ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ‘যারা শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করবে, তারা ধুলোয় মিশে যাবে’ Logo ইরানের একটি ‘ভালো ও বিচক্ষণ’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Logo বিচার বিভাগের দুর্নীতির সব শিকড় তুলে আনতে চাই: আইনমন্ত্রী Logo আমরা সর্তকতার সঙ্গে জ্বালানির মূল্য বাড়িয়েছি: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo এলএনজি সংকট দীর্ঘায়িত হতে পারে ২০২৭ সাল পর্যন্ত: আইইএ Logo ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করলেন নেতানিয়াহু Logo সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল থাকছে Logo বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করবে, এখানে দলীয়করণের কোনো সুযোগ নেই: অর্থমন্ত্রী Logo জুবায়ের-মুসাদ্দিককে থানার গেট থেকে ওসি রুম পর্যন্ত মারতে মারতে নিয়ে যাওয়া হয় Logo ক্ষমতায় গিয়ে গণভোট নিয়ে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে সরকার

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৬৭ বার পড়া হয়েছে

বরিশালে জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদেশ জারি করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা হবে বিপ্লবের কফিনের শেষ পেরেক।

০২ নভেম্বর (রবিবার) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা ও মহানগরের সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এ সময় তিনি বলেন, যিনি হেড অফিস ফ্যাসিজম— তার কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয় এর থেকে আর লজ্জার কিছুই নেই।

‎তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‎আমরা পলিসি ফর্ম করছি, ৩০০ আসনেই যাতে আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সুসংগত হতে পারি।

 

‎অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, এনসিপি কার দিকে যাচ্ছে সেটা মুখ্য নয়, সংস্কারের পক্ষে কারা আসছে এটাই মুখ্য। আমাদের অবস্থান মৌলিক ও সুস্পষ্ট।

 

ভোলার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, এর আরও পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, স্থায়ীভাবে যাতে বন্ধ হয়। আমরা যেন গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যেতে পারি। আমাদের যে আসন্ন নির্বাচন, যাতে অবাধ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ হয় এর দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর।

 

‎তিনি বলেন, ‎জনগণ যাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে সে-ই বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করবে। এতে আমাদের ভিন্ন মত নেই। এ জন্যই আমরা চাই নির্বাচনে যাতে কারও প্রভাব না থাকে।

‎তিনি বলেন, ‎নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কোনো রূপরেখা নেই। প্রতীক দেওয়ার ক্ষেত্রে লিগ্যাল একটি নিয়ম থাকা উচিত। আমরা সংশয় প্রকাশ করি নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের। শাপলা কেন দেবে না সেই ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু নাও হয়, আবার যদি ব্যালট বক্সে চুরির ঘটনা ঘটে সে সময় যদি তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, তখন তারা এটিরই পুনরাবৃত্তি করবে যে, ব্যাখ্যা দিতে পারব না। এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের লড়াই ছিল।

 

‎আয়োজিত এ সমন্বয় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। সভাপতিত্ব করেন এনসিপি বরিশাল জেলার সমন্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা।

 

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু, যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়জাল মাহমুদ শান্ত, আরিফুর রহমান তুহিন, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক আসাদ বিন রনি ও কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক।

 

এর আগে রবিবার সকালে ভোলায় জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। সেখানে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

‘যারা শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি করবে, তারা ধুলোয় মিশে যাবে’

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের আদেশ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে : হাসনাত আব্দুল্লাহ

আপডেট সময় ০৮:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

বরিশালে জাতীয় নাগরিক পাটির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, গণভোটের পাশাপাশি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আদেশ জারি করতে হবে এবং সেটা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকেই দিতে হবে। এখন এই আদেশ যদি চুপ্পুর কাছ থেকে নিতে হয় তাহলে তা হবে বিপ্লবের কফিনের শেষ পেরেক।

০২ নভেম্বর (রবিবার) বিকেলে বরিশাল জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা ও মহানগরের সমন্বয় সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

 

এ সময় তিনি বলেন, যিনি হেড অফিস ফ্যাসিজম— তার কাছ থেকে যদি অভ্যুত্থানের স্বীকৃতি নিতে হয় এর থেকে আর লজ্জার কিছুই নেই।

‎তিনশ আসনেই সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য এনসিপি কাজ করে যাচ্ছে উল্লেখ করে হাসনাত বলেন, ‎আমরা পলিসি ফর্ম করছি, ৩০০ আসনেই যাতে আমাদের সাংগঠনিক বিস্তার ও নির্বাচনকে সামনে রেখে সুসংগত হতে পারি।

 

‎অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, এনসিপি কার দিকে যাচ্ছে সেটা মুখ্য নয়, সংস্কারের পক্ষে কারা আসছে এটাই মুখ্য। আমাদের অবস্থান মৌলিক ও সুস্পষ্ট।

 

ভোলার ঘটনা নিয়ে তিনি বলেন, এই ঘটনাগুলো শুরু হয়েছে, এর আরও পুনরাবৃত্তি ঘটবে। এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, স্থায়ীভাবে যাতে বন্ধ হয়। আমরা যেন গুণগত, কাঠামোগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের দিকে যেতে পারি। আমাদের যে আসন্ন নির্বাচন, যাতে অবাধ, গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ হয় এর দায়িত্ব হচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলোর।

 

‎তিনি বলেন, ‎জনগণ যাকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় নিয়ে আসবে সে-ই বাংলাদেশের রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনা করবে। এতে আমাদের ভিন্ন মত নেই। এ জন্যই আমরা চাই নির্বাচনে যাতে কারও প্রভাব না থাকে।

‎তিনি বলেন, ‎নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কোনো রূপরেখা নেই। প্রতীক দেওয়ার ক্ষেত্রে লিগ্যাল একটি নিয়ম থাকা উচিত। আমরা সংশয় প্রকাশ করি নির্বাচন কমিশনের স্বেচ্ছাচারী আচরণের। শাপলা কেন দেবে না সেই ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। নির্বাচন যদি সুষ্ঠু নাও হয়, আবার যদি ব্যালট বক্সে চুরির ঘটনা ঘটে সে সময় যদি তাদের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়, তখন তারা এটিরই পুনরাবৃত্তি করবে যে, ব্যাখ্যা দিতে পারব না। এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের লড়াই ছিল।

 

‎আয়োজিত এ সমন্বয় সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব। সভাপতিত্ব করেন এনসিপি বরিশাল জেলার সমন্বয়কারী আবু সাঈদ মুসা।

 

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন, দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু, যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়জাল মাহমুদ শান্ত, আরিফুর রহমান তুহিন, দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক আসাদ বিন রনি ও কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক।

 

এর আগে রবিবার সকালে ভোলায় জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন হাসনাত আবদুল্লাহসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। সেখানে দলের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481