ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

‘স্কুলে পাঠিও না’ বলা মেয়েটির আত্মহত্যা, অভিযোগের তির সহপাঠীদের দিকে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৬ বার পড়া হয়েছে

সিসিটিভির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আত্মহত্যার আগে ক্লাস শিক্ষকের কাছে পরপর দুবার কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় আমায়রাকে, কিন্তু ওই শিক্ষক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

যে স্কুল, সহপাঠী হতে পারত আশ্রয় ও বিকাশের উপলক্ষ, তারাই হলো ৯ বছর বয়সী এক ছাত্রীর আত্মহননের কারণ।

ভারতের জয়পুরে সহপাঠীদের উৎপীড়নের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আমায়রা।

এনডিটিভি জানায়, নিরজা মোদি স্কুলের মাঠ থেকে পহেলা নভেম্বর তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সিসিটিভি ফুটেজের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী স্কুলের একটি ভবনের চার তলা থেকে ঝাঁপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

এ ঘটনায় সন্তান হারানো মা-বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

সংবাদমাধ্যমের কাছে এক বছর আগের একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করেন নিহতের মা শিবানি মিনা।

ওই রেকর্ডে আমায়রাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি স্কুলে যেতে চাই না, আমাকে স্কুলে পাঠিও না।’

মিনা জানান, সহপাঠীদের উৎপীড়নে মেয়ের মনের অবস্থা জানাতে অডিও বার্তাটি রেকর্ড করে পাঠানো হয়েছিল শিক্ষকদের কাছে, কিন্তু বারবার বিষয়টি অবগত করেও কোনো সাড়া মেলেনি।

ভুক্তভোগীর বাবা বিজয় মিনা তুলে ধরেন প্রত্যক্ষ এক অভিযোগ।

বিজয় জানান, এক অভিভাবক বৈঠকে তার সামনেই মেয়েকে উৎপীড়ন করছিল কয়েকজন সহপাঠী। ক্লাসের একজন ছেলে সহপাঠীর নাম জড়িয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় মেয়ে তখন আশ্রয় নেয় বাবার পেছনে।

এ ঘটনা শিক্ষকদের জানানো হলে তারা আমায়রার আচরণগত দোষ ধরেন বলে অভিযোগ করেন বিজয়।

সিসিটিভির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আত্মহত্যার আগে ক্লাস শিক্ষকের কাছে পরপর দুবার কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে যায় আমায়রা, কিন্তু ওই শিক্ষক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

শ্রেণিকক্ষের সিসিটিভি ফুটেজের অডিও সংরক্ষিত থাকার নির্দেশনা থাকলেও ভিডিওটির অডিও রেকর্ড দিতে অপারগতা প্রকাশ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

জয়পুরের ডেপুটি কমিশনার রাজর্ষি রাজ বার্মা বলেন, ওই ছাত্রীর মা-বাবার বিবৃতি নেওয়া হয়েছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় কোনো মন্তব্য করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

‘স্কুলে পাঠিও না’ বলা মেয়েটির আত্মহত্যা, অভিযোগের তির সহপাঠীদের দিকে

আপডেট সময় ০৮:৩৮:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

সিসিটিভির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আত্মহত্যার আগে ক্লাস শিক্ষকের কাছে পরপর দুবার কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে দেখা যায় আমায়রাকে, কিন্তু ওই শিক্ষক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

যে স্কুল, সহপাঠী হতে পারত আশ্রয় ও বিকাশের উপলক্ষ, তারাই হলো ৯ বছর বয়সী এক ছাত্রীর আত্মহননের কারণ।

ভারতের জয়পুরে সহপাঠীদের উৎপীড়নের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী আমায়রা।

এনডিটিভি জানায়, নিরজা মোদি স্কুলের মাঠ থেকে পহেলা নভেম্বর তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সিসিটিভি ফুটেজের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী স্কুলের একটি ভবনের চার তলা থেকে ঝাঁপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

এ ঘটনায় সন্তান হারানো মা-বাবা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।

সংবাদমাধ্যমের কাছে এক বছর আগের একটি অডিও বার্তা প্রকাশ করেন নিহতের মা শিবানি মিনা।

ওই রেকর্ডে আমায়রাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি স্কুলে যেতে চাই না, আমাকে স্কুলে পাঠিও না।’

মিনা জানান, সহপাঠীদের উৎপীড়নে মেয়ের মনের অবস্থা জানাতে অডিও বার্তাটি রেকর্ড করে পাঠানো হয়েছিল শিক্ষকদের কাছে, কিন্তু বারবার বিষয়টি অবগত করেও কোনো সাড়া মেলেনি।

ভুক্তভোগীর বাবা বিজয় মিনা তুলে ধরেন প্রত্যক্ষ এক অভিযোগ।

বিজয় জানান, এক অভিভাবক বৈঠকে তার সামনেই মেয়েকে উৎপীড়ন করছিল কয়েকজন সহপাঠী। ক্লাসের একজন ছেলে সহপাঠীর নাম জড়িয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করায় মেয়ে তখন আশ্রয় নেয় বাবার পেছনে।

এ ঘটনা শিক্ষকদের জানানো হলে তারা আমায়রার আচরণগত দোষ ধরেন বলে অভিযোগ করেন বিজয়।

সিসিটিভির একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আত্মহত্যার আগে ক্লাস শিক্ষকের কাছে পরপর দুবার কোনো বিষয় নিয়ে কথা বলতে যায় আমায়রা, কিন্তু ওই শিক্ষক কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি।

শ্রেণিকক্ষের সিসিটিভি ফুটেজের অডিও সংরক্ষিত থাকার নির্দেশনা থাকলেও ভিডিওটির অডিও রেকর্ড দিতে অপারগতা প্রকাশ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

জয়পুরের ডেপুটি কমিশনার রাজর্ষি রাজ বার্মা বলেন, ওই ছাত্রীর মা-বাবার বিবৃতি নেওয়া হয়েছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে।

এ ঘটনায় কোনো মন্তব্য করেনি স্কুল কর্তৃপক্ষ।