ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘দেশি মুরগি খেতে না পারা’ আলোচিত সেই শিক্ষিকা সম্পর্কে যা জানা গেল

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

সম্প্রতি রাজধানীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা দাবি-দাওয়ার আন্দোলন করেন। এতে অংশ নিয়ে নিজের জীবনযাপন ও দুঃখ-কষ্টের কথা বলে আলোচনায় আসেন শাহিনুর আক্তার শ্যামলী নামে এক শিক্ষক।

এক গণমাধ্যমের সঙ্গে শাহিনুর আক্তার বলেন, ‘২০ বছর আগে বাচ্চার জন্য ফার্মের মুরগি কিনেছিলাম, সেই মুরগির গন্ধ এখনো নাকে লেগে আছে। শিক্ষকরা দেশি মুরগি খেতে পারেন না।’ তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়।

এবার বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে সেই শাহিনুর আক্তার বলেছেন, ‘আমি একজন শিক্ষক প্রতিনিধি। আমি দীর্ঘদিন এই পেশায় জড়িত। এখানে আমি ব্যক্তি শাহিনুরের কথা বলিনি। আমি আন্দোলনের সময় এই মন্তব্যের মাধ্যমে সব শিক্ষকদের কষ্ট ও ক্রন্দন বোঝাতে চেয়েছি।’

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলছেন, শাহিনুর আক্তার শ্যামলী চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ গার্লস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার স্বামী কুমিল্লার বড়ুয়া উপজেলার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাসারা গ্রামের মোল্লা বাড়িতে। তার এক মেয়ে ঢাকায় একটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে পড়াশোনা করছে। ছোট ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

তারা আরও জানান, শ্যামলীর নিজ এলাকায় রয়েছে একতলা পাকা বাড়ি, আর শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার বড়ুয়ায় রয়েছে দুইতলা ভবন। এ ছাড়া হাজীগঞ্জ বাজারের ডিগ্রি কলেজ রোডে ‘আরাম কটেজ’-এর পাশে তার ছয়তলা নিজস্ব ভবন রয়েছে। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি একটি বিউটি পার্লার পরিচালনা করেন বলেও জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার বড় ভাই সালাউদ্দিন মোল্লা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন, আর ছোট বোন সোহেলি চট্টগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

স্থানীয় ও তার সহকর্মীদের মতে, শাহিনুর আক্তার শ্যামলী দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সমাজের অধিকার আদায়ে সক্রিয়। আন্দোলনের মাঠে তিনি বলিষ্ঠ ও আপসহীন নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করে আসছেন। শুধু চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলাতেই নয়, দেশের বিভিন্ন আন্দোলনেও তার উপস্থিতি রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘দেশি মুরগি খেতে না পারা’ আলোচিত সেই শিক্ষিকা সম্পর্কে যা জানা গেল

আপডেট সময় ১০:৫৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

সম্প্রতি রাজধানীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা দাবি-দাওয়ার আন্দোলন করেন। এতে অংশ নিয়ে নিজের জীবনযাপন ও দুঃখ-কষ্টের কথা বলে আলোচনায় আসেন শাহিনুর আক্তার শ্যামলী নামে এক শিক্ষক।

এক গণমাধ্যমের সঙ্গে শাহিনুর আক্তার বলেন, ‘২০ বছর আগে বাচ্চার জন্য ফার্মের মুরগি কিনেছিলাম, সেই মুরগির গন্ধ এখনো নাকে লেগে আছে। শিক্ষকরা দেশি মুরগি খেতে পারেন না।’ তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দেয়।

এবার বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে সেই শাহিনুর আক্তার বলেছেন, ‘আমি একজন শিক্ষক প্রতিনিধি। আমি দীর্ঘদিন এই পেশায় জড়িত। এখানে আমি ব্যক্তি শাহিনুরের কথা বলিনি। আমি আন্দোলনের সময় এই মন্তব্যের মাধ্যমে সব শিক্ষকদের কষ্ট ও ক্রন্দন বোঝাতে চেয়েছি।’

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বলছেন, শাহিনুর আক্তার শ্যামলী চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ গার্লস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার স্বামী কুমিল্লার বড়ুয়া উপজেলার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের বাসারা গ্রামের মোল্লা বাড়িতে। তার এক মেয়ে ঢাকায় একটি কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে পড়াশোনা করছে। ছোট ছেলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

তারা আরও জানান, শ্যামলীর নিজ এলাকায় রয়েছে একতলা পাকা বাড়ি, আর শ্বশুরবাড়ি কুমিল্লার বড়ুয়ায় রয়েছে দুইতলা ভবন। এ ছাড়া হাজীগঞ্জ বাজারের ডিগ্রি কলেজ রোডে ‘আরাম কটেজ’-এর পাশে তার ছয়তলা নিজস্ব ভবন রয়েছে। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি একটি বিউটি পার্লার পরিচালনা করেন বলেও জানা গেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তার বড় ভাই সালাউদ্দিন মোল্লা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করেন, আর ছোট বোন সোহেলি চট্টগ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

স্থানীয় ও তার সহকর্মীদের মতে, শাহিনুর আক্তার শ্যামলী দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সমাজের অধিকার আদায়ে সক্রিয়। আন্দোলনের মাঠে তিনি বলিষ্ঠ ও আপসহীন নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করে আসছেন। শুধু চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলাতেই নয়, দেশের বিভিন্ন আন্দোলনেও তার উপস্থিতি রয়েছে।