ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৩০ সন্ত্রাসী নিহত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭০ বার পড়া হয়েছে

পাকিস্তানে অভিযান জোরদার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এ অভিযানে অন্তত ৩০০ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়েছে। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১২ জন নিহত হওয়ার পর এ অভিযান জোরদার করা হয়। ২১ নভেম্বর (শুক্রবার) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাতে ডেইলি সাবাহর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, নিহতরা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) বা এর সহযোগী সংগঠনের সদস্য। ভারতের বিরুদ্ধে এসব সন্ত্রাসীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।
দেশটিতে গত বুধবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররম জেলায় পরিচালিত অভিযানে ২৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনী জানায়, সন্ত্রাসীদের আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

দেশটিতে গত বুধবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররম জেলায় পরিচালিত অভিযানে ২৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনী জানায়, সন্ত্রাসীদের আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

পরবর্তীতে জারি করা আরেক বিবৃতিতে বলা হয়, মহমান্দ, লাক্কি মারওয়াত ও ট্যাংক জেলায় ১৮–১৯ নভেম্বর তিনটি পৃথক অভিযানে আরও ৭ সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বিদেশি শক্তির মদদে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তান পূর্ণ গতিতে অভিযান চালিয়ে যাবে।

ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে কাবুল সরকার পাকিস্তানি তালেবানসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে। গত সপ্তাহের আদালতপ্রাঙ্গণে আত্মঘাতী হামলাটিও আফগানিস্তান থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি করে পাকিস্তান। ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়। হামলার দায় স্বীকার করেছে টিটিপির একটি দল।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধেও সন্ত্রাসীদের সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ বাড়িয়েছে, যদিও ভারত ও আফগানিস্তান উভয় দেশই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে তীব্রভাবে অবনতি হয়েছে। গত মাসে সীমান্তে ভয়াবহ সংঘর্ষে উভয়পক্ষ মিলে ৭০ জনের বেশি নিহত হয় এবং সপ্তাহব্যাপী উত্তেজনার পর সীমান্তও বন্ধ হয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৩০ সন্ত্রাসী নিহত

আপডেট সময় ০৬:১৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানে অভিযান জোরদার করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। এ অভিযানে অন্তত ৩০০ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। আফগান সীমান্তবর্তী এলাকায় এসব অভিযান চালানো হয়েছে। গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১২ জন নিহত হওয়ার পর এ অভিযান জোরদার করা হয়। ২১ নভেম্বর (শুক্রবার) পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) বরাতে ডেইলি সাবাহর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, নিহতরা তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) বা এর সহযোগী সংগঠনের সদস্য। ভারতের বিরুদ্ধে এসব সন্ত্রাসীকে সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ করেছে পাকিস্তান।
দেশটিতে গত বুধবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররম জেলায় পরিচালিত অভিযানে ২৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনী জানায়, সন্ত্রাসীদের আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

দেশটিতে গত বুধবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররম জেলায় পরিচালিত অভিযানে ২৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়। সেনাবাহিনী জানায়, সন্ত্রাসীদের আস্তানায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযান চালানো হয়।

পরবর্তীতে জারি করা আরেক বিবৃতিতে বলা হয়, মহমান্দ, লাক্কি মারওয়াত ও ট্যাংক জেলায় ১৮–১৯ নভেম্বর তিনটি পৃথক অভিযানে আরও ৭ সন্ত্রাসীকে হত্যা করা হয়।

সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বিদেশি শক্তির মদদে পরিচালিত সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পাকিস্তান পূর্ণ গতিতে অভিযান চালিয়ে যাবে।

ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে কাবুল সরকার পাকিস্তানি তালেবানসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে। গত সপ্তাহের আদালতপ্রাঙ্গণে আত্মঘাতী হামলাটিও আফগানিস্তান থেকে পরিকল্পনা করা হয়েছিল বলে দাবি করে পাকিস্তান। ওই হামলায় ১২ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়। হামলার দায় স্বীকার করেছে টিটিপির একটি দল।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধেও সন্ত্রাসীদের সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ বাড়িয়েছে, যদিও ভারত ও আফগানিস্তান উভয় দেশই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে তীব্রভাবে অবনতি হয়েছে। গত মাসে সীমান্তে ভয়াবহ সংঘর্ষে উভয়পক্ষ মিলে ৭০ জনের বেশি নিহত হয় এবং সপ্তাহব্যাপী উত্তেজনার পর সীমান্তও বন্ধ হয়ে যায়।