ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, থাকছে নানা আয়োজন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

আজ ৭ নভেম্বর। সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পালটে দিয়েছিল। অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার ঘোর কাটিয়ে সূচিত হয়েছিল দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করার যাত্রা।

৭ নভেম্বর ১৯৭৫। সেনানিবাসে গৃহবন্দি তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। গোটা বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ।

এর আগে ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে। ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে খুন হন জাতীয় চার নেতা। ৭ নভেম্বর পূর্ববর্তী সেই সময়ে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা, অরাজক পরিস্থিতি। বাকশাল আর দুর্ভিক্ষের ক্ষোভ জনমনে। জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হবার আগেই সারা দেশে পরিচিত ছিল কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার আহ্বান জানানো ‘মেজর জিয়া’ হিসেবে। তাকে মুক্ত করা এবং স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় এগিয়ে আসেন সাধারণ সিপাহি আর দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তারা। অকুতোভয় সেই সেনাসদস্যদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সাধারণ মানুষ নেমে আসে রাজপথে।

সিপাহী-জনতার এই স্বত:স্ফুর্ত বিপ্লবে সম্ভাবনার নতুন আলো জ্বলে ওঠে দেশের বুকে। উদযাপিত হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যার পরপরই রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জিয়াউর রহমান।

৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। এ উপলক্ষ্যে এবারও ১০ দিনের কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন।

নানা কর্মসূচি:

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারাদেশের সব জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন।

সকাল ১০টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

বিকেল ৩টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে, যার উদ্বোধন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল।

এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন স্ব স্ব উদ্যোগে আলোচনা সভা ও অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে শ্রমিকদলের উদ্যেগে গত ৫ নভেম্বর আলোচনা সভা হয়। ৮ নভেম্বর ছাত্রদলের উদ্যোগে আলোচনা সভা, ওলামা দলের উদ্যোগে ৯ নভেম্বর এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।

১০ নভেম্বর তাঁতী দলের উদ্যোগে আলোচনা সভা, কৃষক দলের উদ্যোগে ১১ নভেম্বর আলোচনা সভা এবং জাসাসের উদ্যোগে ১৩ নভেম্বর শহীদ মিনারে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও, বিএনপির উদ্যোগে ১২ নভেম্বর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আজ জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস, থাকছে নানা আয়োজন

আপডেট সময় ০৯:২৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

আজ ৭ নভেম্বর। সারাদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হবে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ঘটেছিল, যা দেশের তৎকালীন রাজনীতির গতিধারা পালটে দিয়েছিল। অরাজকতা ও অনিশ্চয়তার ঘোর কাটিয়ে সূচিত হয়েছিল দেশ ও জাতিকে নতুন পরিচয়ে অভিষিক্ত করার যাত্রা।

৭ নভেম্বর ১৯৭৫। সেনানিবাসে গৃহবন্দি তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান। গোটা বাহিনীর চেইন অব কমান্ড ভেঙ্গে নিজেকে সেনাপ্রধান ঘোষণা করেন ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ।

এর আগে ১৫ আগস্ট নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে। ৩ নভেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে খুন হন জাতীয় চার নেতা। ৭ নভেম্বর পূর্ববর্তী সেই সময়ে দেশজুড়ে বিশৃঙ্খলা, অরাজক পরিস্থিতি। বাকশাল আর দুর্ভিক্ষের ক্ষোভ জনমনে। জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হবার আগেই সারা দেশে পরিচিত ছিল কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার আহ্বান জানানো ‘মেজর জিয়া’ হিসেবে। তাকে মুক্ত করা এবং স্বাধীনতা- সার্বভৌমত্বের সুরক্ষায় এগিয়ে আসেন সাধারণ সিপাহি আর দেশপ্রেমিক সেনা কর্মকর্তারা। অকুতোভয় সেই সেনাসদস্যদের প্রতি সংহতি জানিয়ে সাধারণ মানুষ নেমে আসে রাজপথে।

সিপাহী-জনতার এই স্বত:স্ফুর্ত বিপ্লবে সম্ভাবনার নতুন আলো জ্বলে ওঠে দেশের বুকে। উদযাপিত হয় সেই ঐতিহাসিক মুহূর্ত, যার পরপরই রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন জিয়াউর রহমান।

৭ নভেম্বরকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। এ উপলক্ষ্যে এবারও ১০ দিনের কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পৃথক বাণী দিয়েছেন।

নানা কর্মসূচি:

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে আজ সকাল ৬টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও সারাদেশের সব জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে দলীয় পতাকা উত্তোলন।

সকাল ১০টায় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও ফাতেহা পাঠ করবেন।

বিকেল ৩টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হবে, যার উদ্বোধন করবেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল।

এছাড়া, দিবসটি উপলক্ষ্যে দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন স্ব স্ব উদ্যোগে আলোচনা সভা ও অন্যান্য কর্মসূচি পালন করবে। এর মধ্যে শ্রমিকদলের উদ্যেগে গত ৫ নভেম্বর আলোচনা সভা হয়। ৮ নভেম্বর ছাত্রদলের উদ্যোগে আলোচনা সভা, ওলামা দলের উদ্যোগে ৯ নভেম্বর এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ।

১০ নভেম্বর তাঁতী দলের উদ্যোগে আলোচনা সভা, কৃষক দলের উদ্যোগে ১১ নভেম্বর আলোচনা সভা এবং জাসাসের উদ্যোগে ১৩ নভেম্বর শহীদ মিনারে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও, বিএনপির উদ্যোগে ১২ নভেম্বর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।