ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জাতির সঙ্গে প্রতারণা হচ্ছে, আমরা প্রতারণাকে ‌‌‘না’ বলছি : রুমিন ফারহানা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ২৭০ কার্যদিবস আলোচনার পরে যে বিষয়গুলোতে দলগুলোর ডিসেন্টিং পয়েন্ট আছে বা যেসব বিষয়ে বিএনপি ভিন্ন মত দিয়েছে, সে বিষয়গুলো স্পষ্ট না করে একটি আদেশ জারি করার কথা বলা হচ্ছে। ভোটে যে প্রশ্নটি থাকবে, সেখানে ডিসেন্টিং ব্যাপারটাকেই একেবারে উড়িয়ে দিয়ে সনদটিকে ঘোষণা করছে। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এই প্রতারণাকে আমরা ‘না’ বলছি।

বিএনপি শুরু থেকেই বলছে— আমাদের যেদিন নির্বাচন হবে, সেদিন আমরা গণভোটটি করব। আমরা লক্ষ্য করলাম, সে ব্যাপারে একেবারে ন্যূনতম কর্নপাত না করেই গণভোটের কথা বলা হচ্ছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট হলে বিএনপি কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি গণভোট হয়, সরকার থেকে যদি সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে সময়ের সঙ্গে যেটা করার দরকার বিএনপি দলীয় আলাপ-আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেবে।

ফেব্রুয়ারিতে যেই নির্বাচন নির্ধারিত হয়েছে, সেটা যদি কোনো কারণে পিছিয়ে যায়, বা দ্রুত নির্বাচনের পথে না যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে শক্তি থাকার কথা, সেটি আর থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, গণভোটে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত, বাংলাদেশের মানুষের মূল চিন্তা উচ্চ কক্ষ, নিম্ন কক্ষ বা গণভোট কবে হবে, এগুলো নিয়ে নয়। তাদের কনসার্ন, তারা ঠিকমতো সস্তায় জিনিস কিনতে পারছে কিনা, খাবারটা সস্তায় খেতে পারছে কিনা, চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা কি রকম, স্বল্প বা বিনামূল্যে তারা ওষুধ পাচ্ছে কিনা, হাসপাতালগুলোতে তারা সেবা পাচ্ছে কি না, তাদের ছেলেরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পাচ্ছে কিনা, দেশের বাইরে গিয়ে কিছু রোজগার করে পরিবারকে সাপোর্ট করতে পারছে কিনা— এগুলো হচ্ছে তাদের মূল চিন্তা। তারা যখন দেখবে এমন একটি বিষয়ে গণভোট হচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে তাদের খুব একটা মাথা ব্যথা নেই।

তাদের প্রতিদিনকার জীবনের সঙ্গে এই বিষয়গুলোর কোনো সংযুক্তি নেই, তখন ‘না’ ভোট জয়যুক্ত হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জাতির সঙ্গে প্রতারণা হচ্ছে, আমরা প্রতারণাকে ‌‌‘না’ বলছি : রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় ১২:২৮:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৫

বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা বলেছেন, ২৭০ কার্যদিবস আলোচনার পরে যে বিষয়গুলোতে দলগুলোর ডিসেন্টিং পয়েন্ট আছে বা যেসব বিষয়ে বিএনপি ভিন্ন মত দিয়েছে, সে বিষয়গুলো স্পষ্ট না করে একটি আদেশ জারি করার কথা বলা হচ্ছে। ভোটে যে প্রশ্নটি থাকবে, সেখানে ডিসেন্টিং ব্যাপারটাকেই একেবারে উড়িয়ে দিয়ে সনদটিকে ঘোষণা করছে। এটা জাতির সঙ্গে প্রতারণা। এই প্রতারণাকে আমরা ‘না’ বলছি।

বিএনপি শুরু থেকেই বলছে— আমাদের যেদিন নির্বাচন হবে, সেদিন আমরা গণভোটটি করব। আমরা লক্ষ্য করলাম, সে ব্যাপারে একেবারে ন্যূনতম কর্নপাত না করেই গণভোটের কথা বলা হচ্ছে। একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট হলে বিএনপি কী করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির এই নেত্রী বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে যদি গণভোট হয়, সরকার থেকে যদি সিদ্ধান্ত হয়, তাহলে সময়ের সঙ্গে যেটা করার দরকার বিএনপি দলীয় আলাপ-আলোচনার পরে সিদ্ধান্ত নেবে।

ফেব্রুয়ারিতে যেই নির্বাচন নির্ধারিত হয়েছে, সেটা যদি কোনো কারণে পিছিয়ে যায়, বা দ্রুত নির্বাচনের পথে না যায়, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের যে শক্তি থাকার কথা, সেটি আর থাকবে না।

তিনি আরো বলেন, গণভোটে সাংবিধানিক প্রশ্ন জড়িত, বাংলাদেশের মানুষের মূল চিন্তা উচ্চ কক্ষ, নিম্ন কক্ষ বা গণভোট কবে হবে, এগুলো নিয়ে নয়। তাদের কনসার্ন, তারা ঠিকমতো সস্তায় জিনিস কিনতে পারছে কিনা, খাবারটা সস্তায় খেতে পারছে কিনা, চিকিৎসা ব্যবস্থার অবস্থা কি রকম, স্বল্প বা বিনামূল্যে তারা ওষুধ পাচ্ছে কিনা, হাসপাতালগুলোতে তারা সেবা পাচ্ছে কি না, তাদের ছেলেরা পড়াশোনা শেষ করে চাকরি পাচ্ছে কিনা, দেশের বাইরে গিয়ে কিছু রোজগার করে পরিবারকে সাপোর্ট করতে পারছে কিনা— এগুলো হচ্ছে তাদের মূল চিন্তা। তারা যখন দেখবে এমন একটি বিষয়ে গণভোট হচ্ছে, সেই বিষয় নিয়ে তাদের খুব একটা মাথা ব্যথা নেই।

তাদের প্রতিদিনকার জীবনের সঙ্গে এই বিষয়গুলোর কোনো সংযুক্তি নেই, তখন ‘না’ ভোট জয়যুক্ত হওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে।