ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ২০৫০ সালেই উঠবে শীর্ষে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের নবম অবস্থান থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। যে গতিতে ঢাকার জনসংখ্যা বাড়ছে, তাতে ২০৫০ সাল নাগাদ ঢাকাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর।

টোকিওকে তিনে ঢেলে ঢাকা উঠেছে দুইয়ে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। এর আগে বিশ্বের বৃহৎ শহরের শীর্ষে ছিল জাপানের রাজধানী টোকিও।

তবে টোকিওকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা, আর তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে টোকিও। সবশেষ ২০০০ সালের দিকে জাতিসংঘ টোকিওকে সবচেয়ে বড় শহর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এবার তাদের পেছনে ফেলেছে জাকার্তা।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, জাকার্তায় এখন বসবাস করেন ৪ কোটি ১৯ লাখ মানুষ, ঢাকায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ, আর টোকিওতে ৩ কোটি ৩৪ লাখ মানুষ।

জাতিসংঘের অর্থনীতি এবং সামাজিক বিষয়ক বিভাগের ‘ওয়ার্ল্ড আর্বানাইজেশন প্রসপেক্ট ২০২৫’ শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী মেগাসিটির সংখ্যা এখন ৩৩টি—যেখানে ১৯৭৫ সালে ছিল মাত্র আটটি। যেসব শহরে ১ কোটির বেশি মানুষ থাকেন, সেগুলোকে মেগাসিটি বলা হয়। এই ৩৩টি মেগাসিটির মধ্যে ১৯টিই এশিয়ায়। শীর্ষ ১০ মেগাসিটির ৯টির অবস্থানও এশিয়াতে।

এসব শহরের মধ্যে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি (৩ কোটি ২ লাখ), চীনের সাংহাই (২ কোটি ৯৬ লাখ), চীনের গুয়াংজু (২ কোটি ৭৬ লাখ), ফিলিপাইনের ম্যানিলা (২ কোটি ৪৭ লাখ), ভারতের কলকাতা (২ কোটি ২৫ লাখ) এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল (২ কোটি ২৫ লাখ)।

এর মধ্যে শুধুমাত্র মিসরের রাজধানী কায়রো এশিয়ার বাইরে থাকা শীর্ষ ১০ মেগাসিটির একটি, যেখানে বাস করেন ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ। আমেরিকা অঞ্চলে সবচেয়ে বড় শহর ব্রাজিলের সাও পাওলো (১ কোটি ৮৯ লাখ বাসিন্দা)। আর সাব-সাহারান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শহর নাইজেরিয়ার লাগোস।

জাতিসংঘ বলেছে, ঢাকার জনসংখ্যা বাড়ার প্রধান কারণ হলো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষের ঢাকায় আগমন। কেউ কাজ বা সুযোগের সন্ধানে, কেউ বা বন্যা ও সমুদ্রস্তর বাড়ার ঝুঁকিতে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে রাজধানী ঢাকার পরিধি। এর ফলে নবম স্থান থেকে উঠে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ শহরে পরিণত হয়েছে ঢাকা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ঢাকা এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ২০৫০ সালেই উঠবে শীর্ষে

আপডেট সময় ০১:৫৮:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের নবম অবস্থান থেকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। যে গতিতে ঢাকার জনসংখ্যা বাড়ছে, তাতে ২০৫০ সাল নাগাদ ঢাকাই হবে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর।

টোকিওকে তিনে ঢেলে ঢাকা উঠেছে দুইয়ে। বুধবার (২৬ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। এর আগে বিশ্বের বৃহৎ শহরের শীর্ষে ছিল জাপানের রাজধানী টোকিও।

তবে টোকিওকে পেছনে ফেলে শীর্ষে উঠে এসেছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা, আর তৃতীয় স্থানে নেমে গেছে টোকিও। সবশেষ ২০০০ সালের দিকে জাতিসংঘ টোকিওকে সবচেয়ে বড় শহর হিসেবে চিহ্নিত করেছিল। এবার তাদের পেছনে ফেলেছে জাকার্তা।

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, জাকার্তায় এখন বসবাস করেন ৪ কোটি ১৯ লাখ মানুষ, ঢাকায় ৩ কোটি ৬৬ লাখ, আর টোকিওতে ৩ কোটি ৩৪ লাখ মানুষ।

জাতিসংঘের অর্থনীতি এবং সামাজিক বিষয়ক বিভাগের ‘ওয়ার্ল্ড আর্বানাইজেশন প্রসপেক্ট ২০২৫’ শীর্ষক রিপোর্টে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী মেগাসিটির সংখ্যা এখন ৩৩টি—যেখানে ১৯৭৫ সালে ছিল মাত্র আটটি। যেসব শহরে ১ কোটির বেশি মানুষ থাকেন, সেগুলোকে মেগাসিটি বলা হয়। এই ৩৩টি মেগাসিটির মধ্যে ১৯টিই এশিয়ায়। শীর্ষ ১০ মেগাসিটির ৯টির অবস্থানও এশিয়াতে।

এসব শহরের মধ্যে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি (৩ কোটি ২ লাখ), চীনের সাংহাই (২ কোটি ৯৬ লাখ), চীনের গুয়াংজু (২ কোটি ৭৬ লাখ), ফিলিপাইনের ম্যানিলা (২ কোটি ৪৭ লাখ), ভারতের কলকাতা (২ কোটি ২৫ লাখ) এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল (২ কোটি ২৫ লাখ)।

এর মধ্যে শুধুমাত্র মিসরের রাজধানী কায়রো এশিয়ার বাইরে থাকা শীর্ষ ১০ মেগাসিটির একটি, যেখানে বাস করেন ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ। আমেরিকা অঞ্চলে সবচেয়ে বড় শহর ব্রাজিলের সাও পাওলো (১ কোটি ৮৯ লাখ বাসিন্দা)। আর সাব-সাহারান অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শহর নাইজেরিয়ার লাগোস।

জাতিসংঘ বলেছে, ঢাকার জনসংখ্যা বাড়ার প্রধান কারণ হলো প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মানুষের ঢাকায় আগমন। কেউ কাজ বা সুযোগের সন্ধানে, কেউ বা বন্যা ও সমুদ্রস্তর বাড়ার ঝুঁকিতে রাজধানীতে পাড়ি জমিয়েছেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে রাজধানী ঢাকার পরিধি। এর ফলে নবম স্থান থেকে উঠে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ শহরে পরিণত হয়েছে ঢাকা।