ঢাকা ০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

চার রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ায় পাঠানো ১৮ হাজার ৫৬৩ শ্রমিকের ৩১০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চারটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার কমিশনের ঢাকা-১ কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।

দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযোগ করা হয়, আসামিরা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠনের (বায়রা) নিবন্ধনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। প্রতিজনের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ১৮ হাজার ৫৬৩ শ্রমিককে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। কর্মীদের পাসপোর্ট করার জন্য ১০ হাজার টাকা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৭ হাজার ৫০০ টাকা। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিগত সরকার দলের প্রভাব খাটিয়ে মালয়েশিয়া গমন করা কর্মীদের অর্থ আত্মসাৎ করেন। কর্মীরা নিজ খরচে পাসপোর্ট ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলেও তাদের পাসপোর্টের ফি বাবদ ১০ হাজার টাকা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাবদ ৭ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

মালয়েশিয়ায় পাঠানো ৩ হাজার ৪৮৬ জনের ৫৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সেলিব্রিটি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফারিদা বানু ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করা হয়। ৩ হাজার ৮৫২ শ্রমিকের কাছ থেকে ৬৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অদিতী ইন্টারন্যাশনালের মালিক বিশ্বজিৎ সাহার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করা হয়।

তিন হাজার ১৪৮ শ্রমিকের সঙ্গে প্রতারণা করে ৫২ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের মোহাম্মদ বশিরের বিরুদ্ধে তৃতীয় মামলা করা হয়। ভিং এন্টারপ্রাইজের মালিক হেফজুল বারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে আট হাজার ৭৭ শ্রমিকের কাছ থেকে ১৩৫ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অন্য মামলাটি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

চার রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় ০৩:১৭:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

মালয়েশিয়ায় পাঠানো ১৮ হাজার ৫৬৩ শ্রমিকের ৩১০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চারটি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মিনহাজ বিন ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার কমিশনের ঢাকা-১ কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।

দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

অভিযোগ করা হয়, আসামিরা জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো এবং জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠনের (বায়রা) নিবন্ধনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন। প্রতিজনের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ১৮ হাজার ৫৬৩ শ্রমিককে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়েছে। কর্মীদের পাসপোর্ট করার জন্য ১০ হাজার টাকা এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ব্যয় নির্ধারণ করা হয় ৭ হাজার ৫০০ টাকা। আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে বিগত সরকার দলের প্রভাব খাটিয়ে মালয়েশিয়া গমন করা কর্মীদের অর্থ আত্মসাৎ করেন। কর্মীরা নিজ খরচে পাসপোর্ট ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করলেও তাদের পাসপোর্টের ফি বাবদ ১০ হাজার টাকা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা বাবদ ৭ হাজার ৫০০ টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি।

মালয়েশিয়ায় পাঠানো ৩ হাজার ৪৮৬ জনের ৫৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সেলিব্রিটি ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ফারিদা বানু ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম মামলাটি করা হয়। ৩ হাজার ৮৫২ শ্রমিকের কাছ থেকে ৬৪ কোটি ৫২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অদিতী ইন্টারন্যাশনালের মালিক বিশ্বজিৎ সাহার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করা হয়।

তিন হাজার ১৪৮ শ্রমিকের সঙ্গে প্রতারণা করে ৫২ কোটি ৭২ লাখ ৯০ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাব্বি ইন্টারন্যাশনালের মোহাম্মদ বশিরের বিরুদ্ধে তৃতীয় মামলা করা হয়। ভিং এন্টারপ্রাইজের মালিক হেফজুল বারী মোহাম্মদ লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে আট হাজার ৭৭ শ্রমিকের কাছ থেকে ১৩৫ কোটি ২৮ লাখ ৯৭ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে অন্য মামলাটি করা হয়েছে।