ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শাকসু নির্বাচন স্থগিত : কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি শিক্ষার্থীদের Logo শান্তিতে নোবেল জয়ী মাচাদোর সঙ্গে বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসবেন ট্রাম্প Logo প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: ‘প্রশ্নফাঁসের বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ মেলেনি, শিগগির ফল প্রকাশ’ Logo পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে করাচিতে বিক্ষোভ Logo সরকারপন্থী মিছিল ‘বিদেশি শত্রুদের পরিকল্পনাকে ব্যর্থ করে দিয়েছে’: খামেনি Logo ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ মানে শিক্ষার্থীদের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র খর্ব: ভিপি সাদিক কায়েম Logo মুক্তাগাছায় জাতীয় পার্টির ২ শতাধিক নেতার বিএনপিতে যোগদান Logo পূর্ণিমা বললেন, ‘সবকিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ’ Logo ৭ মাসেই বরখাস্ত আলোনসো, রিয়ালের নতুন কোচ আরবেলোয়া Logo মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগুন ৫ ঘণ্টায়ও নিয়ন্ত্রণে আসেনি

টাকা বাঁচাতে লেভানদোভস্কিকে গোল করতে মানা করেছিল বার্সা!

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৪ বার পড়া হয়েছে

লা লিগায় সেই মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে শিরোপা নিশ্চিত ছিল অনেক আগেই। গোলের পর গোল করে পিচিচি দৌড়েও বেশ এগিয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। ঠিক সেই সময়ই নাকি ঘটেছিল এক বিস্ময়কর ঘটনা—যা ফুটবল দুনিয়ায় এখন নতুন বিতর্ক ছড়াচ্ছে। পোলিশ তারকার নতুন জীবনী ‘Lewandowski. Prawdziwy’ প্রকাশের পর সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যা বার্সেলোনার আর্থিক সংকটকে আরও নগ্ন করে দিয়েছে।

লেখক সেবাস্তিয়ান স্তাশেভস্কির দাবি, ২০২২–২৩ মৌসুমে শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে লেভানদোভস্কিকে একটি বিশেষ বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বার্সেলোনার কয়েকজন পরিচালক—যার মধ্যে ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তাও। তখন লেভানদোভস্কির গোলসংখ্যা ২৩, আর চুক্তি অনুযায়ী ২৫ গোল ছুঁলেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত ২৫ লাখ ইউরো বোনাস দিতে হতো বার্সেলোনাকে।

সেই বৈঠকেই নাকি এক পরিচালক সরাসরি বলেন, ‘রবার্ট, শেষ দুই ম্যাচে তোমার গোল করা বন্ধ রাখতে হবে।’

বইয়ে উল্লেখ রয়েছে—এমন অনুরোধ শুনে স্তব্ধ হয়ে যান লেভানদোভস্কি। দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে কেউ তাকে গোল না করতে বলেনি কখনোই। শিরোপা জিতেই গেছে দল, পিচিচিও প্রায় নিশ্চিত—তবু এমন প্রস্তাব ছিল তার কাছে কল্পনাতীত। শেষ পর্যন্ত তিনি দুই ম্যাচেই গোল পাননি, যদিও মাঠে সম্পূর্ণ সময় খেলেছিলেন। তবে মরসুম শেষে পিচিচি ট্রফি ঠিকই তার হাতেই ওঠে, বেনজেমাকে পেছনে ফেলে।

বইটিতে আরও রয়েছে বার্সেলোনার আর্থিক টানাপোড়েনের আরেক নজির। এক সফরে দলের খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য না দেখে লেভানদোভস্কি কারণ জানতে চাইলে ক্লাবের শেফ নাকি বলেছিলেন— “টাকা বাঁচাতে হবে।”

লেভানদোভস্কির এই জীবনী প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে—একজন স্ট্রাইকারকে গোল না করতে বলার মতো পরিস্থিতিতে কীভাবে পৌঁছাল বার্সেলোনা? আর্থিক সংকট কি এতটাই তীব্র ছিল যে মাঠের পারফরম্যান্সেও হস্তক্ষেপ করতে হলো? নতুন এই প্রকাশনা যে কাতালান জায়ান্টদের আরেক দফা সমালোচনার মুখে ঠেলে দেবে, তা এখনই পরিষ্কার।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

শাকসু নির্বাচন স্থগিত : কঠোর কর্মসূচির হুশিয়ারি শিক্ষার্থীদের

টাকা বাঁচাতে লেভানদোভস্কিকে গোল করতে মানা করেছিল বার্সা!

