ঢাকা ১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা জহির হত্যায় তিনজন আটক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা আবুল কালাম জহির হত্যার ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিনব্যাপী লতিফপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের ধরা হয়।

গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের মোস্তাফার দোকান এলাকায় অবস্থান করার সময় জহিরকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা প্রথমে গুলি ছোড়ে। পরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় তারা।

আটকরা হলেন লতিফপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে ইমন হোসেন, মমিন উল্যার ছেলে আলমগীর হোসেন ও নুরুল আমিনের ছেলে হুসাইন কবির সেলিম। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। জহির হত্যাকাণ্ডের পর এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়ে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ সুপার আকতার হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি ফয়েজুল আজীম নোমান বলেন, মাদক ব্যবসা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুত মূল আসামিকে গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ছোট কাউছার ও তার সহযোগীরা দায়ী। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন জহির ও ছাত্রদলকর্মী ছোট কাউছার গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে।

পুলিশ জানায়, ছোট কাউছারের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাসহ বিভিন্ন মামলায় সাজা রয়েছে। জহিরের বিরুদ্ধেও মাদকের বেশ কয়েকটি মামলা ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা জহির হত্যায় তিনজন আটক

আপডেট সময় ১২:২১:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

লক্ষ্মীপুরে বিএনপি নেতা আবুল কালাম জহির হত্যার ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার দিনব্যাপী লতিফপুরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের ধরা হয়।

গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের মোস্তাফার দোকান এলাকায় অবস্থান করার সময় জহিরকে লক্ষ্য করে দুর্বৃত্তরা প্রথমে গুলি ছোড়ে। পরে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও গুলি করে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায় তারা।

আটকরা হলেন লতিফপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে ইমন হোসেন, মমিন উল্যার ছেলে আলমগীর হোসেন ও নুরুল আমিনের ছেলে হুসাইন কবির সেলিম। গতকাল সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা হয়নি। জহির হত্যাকাণ্ডের পর এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

হত্যার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী। তিনি নিহতের পরিবারের প্রতি শোক জানিয়ে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। দ্রুত জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ সুপার আকতার হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি ফয়েজুল আজীম নোমান বলেন, মাদক ব্যবসা ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া গেছে। আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুত মূল আসামিকে গ্রেপ্তারে কাজ চলছে।

নিহতের পরিবারের অভিযোগ, এ হত্যাকাণ্ডের জন্য ছোট কাউছার ও তার সহযোগীরা দায়ী। তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। স্বজনরা জানান, দীর্ঘদিন জহির ও ছাত্রদলকর্মী ছোট কাউছার গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এ বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে।

পুলিশ জানায়, ছোট কাউছারের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যাসহ বিভিন্ন মামলায় সাজা রয়েছে। জহিরের বিরুদ্ধেও মাদকের বেশ কয়েকটি মামলা ছিল।