ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

শাপলা চত্বরের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়েই এদেশে চূড়ান্তভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে: মাওলানা মামুনুল হক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৪৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৯ বার পড়া হয়েছে

‘শাপলা চত্বরের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়েই এদেশে চূড়ান্তভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে’, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও শাপলা স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান মাওলানা মামুনুল হক।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সিলেটের কবি নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে শাপলা স্মৃতি সংসদ, সিলেট বিভাগ আয়োজিত শাপলা স্মৃতি কনফারেন্স ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, “শাপলার শহীদদের রক্তের কাছে আমাদের দায় রয়েছে। এই দায়বদ্ধতাই আমাদের শাপলা স্মৃতি সংসদ গঠনে অনুপ্রাণিত করেছে। শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা করাই আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।”

তিনি জানান, সরকারিভাবে শাপলা শহীদ পরিবারের জন্য যে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, সেখানে শাপলা স্মৃতি সংসদের প্রকাশনা ‘শহীদনামা’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শহীদনামা প্রস্তুত থাকায় খুব অল্প সময়ে পরিবারগুলোকে শনাক্তকরণ ও যোগাযোগ স্থাপন সহজ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আগামী প্রজন্মের কাছে শাপলার ইতিহাস ও চেতনা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে শাপলা স্মৃতি সংসদের শাখা গঠন করা হবে এবং শাপলা চেতনার ধারা অব্যাহত রাখা হবে।”

এ ছাড়া পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, “শাপলা চত্বরের ইতিহাস রক্তে লেখা ইসলামের নবজাগরণের ইতিহাস। যারা ইসলামের জন্য ত্যাগে প্রস্তুত নন, তারা কোনোভাবেই ইসলামী আন্দোলনের প্রকৃত কর্মী হতে পারে না।”

প্রধান আলোচক মাওলানা মূসা আল হাফিজ তার বক্তব্যে বলেন, “একটি মহল দেশে লালনের কুফরি চেতনা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। শাপলার চেতনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।”

পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব বলেন, “শাপলার আদর্শ ধারণ করেই আগামীর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দীন। দাবি পেশ করেন নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসাইন, প্রচার সম্পাদক মুফতী সালাহুদ্দীন, অনলাইন মিডিয়া সম্পাদক মাওলানা আরিফুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এহতেশামুল হক সাখী।

সিলেট বিভাগীয় আহ্বায়ক মাওলানা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শাপলা স্মৃতি সংসদ সিলেট বিভাগীয় উপদেষ্টা মাওলানা শাহ মমশাদ, মাওলানা আসজাদ, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম মুশতাক, মাওলানা এমরান আলম, মাওলানা ইকবাল হুসাইন, মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার এবং সদস্য সচিব মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফুয়াদসহ স্থানীয় আলেম উলামা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, লেখক, রাজনীতিবিদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

শাপলা চত্বরের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়েই এদেশে চূড়ান্তভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে: মাওলানা মামুনুল হক

আপডেট সময় ১২:৪৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

‘শাপলা চত্বরের ত্যাগের সিঁড়ি বেয়েই এদেশে চূড়ান্তভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হবে’, এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও শাপলা স্মৃতি সংসদের চেয়ারম্যান মাওলানা মামুনুল হক।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সিলেটের কবি নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়ামে শাপলা স্মৃতি সংসদ, সিলেট বিভাগ আয়োজিত শাপলা স্মৃতি কনফারেন্স ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক বলেন, “শাপলার শহীদদের রক্তের কাছে আমাদের দায় রয়েছে। এই দায়বদ্ধতাই আমাদের শাপলা স্মৃতি সংসদ গঠনে অনুপ্রাণিত করেছে। শহীদ পরিবার ও আহতদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা করাই আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।”

তিনি জানান, সরকারিভাবে শাপলা শহীদ পরিবারের জন্য যে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, সেখানে শাপলা স্মৃতি সংসদের প্রকাশনা ‘শহীদনামা’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। শহীদনামা প্রস্তুত থাকায় খুব অল্প সময়ে পরিবারগুলোকে শনাক্তকরণ ও যোগাযোগ স্থাপন সহজ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আগামী প্রজন্মের কাছে শাপলার ইতিহাস ও চেতনা পৌঁছে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, “ইনশাআল্লাহ, পর্যায়ক্রমে সারাদেশে শাপলা স্মৃতি সংসদের শাখা গঠন করা হবে এবং শাপলা চেতনার ধারা অব্যাহত রাখা হবে।”

এ ছাড়া পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, “শাপলা চত্বরের ইতিহাস রক্তে লেখা ইসলামের নবজাগরণের ইতিহাস। যারা ইসলামের জন্য ত্যাগে প্রস্তুত নন, তারা কোনোভাবেই ইসলামী আন্দোলনের প্রকৃত কর্মী হতে পারে না।”

প্রধান আলোচক মাওলানা মূসা আল হাফিজ তার বক্তব্যে বলেন, “একটি মহল দেশে লালনের কুফরি চেতনা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। শাপলার চেতনা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই তাদের সেই ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দেওয়া হবে।”

পরিচালনা পর্ষদের সদস্য মাওলানা আলী হাসান তৈয়ব বলেন, “শাপলার আদর্শ ধারণ করেই আগামীর বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।”

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শাপলা স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দীন। দাবি পেশ করেন নির্বাহী সভাপতি মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী।

কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা জাকির হোসাইন, প্রচার সম্পাদক মুফতী সালাহুদ্দীন, অনলাইন মিডিয়া সম্পাদক মাওলানা আরিফুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা এহতেশামুল হক সাখী।

সিলেট বিভাগীয় আহ্বায়ক মাওলানা ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শাপলা স্মৃতি সংসদ সিলেট বিভাগীয় উপদেষ্টা মাওলানা শাহ মমশাদ, মাওলানা আসজাদ, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা রফিকুল ইসলাম মুশতাক, মাওলানা এমরান আলম, মাওলানা ইকবাল হুসাইন, মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার এবং সদস্য সচিব মাওলানা মনিরুল ইসলাম ফুয়াদসহ স্থানীয় আলেম উলামা, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, লেখক, রাজনীতিবিদসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।