ঢাকা ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

নিউইয়র্কের মুসলিমদের উদ্দেশে মামদানির আবেঘন বার্তা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ২০২৫ সালের মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের মুসলিমদের উদ্দেশ্যে একটি আবেঘন ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছেন।

গত ২৫ অক্টোবর সামাজিক মাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া ভিডিও বার্তায় মামদনি বলেন, নিউইয়র্কে দশ লক্ষের বেশি মুসলিম মানুষের মর্যাদা এখনও শর্তসাপেক্ষ এবং তাদের অনেককে এখনও পরিচয় লুকিয়ে রাখার জন্য চাপের মধ্যে থাকতে হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিমের স্বপ্ন হলো অন্য যেকোনো নিউ ইয়র্কবাসীর মতোই স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করা। কিন্তু বহুদিন ধরে আমাদের বলা হয়, কম আশা করতে, ঘৃণা ও গোঁড়ামি সহ্য করতে। এখন আর তা হবে না।’

মামদানি তার বার্তায় বলেছেন, মুসলমানদের শেখানো হতো যে তারা যেকোনো সীমিত সুযোগ পেলেও যেন চুপ থাকে এবং কৃতজ্ঞ থাকে। এমনকি সন্দেহ ও অপমানের মুখোমুখি হলেও তা সহ্য করতে বলা হয়।

তিনি জানান, যখন তিনি রাজনীতিতে প্রথম প্রবেশ করেছিলেন সেসময় একজন অভিজ্ঞ নেতা তাকে ধর্মীয় বিশ্বাস লুকিয়ে রাখতে পরামর্শ দেন। এই সতর্কতা বহু দশক ধরে চলা বৈষম্যের কারণে তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সর্বশেষ বক্তৃতায় মামদানি এই পরামর্শ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, তিনি আর লুকিয়ে থাকার রাজনীতি গ্রহণ করবেন না।

এর আগে ২৪শে অক্টোবর ব্রঙ্কস মসজিদের বাইরে মুসলিম নিউ ইয়র্কবাসীদের এক সমাবেশে তিনি বর্ণনা করেন যে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর তার আন্টি কীভাবে পাতাল রেলে চড়া এড়িয়ে চলেন কারণ তিনি হিজাব পরে অনিরাপদ বোধ করতেন।

উল্লেখ্য, ইসলামোফোবিয়া সম্পর্কে তার মন্তব্যের কারণে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ভাষ্যকারদের সমালোচনার মুখে পড়েন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

নিউইয়র্কের মুসলিমদের উদ্দেশে মামদানির আবেঘন বার্তা

আপডেট সময় ১২:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ২০২৫ সালের মেয়র পদপ্রার্থী জোহরান মামদানি নিউইয়র্কের মুসলিমদের উদ্দেশ্যে একটি আবেঘন ভিডিও বার্তা শেয়ার করেছেন।

গত ২৫ অক্টোবর সামাজিক মাধ্যম এক্সে (আগে টুইটার) দেওয়া ভিডিও বার্তায় মামদনি বলেন, নিউইয়র্কে দশ লক্ষের বেশি মুসলিম মানুষের মর্যাদা এখনও শর্তসাপেক্ষ এবং তাদের অনেককে এখনও পরিচয় লুকিয়ে রাখার জন্য চাপের মধ্যে থাকতে হয়।

তিনি বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলিমের স্বপ্ন হলো অন্য যেকোনো নিউ ইয়র্কবাসীর মতোই স্বাভাবিকভাবে জীবন যাপন করা। কিন্তু বহুদিন ধরে আমাদের বলা হয়, কম আশা করতে, ঘৃণা ও গোঁড়ামি সহ্য করতে। এখন আর তা হবে না।’

মামদানি তার বার্তায় বলেছেন, মুসলমানদের শেখানো হতো যে তারা যেকোনো সীমিত সুযোগ পেলেও যেন চুপ থাকে এবং কৃতজ্ঞ থাকে। এমনকি সন্দেহ ও অপমানের মুখোমুখি হলেও তা সহ্য করতে বলা হয়।

তিনি জানান, যখন তিনি রাজনীতিতে প্রথম প্রবেশ করেছিলেন সেসময় একজন অভিজ্ঞ নেতা তাকে ধর্মীয় বিশ্বাস লুকিয়ে রাখতে পরামর্শ দেন। এই সতর্কতা বহু দশক ধরে চলা বৈষম্যের কারণে তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সর্বশেষ বক্তৃতায় মামদানি এই পরামর্শ সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং বলেছেন, তিনি আর লুকিয়ে থাকার রাজনীতি গ্রহণ করবেন না।

এর আগে ২৪শে অক্টোবর ব্রঙ্কস মসজিদের বাইরে মুসলিম নিউ ইয়র্কবাসীদের এক সমাবেশে তিনি বর্ণনা করেন যে, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর তার আন্টি কীভাবে পাতাল রেলে চড়া এড়িয়ে চলেন কারণ তিনি হিজাব পরে অনিরাপদ বোধ করতেন।

উল্লেখ্য, ইসলামোফোবিয়া সম্পর্কে তার মন্তব্যের কারণে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং ভাষ্যকারদের সমালোচনার মুখে পড়েন।