ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নাগরিকত্ব পাওয়া আরও সহজ করল কানাডা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

কানাডা সরকার তাদের নাগরিকত্ব আইনের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে। নতুন আইনটি বিল সি-৩ নামে পরিচিত, যা কার্যকর হলে বিদেশে জন্ম নেওয়া হাজার হাজার কানাডীয় বংশোদ্ভূত পরিবার ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ‘ফার্স্ট-জেনারেশন লিমিট’ সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটবে।

২০০৯ সালে চালু হওয়া এই বিধিনিষেধ অনুযায়ী, বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া কোনো শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানাডার নাগরিকত্ব পেত না, যদি তার মা-বাবাও কানাডার বাইরে জন্ম নিতেন বা দত্তক নেওয়া হতেন। এই বিধিনিষেধের কারণে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হওয়া মানুষ, যারা ভুল করে নিজেদের কানাডিয়ান ভাবতেন, তাদের ‘হারানো কানাডিয়ান’ নামে অভিহিত করা হতো।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট এই বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। ফেডারেল সরকার আদালতের এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং কোনো আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেয়।

অভিবাসন মন্ত্রী লেনা মেটলেজ ডিয়াব বিল সি-৩ সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি অতীতের সমস্যা সমাধান করে ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট নিয়ম তৈরি করবে। বিল সি-৩ এর মাধ্যমে দুটি প্রধান পরিবর্তন আনা হচ্ছে:

প্রথমত নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার: এর মাধ্যমে পুরোনো বিধিনিষেধের শিকার হওয়া ‘হারানো কানাডিয়ানদের’ নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।

দ্বিতীয়ত সাবস্ট্যানশিয়াল কানেকশন টেস্ট: এর মাধ্যমে বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য একটি নতুন গুরুত্বপূর্ণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এই নিয়মে, বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া সন্তানেরা নাগরিকত্ব পাবে যদি কানাডীয় বংশোদ্ভূত অভিভাবক সন্তানের জন্ম বা দত্তক নেওয়ার আগে কানাডায় কমপক্ষে ১ হাজার ৯৫ দিন (মোট তিন বছর) অবস্থান করার প্রমাণ দেখাতে পারেন।

কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন এই সংস্কারকে স্বাগত জানিয়েছে। আইনটি কার্যকর করার জন্য আদালত ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছে, যাতে আইআরসিসি প্রস্তুত হতে পারে। এই প্রক্রিয়া শুরু হলে নাগরিকত্বের আবেদনের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নাগরিকত্ব পাওয়া আরও সহজ করল কানাডা

আপডেট সময় ১১:১৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

কানাডা সরকার তাদের নাগরিকত্ব আইনের ইতিহাসে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে চলেছে। নতুন আইনটি বিল সি-৩ নামে পরিচিত, যা কার্যকর হলে বিদেশে জন্ম নেওয়া হাজার হাজার কানাডীয় বংশোদ্ভূত পরিবার ব্যাপকভাবে উপকৃত হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের ‘ফার্স্ট-জেনারেশন লিমিট’ সংক্রান্ত জটিলতার অবসান ঘটবে।

২০০৯ সালে চালু হওয়া এই বিধিনিষেধ অনুযায়ী, বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া কোনো শিশু স্বয়ংক্রিয়ভাবে কানাডার নাগরিকত্ব পেত না, যদি তার মা-বাবাও কানাডার বাইরে জন্ম নিতেন বা দত্তক নেওয়া হতেন। এই বিধিনিষেধের কারণে নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত হওয়া মানুষ, যারা ভুল করে নিজেদের কানাডিয়ান ভাবতেন, তাদের ‘হারানো কানাডিয়ান’ নামে অভিহিত করা হতো।

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে অন্টারিও সুপিরিয়র কোর্ট এই বিধানকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে। ফেডারেল সরকার আদালতের এই সিদ্ধান্ত মেনে নেয় এবং কোনো আপিল না করার সিদ্ধান্ত নেয়।

অভিবাসন মন্ত্রী লেনা মেটলেজ ডিয়াব বিল সি-৩ সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, এটি অতীতের সমস্যা সমাধান করে ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট নিয়ম তৈরি করবে। বিল সি-৩ এর মাধ্যমে দুটি প্রধান পরিবর্তন আনা হচ্ছে:

প্রথমত নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার: এর মাধ্যমে পুরোনো বিধিনিষেধের শিকার হওয়া ‘হারানো কানাডিয়ানদের’ নাগরিকত্ব পুনরুদ্ধার করা হচ্ছে।

দ্বিতীয়ত সাবস্ট্যানশিয়াল কানেকশন টেস্ট: এর মাধ্যমে বিদেশে জন্ম নেওয়া শিশুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য একটি নতুন গুরুত্বপূর্ণ বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এই নিয়মে, বিদেশে জন্ম নেওয়া বা দত্তক নেওয়া সন্তানেরা নাগরিকত্ব পাবে যদি কানাডীয় বংশোদ্ভূত অভিভাবক সন্তানের জন্ম বা দত্তক নেওয়ার আগে কানাডায় কমপক্ষে ১ হাজার ৯৫ দিন (মোট তিন বছর) অবস্থান করার প্রমাণ দেখাতে পারেন।

কানাডিয়ান ইমিগ্রেশন লইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন এই সংস্কারকে স্বাগত জানিয়েছে। আইনটি কার্যকর করার জন্য আদালত ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছে, যাতে আইআরসিসি প্রস্তুত হতে পারে। এই প্রক্রিয়া শুরু হলে নাগরিকত্বের আবেদনের সংখ্যা দ্রুত বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে