ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

অ্যামাজনে এক ধাক্কায় ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাই

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

চলতি সপ্তাহে অ্যামাজন প্রায় ১৪ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো খরচ বাঁচানো বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জ্যাসি জানিয়েছেন, আসল কারণটা ভিন্ন—এই কর্মীরা কোম্পানির সংস্কৃতির সঙ্গে ঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না।

জ্যাসি বলেন, ‘আমরা কয়েক দিন আগে যে ঘোষণা দিয়েছি, তার পেছনে মূলত কোনো আর্থিক বা এআই-সম্পর্কিত কারণ নেই। এটা আসলে কোম্পানির সংস্কৃতির বিষয়।’

তিনি আরও জানান, এ বছর তিনি অ্যামাজনের কাজের ধরন ও সংস্কৃতিকে নতুনভাবে সাজানোর চেষ্টা করছেন। তার লক্ষ্য হলো—কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা বা আমলাতন্ত্র দূর করা।

তবে কোম্পানির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বেথ গ্যালেত্তি এক ব্লগ পোস্টে বলেছেন, এআই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনও ছাঁটাইয়ের একটি কারণ। তার মতে, ‘ইন্টারনেট আসার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে। এটি কোম্পানিগুলোকে আগের চেয়ে অনেক দ্রুত নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করছে।’

এই ছাঁটাই অ্যামাজনের জন্য বেশ বড় একটি পদক্ষেপ। ২০২২ সালের শেষের দিকে ২৭ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এটিই সবচেয়ে বড় সংখ্যা।

অ্যান্ডি জ্যাসি জানান, গত কয়েক বছরে অ্যামাজন এত দ্রুত বেড়েছে যে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনেক স্তর তৈরি হয়েছে। এতে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়। এখন, এআই-এর যুগে, আমাদের দ্রুত কাজ করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেক সময়, অজান্তেই, আমরা যারা আসল কাজ করেন, তাদের মালিকানাবোধ কমিয়ে ফেলি। এতে কাজের গতি কমে যায়।’

শুধু অ্যামাজন নয়, গুগল ও মাইক্রোসফটের মতো অন্যান্য বড় টেক কোম্পানিও দ্রুত কাজের গতি বাড়াতে ব্যবস্থাপনা কাঠামো সহজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

অ্যামাজনে এক ধাক্কায় ১৪ হাজার কর্মী ছাঁটাই

আপডেট সময় ০৭:০৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

চলতি সপ্তাহে অ্যামাজন প্রায় ১৪ হাজার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে। অনেকেই ভেবেছিলেন, হয়তো খরচ বাঁচানো বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু অ্যামাজনের সিইও অ্যান্ডি জ্যাসি জানিয়েছেন, আসল কারণটা ভিন্ন—এই কর্মীরা কোম্পানির সংস্কৃতির সঙ্গে ঠিকভাবে মানিয়ে নিতে পারছিলেন না।

জ্যাসি বলেন, ‘আমরা কয়েক দিন আগে যে ঘোষণা দিয়েছি, তার পেছনে মূলত কোনো আর্থিক বা এআই-সম্পর্কিত কারণ নেই। এটা আসলে কোম্পানির সংস্কৃতির বিষয়।’

তিনি আরও জানান, এ বছর তিনি অ্যামাজনের কাজের ধরন ও সংস্কৃতিকে নতুনভাবে সাজানোর চেষ্টা করছেন। তার লক্ষ্য হলো—কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় জটিলতা বা আমলাতন্ত্র দূর করা।

তবে কোম্পানির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট বেথ গ্যালেত্তি এক ব্লগ পোস্টে বলেছেন, এআই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তনও ছাঁটাইয়ের একটি কারণ। তার মতে, ‘ইন্টারনেট আসার পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এনেছে। এটি কোম্পানিগুলোকে আগের চেয়ে অনেক দ্রুত নতুন কিছু তৈরি করতে সাহায্য করছে।’

এই ছাঁটাই অ্যামাজনের জন্য বেশ বড় একটি পদক্ষেপ। ২০২২ সালের শেষের দিকে ২৭ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের পর এটিই সবচেয়ে বড় সংখ্যা।

অ্যান্ডি জ্যাসি জানান, গত কয়েক বছরে অ্যামাজন এত দ্রুত বেড়েছে যে প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনেক স্তর তৈরি হয়েছে। এতে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়। এখন, এআই-এর যুগে, আমাদের দ্রুত কাজ করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘অনেক সময়, অজান্তেই, আমরা যারা আসল কাজ করেন, তাদের মালিকানাবোধ কমিয়ে ফেলি। এতে কাজের গতি কমে যায়।’

শুধু অ্যামাজন নয়, গুগল ও মাইক্রোসফটের মতো অন্যান্য বড় টেক কোম্পানিও দ্রুত কাজের গতি বাড়াতে ব্যবস্থাপনা কাঠামো সহজ করছে।