ঢাকা ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জবি ছাত্রদলের ঘোষিত জোটে অসন্তোষে পদবঞ্চিতদের ‘জাগ্রত জবিয়ান’ প্যানেল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯৯ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (ছাত্রদল) ঘোষিত প্যানেলে ব্যাপক পদবঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে। এসব পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে ‘জাগ্রত জবিয়ান’ নামে নতুন প্যানেল ঘোষণা করেছেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) শহীদ সাজিদ ভবনে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

‘জাগ্রত জবিয়ান’ প্যানেলে ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে লড়বেন কাজী রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মো. তৌহিদ চৌধুরী এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন মেহেদী হাসান আখন। আগামীকাল এই প্যানেলে ১২ সদস্যদের আংশিক প্যানেল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছে তারা।

ভিপি প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে। মূল প্যানেলে যেসব ত্যাগী ও নির্যাতিত ভাইদের রাখা হয়েছে, তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা সেই পদগুলোতে প্রার্থী দিচ্ছি না। কিন্তু বাইরে থেকে এনে যেভাবে অনেককে বসানো হয়েছে, তা সংগঠনের প্রতি অবিচার। এই অবিচারের প্রতিকারেই আমরা বিকল্প প্যানেল ঘোষণা করেছি।”

জিএস প্রার্থী মো. তৌহিদ চৌধুরী বলেন, জবি শিক্ষার্থীরা পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব চায়। বাইরে থেকে নেতৃত্ব চাপিয়ে দিলে ছাত্রসমাজ তা গ্রহণ করবে না। আমরা এমন একটি প্যানেল গঠন করেছি, যা প্রকৃত জবিয়ানদের ও সংগঠনের ভিতর থেকে উঠে আসা ছাত্রনেতাদের প্রতিনিধিত্ব করবে।

এজিএস প্রার্থী মেহেদী হাসান আখন বলেন, “বিগত বছরগুলোতে আমাদের বহু কর্মী অন্যায়ের শিকার হয়েছেন। জকসু নির্বাচন তাদের আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধারের সুযোগ। আমরা চাই—বাসস্থান, নিরাপত্তা, লাইব্রেরি, ছাত্র অধিকারসহ শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যাগুলো সামনে আসুক। আমাদের প্যানেল সেই ইস্যুগুলোই অগ্রাধিকার দেবে।”

এদিকে নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১৩ নভেম্বর চারজন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। ১৬–১৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বিতরণ, ১৭ ও ১৮ নভেম্বর সংগ্রহ করা ফরম দাখিল করা যাবে। ১৯–২০ নভেম্বর বাছাই শেষে ২৩ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা। ২৪–২৬ নভেম্বর আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তির পর ২৭ এবং ৩০ নভেম্বর ডোপ টেস্ট হবে। ৩ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ৪, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে, ৯ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে প্রত্যাহার তালিকা। ৯–১৯ ডিসেম্বর প্রচারণা শেষে ২২ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ ও গণনা অনুষ্ঠিত হবে, এবং ২২–২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জবি ছাত্রদলের ঘোষিত জোটে অসন্তোষে পদবঞ্চিতদের ‘জাগ্রত জবিয়ান’ প্যানেল

আপডেট সময় ০৩:১২:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

আসন্ন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের (ছাত্রদল) ঘোষিত প্যানেলে ব্যাপক পদবঞ্চনার অভিযোগ উঠেছে। এসব পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা পৃথকভাবে ‘জাগ্রত জবিয়ান’ নামে নতুন প্যানেল ঘোষণা করেছেন।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) শহীদ সাজিদ ভবনে নির্বাচন কমিশন কার্যালয় থেকে তারা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

‘জাগ্রত জবিয়ান’ প্যানেলে ভাইস-প্রেসিডেন্ট (ভিপি) পদে লড়বেন কাজী রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মো. তৌহিদ চৌধুরী এবং সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রার্থী হয়েছেন মেহেদী হাসান আখন। আগামীকাল এই প্যানেলে ১২ সদস্যদের আংশিক প্যানেল ঘোষণা করা হবে জানিয়েছে তারা।

ভিপি প্রার্থী কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমাদের আন্দোলন কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, ন্যায় প্রতিষ্ঠার পক্ষে। মূল প্যানেলে যেসব ত্যাগী ও নির্যাতিত ভাইদের রাখা হয়েছে, তাদের প্রতি সম্মান জানিয়ে আমরা সেই পদগুলোতে প্রার্থী দিচ্ছি না। কিন্তু বাইরে থেকে এনে যেভাবে অনেককে বসানো হয়েছে, তা সংগঠনের প্রতি অবিচার। এই অবিচারের প্রতিকারেই আমরা বিকল্প প্যানেল ঘোষণা করেছি।”

জিএস প্রার্থী মো. তৌহিদ চৌধুরী বলেন, জবি শিক্ষার্থীরা পরিবর্তন ও যোগ্য নেতৃত্ব চায়। বাইরে থেকে নেতৃত্ব চাপিয়ে দিলে ছাত্রসমাজ তা গ্রহণ করবে না। আমরা এমন একটি প্যানেল গঠন করেছি, যা প্রকৃত জবিয়ানদের ও সংগঠনের ভিতর থেকে উঠে আসা ছাত্রনেতাদের প্রতিনিধিত্ব করবে।

এজিএস প্রার্থী মেহেদী হাসান আখন বলেন, “বিগত বছরগুলোতে আমাদের বহু কর্মী অন্যায়ের শিকার হয়েছেন। জকসু নির্বাচন তাদের আত্মমর্যাদা পুনরুদ্ধারের সুযোগ। আমরা চাই—বাসস্থান, নিরাপত্তা, লাইব্রেরি, ছাত্র অধিকারসহ শিক্ষার্থীদের বাস্তব সমস্যাগুলো সামনে আসুক। আমাদের প্যানেল সেই ইস্যুগুলোই অগ্রাধিকার দেবে।”

এদিকে নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, ১২ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়। ১৩ নভেম্বর চারজন প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। ১৬–১৭ নভেম্বর মনোনয়নপত্র বিতরণ, ১৭ ও ১৮ নভেম্বর সংগ্রহ করা ফরম দাখিল করা যাবে। ১৯–২০ নভেম্বর বাছাই শেষে ২৩ নভেম্বর প্রকাশ করা হবে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা। ২৪–২৬ নভেম্বর আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তির পর ২৭ এবং ৩০ নভেম্বর ডোপ টেস্ট হবে। ৩ ডিসেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। ৪, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে, ৯ ডিসেম্বর প্রকাশ হবে প্রত্যাহার তালিকা। ৯–১৯ ডিসেম্বর প্রচারণা শেষে ২২ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ ও গণনা অনুষ্ঠিত হবে, এবং ২২–২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।