আপডেট সময় ০৩:০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

লা লিগায় সেই মৌসুমে বার্সেলোনার কাছে শিরোপা নিশ্চিত ছিল অনেক আগেই। গোলের পর গোল করে পিচিচি দৌড়েও বেশ এগিয়ে ছিলেন রবার্ট লেভানদোভস্কি। ঠিক সেই সময়ই নাকি ঘটেছিল এক বিস্ময়কর ঘটনা—যা ফুটবল দুনিয়ায় এখন নতুন বিতর্ক ছড়াচ্ছে। পোলিশ তারকার নতুন জীবনী ‘Lewandowski. Prawdziwy’ প্রকাশের পর সামনে এসেছে এমন এক তথ্য, যা বার্সেলোনার আর্থিক সংকটকে আরও নগ্ন করে দিয়েছে।

লেখক সেবাস্তিয়ান স্তাশেভস্কির দাবি, ২০২২–২৩ মৌসুমে শেষ দুই ম্যাচ বাকি থাকতে লেভানদোভস্কিকে একটি বিশেষ বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন বার্সেলোনার কয়েকজন পরিচালক—যার মধ্যে ছিলেন ক্লাব প্রেসিডেন্ট জোয়ান লাপোর্তাও। তখন লেভানদোভস্কির গোলসংখ্যা ২৩, আর চুক্তি অনুযায়ী ২৫ গোল ছুঁলেই বায়ার্ন মিউনিখকে অতিরিক্ত ২৫ লাখ ইউরো বোনাস দিতে হতো বার্সেলোনাকে।

সেই বৈঠকেই নাকি এক পরিচালক সরাসরি বলেন, ‘রবার্ট, শেষ দুই ম্যাচে তোমার গোল করা বন্ধ রাখতে হবে।’

বইয়ে উল্লেখ রয়েছে—এমন অনুরোধ শুনে স্তব্ধ হয়ে যান লেভানদোভস্কি। দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে কেউ তাকে গোল না করতে বলেনি কখনোই। শিরোপা জিতেই গেছে দল, পিচিচিও প্রায় নিশ্চিত—তবু এমন প্রস্তাব ছিল তার কাছে কল্পনাতীত। শেষ পর্যন্ত তিনি দুই ম্যাচেই গোল পাননি, যদিও মাঠে সম্পূর্ণ সময় খেলেছিলেন। তবে মরসুম শেষে পিচিচি ট্রফি ঠিকই তার হাতেই ওঠে, বেনজেমাকে পেছনে ফেলে।

বইটিতে আরও রয়েছে বার্সেলোনার আর্থিক টানাপোড়েনের আরেক নজির। এক সফরে দলের খাবার তালিকায় বৈচিত্র্য না দেখে লেভানদোভস্কি কারণ জানতে চাইলে ক্লাবের শেফ নাকি বলেছিলেন— “টাকা বাঁচাতে হবে।”

লেভানদোভস্কির এই জীবনী প্রকাশের পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে—একজন স্ট্রাইকারকে গোল না করতে বলার মতো পরিস্থিতিতে কীভাবে পৌঁছাল বার্সেলোনা? আর্থিক সংকট কি এতটাই তীব্র ছিল যে মাঠের পারফরম্যান্সেও হস্তক্ষেপ করতে হলো? নতুন এই প্রকাশনা যে কাতালান জায়ান্টদের আরেক দফা সমালোচনার মুখে ঠেলে দেবে, তা এখনই পরিষ্কার।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481