ঢাকা ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

শাকসু নির্বাচনের তারিখ প্রত্যাখ্যান, উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। তা প্রত্যাখ্যান করে প্রশাসনিক ভবনের ফটক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। এতে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন উপাচার্যসহ অন্যরা।

শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় নিজ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্য জানান, আগামী ১৭ ডিসেম্বর ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উপাচার্য বলেন, ‘আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে সব পক্ষকে নিয়ে নির্বাচন আয়োজন করবো। ২৮ বছর পর এই নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের মান-মর্যাদা অনেক ওপরে নিয়ে যাবে। আগামী ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু মিলে এটি একটি চমৎকার তারিখ। কোনও অবস্থাতেই মারামারি করা যাবে না। না হলে আমরা বিকল্প চিন্তা করবো। আর নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে।’

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন সহ-উপাচার্য মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির, প্রক্টর মোখলেসুর রহমান, শাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেসসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার।

কিছুক্ষণ পরই উপাচার্যের ঘোষিত তারিখ প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চান। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই উপাচার্যের কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

মিছিল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক পলাশ বখতিয়ার বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের ঘোষিত নির্বাচনী তারিখ প্রত্যাখ্যান করলাম। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ৯ বা ১০ ডিসেম্বর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই প্রশাসন প্রহসন করে অন্য তারিখ দিয়েছে। আমরা এটা মানি না। আন্দোলন চলবে।’

রাত ১০টা পর্যন্ত উপাচার্য, সহ–উপাচার্যসহ প্রশাসনিক বডি ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা প্রশাসনিক ভবনের ভেতরেই ছিলেন। প্রশাসনিক ভবনের ফটক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। এতে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন উপাচার্যসহ অন্যরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

শাকসু নির্বাচনের তারিখ প্রত্যাখ্যান, উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০১:১৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এ এম সরওয়ারউদ্দিন চৌধুরী। তা প্রত্যাখ্যান করে প্রশাসনিক ভবনের ফটক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন। এতে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন উপাচার্যসহ অন্যরা।

শুক্রবার রাত সোয়া ৯টায় নিজ কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্য জানান, আগামী ১৭ ডিসেম্বর ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উপাচার্য বলেন, ‘আমরা উৎসবমুখর পরিবেশে সব পক্ষকে নিয়ে নির্বাচন আয়োজন করবো। ২৮ বছর পর এই নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের মান-মর্যাদা অনেক ওপরে নিয়ে যাবে। আগামী ১৭ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সবকিছু মিলে এটি একটি চমৎকার তারিখ। কোনও অবস্থাতেই মারামারি করা যাবে না। না হলে আমরা বিকল্প চিন্তা করবো। আর নির্বাচনের রোডম্যাপ নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে।’

নির্বাচনের তারিখ ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন সহ-উপাচার্য মো. সাজেদুল করিম, কোষাধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন, রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আবদুল কাদির, প্রক্টর মোখলেসুর রহমান, শাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবুল মুকিত মোহাম্মদ মোকাদ্দেসসহ অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার।

কিছুক্ষণ পরই উপাচার্যের ঘোষিত তারিখ প্রত্যাখ্যান করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন চান। নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরপরই উপাচার্যের কার্যালয়ের বাইরে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।

মিছিল থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক পলাশ বখতিয়ার বলেন, ‘আমরা প্রশাসনের ঘোষিত নির্বাচনী তারিখ প্রত্যাখ্যান করলাম। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে ৯ বা ১০ ডিসেম্বর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই প্রশাসন প্রহসন করে অন্য তারিখ দিয়েছে। আমরা এটা মানি না। আন্দোলন চলবে।’

রাত ১০টা পর্যন্ত উপাচার্য, সহ–উপাচার্যসহ প্রশাসনিক বডি ও নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা প্রশাসনিক ভবনের ভেতরেই ছিলেন। প্রশাসনিক ভবনের ফটক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছেন। এতে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন উপাচার্যসহ অন্যরা।