যাচে দিনের খেলা হয়েছে মাত্র ৩২ ওভার। আর তাতে ঢাকা বিভাগের বিপক্ষে ২ উইকেট হারিয়ে ১০০ রান করেছে ময়মনসিংহ। ৫৫ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন নাঈম শেখ।