ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ইডেন কলেজে সংকট নিরসনে ‘অপরাজেয়’র স্মারকলিপি প্রদান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:১৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

ইডেন মহিলা কলেজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অপরাজেয়’ কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের কাছে কলেজের বিভিন্ন সংকট নিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ছাত্রীদের অনেকেই পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে উচ্চশিক্ষা নিতে ইডেন কলেজে ভর্তি হয়। কিন্তু কলেজের চিকিৎসা সুবিধা, দোকান ও ক্যান্টিনে অতিরিক্ত মূল্য, এবং সার্বিক অব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশকে কঠিন করে তুলছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কলেজে মেডিকেল সেন্টার থাকলেও সেখানে নিয়মিত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাউন্সিলিং সেবা নেই। সম্প্রতি কলেজের পুকুরে দুই শিক্ষার্থী ডুবে গেলে মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জরুরি চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হন। এমন ঘটনার উল্লেখও স্মারকলিপিতে করা হয়।

এ ছাড়া, ক্যান্টিন, মুদি দোকান ও কম্পিউটার দোকানগুলোতে সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনের দাবি, এসব দোকান শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অলাভজনক হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে পণ্যের দাম গায়ের লেবেলের চেয়ে বেশি রাখা হচ্ছে। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানালে তাদের সঙ্গে দোকানদাররা অশোভন আচরণও করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কলেজে কোনো ফার্মেসি না থাকায় মেয়েদের সামান্য ওষুধ কিনতেও বাইরে যেতে হয়। দোকানদাররা নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধ বিক্রি করলেও দাম বাইরের তুলনায় বেশি রাখছেন।

সংগঠনটি এইসব সংকটের সমাধানে কলেজ প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো- মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা ও কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় ওষুধসম্বলিত একটি ফার্মেসি স্থাপন ও ফার্মাসিস্ট নিয়োগ, সব ক্যান্টিনে একক মূল্য নির্ধারণ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা, কম্পিউটার দোকানগুলোর পণ্য ও সেবার মূল্য শিক্ষার্থীবান্ধব করা ও কলেজ লাইব্রেরির সময় রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ইডেন কলেজে সংকট নিরসনে ‘অপরাজেয়’র স্মারকলিপি প্রদান

আপডেট সময় ০১:১৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

ইডেন মহিলা কলেজের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অপরাজেয়’ কলেজের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষের কাছে কলেজের বিভিন্ন সংকট নিয়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) এ স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

স্মারকলিপিতে সংগঠনটি উল্লেখ করে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ছাত্রীদের অনেকেই পারিবারিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে উচ্চশিক্ষা নিতে ইডেন কলেজে ভর্তি হয়। কিন্তু কলেজের চিকিৎসা সুবিধা, দোকান ও ক্যান্টিনে অতিরিক্ত মূল্য, এবং সার্বিক অব্যবস্থাপনা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশকে কঠিন করে তুলছে।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, কলেজে মেডিকেল সেন্টার থাকলেও সেখানে নিয়মিত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় ওষুধ ও কাউন্সিলিং সেবা নেই। সম্প্রতি কলেজের পুকুরে দুই শিক্ষার্থী ডুবে গেলে মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা জরুরি চিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হন। এমন ঘটনার উল্লেখও স্মারকলিপিতে করা হয়।

এ ছাড়া, ক্যান্টিন, মুদি দোকান ও কম্পিউটার দোকানগুলোতে সিন্ডিকেট করে অতিরিক্ত দাম আদায়ের অভিযোগ তোলা হয়। সংগঠনের দাবি, এসব দোকান শিক্ষার্থীদের স্বার্থে অলাভজনক হওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে পণ্যের দাম গায়ের লেবেলের চেয়ে বেশি রাখা হচ্ছে। অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানালে তাদের সঙ্গে দোকানদাররা অশোভন আচরণও করেন।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, কলেজে কোনো ফার্মেসি না থাকায় মেয়েদের সামান্য ওষুধ কিনতেও বাইরে যেতে হয়। দোকানদাররা নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধ বিক্রি করলেও দাম বাইরের তুলনায় বেশি রাখছেন।

সংগঠনটি এইসব সংকটের সমাধানে কলেজ প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি উত্থাপন করেছে। দাবিগুলো হলো- মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা ও কাউন্সিলিংয়ের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, প্রয়োজনীয় ওষুধসম্বলিত একটি ফার্মেসি স্থাপন ও ফার্মাসিস্ট নিয়োগ, সব ক্যান্টিনে একক মূল্য নির্ধারণ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা, কম্পিউটার দোকানগুলোর পণ্য ও সেবার মূল্য শিক্ষার্থীবান্ধব করা ও কলেজ লাইব্রেরির সময় রাত ৮টা পর্যন্ত বাড়ানো।