ঢাকা ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

কোথায় দাঁড়াবে হাসিনার রাজনৈতিক জীবন?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:২০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • ২২২ বার পড়া হয়েছে

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি এখন আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর ফিরতে পারবেন কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে দেখা যাচ্ছে।

বিবিসি বাংলাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ বলেন, সি ইজ ফিনিশড (সে শেষ)। আমার মনে হয়ে না এটা আর আগের অবস্থায় ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা আছে। যদিও অনেকে বলবে- রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নাই। কিন্তু আমি মনে করি, নেতৃত্ব যদি ব্লান্ডার (বিপর্যয়) করে, সেটার শেষ আছে।

এদিকে, ট্রাইব্যুনালকে ‘ক্যাঙ্গারুকোর্ট’ আখ্যা দিয়ে রায়কে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে বর্ণনা করেছেন শেখ হাসিনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের পক্ষে সহসাই ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না।

অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ বলেন, তাদের সেন্ট্রাল লিডার (কেন্দ্রীয় নেতা) তো মোটামুটি গোটা পঞ্চাশেক। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা তাদের কারো পক্ষেই আগামী পাঁচ-দশ বছরের মধ্যে সম্ভব হবে কিনা, আই রিয়েলি ডাউট (আমার সত্যিই সন্দেহ হয়)। আর সেটা যদি সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে দলের রিগ্রুপিং (সংগঠিত) করা অনেক কঠিন কাজ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মৃত্যু হলেও তিনি দলকে অন্তত বাঁচাতে পারতেন যদি জুলাই আন্দোলনের প্রাণহানির দায় নিজে স্বীকার করে নিয়ে দলের সভাপতির পদ থেকে নিজেই সরে যেতেন। গত একটা বছর তার সামনে এটা করার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি সেটা না করে উলটোটাই করে যাচ্ছেন। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে তিনি নিজেই আরও বেশি বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

কোথায় দাঁড়াবে হাসিনার রাজনৈতিক জীবন?

আপডেট সময় ১০:২০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর থেকেই তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব নিয়ে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর তিনি এখন আর বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর ফিরতে পারবেন কিনা, সেই প্রশ্নও উঠতে দেখা যাচ্ছে।

বিবিসি বাংলাকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ বলেন, সি ইজ ফিনিশড (সে শেষ)। আমার মনে হয়ে না এটা আর আগের অবস্থায় ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনা আছে। যদিও অনেকে বলবে- রাজনীতিতে শেষ বলে কিছু নাই। কিন্তু আমি মনে করি, নেতৃত্ব যদি ব্লান্ডার (বিপর্যয়) করে, সেটার শেষ আছে।

এদিকে, ট্রাইব্যুনালকে ‘ক্যাঙ্গারুকোর্ট’ আখ্যা দিয়ে রায়কে ‘পক্ষপাতদুষ্ট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে বর্ণনা করেছেন শেখ হাসিনা।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় আওয়ামী লীগের পক্ষে সহসাই ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না।

অধ্যাপক সাব্বীর আহমেদ বলেন, তাদের সেন্ট্রাল লিডার (কেন্দ্রীয় নেতা) তো মোটামুটি গোটা পঞ্চাশেক। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা তাদের কারো পক্ষেই আগামী পাঁচ-দশ বছরের মধ্যে সম্ভব হবে কিনা, আই রিয়েলি ডাউট (আমার সত্যিই সন্দেহ হয়)। আর সেটা যদি সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে দলের রিগ্রুপিং (সংগঠিত) করা অনেক কঠিন কাজ হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার রাজনৈতিক মৃত্যু হলেও তিনি দলকে অন্তত বাঁচাতে পারতেন যদি জুলাই আন্দোলনের প্রাণহানির দায় নিজে স্বীকার করে নিয়ে দলের সভাপতির পদ থেকে নিজেই সরে যেতেন। গত একটা বছর তার সামনে এটা করার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। কিন্তু তিনি সেটা না করে উলটোটাই করে যাচ্ছেন। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে তিনি নিজেই আরও বেশি বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন।