ঢাকা ০৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

জামায়াতের গণসংযোগে বিএনপি নেতাকর্মীর হামলা, আহত ২০

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৫ বার পড়া হয়েছে

শেরপুরের সদর উপজেলায় জামায়াত ইসলামীর গণসংযোগ চলাকালে বিএনপির নেতাকর্মীদের অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শেরপুর সদর হাসপাতালে দুজন ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। তারা হলেন জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং সদর উপজেলার কর্মপরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম স্বপন ও শেরপুর পৌরসভার ওয়ার্ড সভাপতি রাকিব।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের ডাকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শেরপুর ১ (সদর) আসনের বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বিষয়টি রাতে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলমকে অবহিত করার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, জুমার নামাজ শেষে গণসংযোগ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত ১৫-২০ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় গুরুতর অবস্থায় আহত দুজন শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমাকে সেইফ করতে গিয়ে আমাদের শহর সেক্রেটারি ডা.হাসানুজ্জামান প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। না হলে আমার ওপরই হামলা হতো। আমি আল্লাহর রহমতে প্রাণে বেঁচে গেছি।

আমরা বিএনপির সাথে অনেক রাজনীতি করেছি কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আজ বিএনপি যেনো ফ্যাসিবাদীদের মতো হয়ে ওঠেছে।

এদিকে জামায়াত ইসলামীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুর জেলা বিএনপির ছাত্রদল শহরে প্রতিবাদ মিছিল করে। পরে রাত ১০টায় শেরপুর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। এ সময় শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম হামলার ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, তারা (জামায়াত) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তিন- চারটি মসজিদে অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সমবেত হয়। পরে এলাকায় মিছিল করে। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে তাদের প্রতিরোধ করে বাধা দেয়। বাধার সম্মুখীন হয়ে তারা (জাামায়াত) এলাকা থেকে চলে এসে। পরে অবৈধভাবে শেরপুর সদর থানা ঘেরাও করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তিনি আরো বলেন, আমাদের কোনো নেতাকর্মী যদি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে আমরা দলীয়ভাবে ওই নেতাকর্মীদের ব্যাপারে সাংগাঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দ ঘটনাটি মৌখিকভাবে জানালেও এখনও লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করেছি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

জামায়াতের গণসংযোগে বিএনপি নেতাকর্মীর হামলা, আহত ২০

আপডেট সময় ০২:৩৯:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

শেরপুরের সদর উপজেলায় জামায়াত ইসলামীর গণসংযোগ চলাকালে বিএনপির নেতাকর্মীদের অতর্কিত হামলায় অন্তত ১৫-২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে শেরপুর সদর হাসপাতালে দুজন ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। তারা হলেন জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এবং সদর উপজেলার কর্মপরিষদ সদস্য শফিকুল ইসলাম স্বপন ও শেরপুর পৌরসভার ওয়ার্ড সভাপতি রাকিব।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষিমারী ইউনিয়নের ডাকপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শেরপুর ১ (সদর) আসনের বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বিষয়টি রাতে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলমকে অবহিত করার পর উপস্থিত সাংবাদিকদের জানান, জুমার নামাজ শেষে গণসংযোগ করতে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের অন্তত ১৫-২০ জন নেতাকর্মী আহত হন। এ সময় গুরুতর অবস্থায় আহত দুজন শেরপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। আমাকে সেইফ করতে গিয়ে আমাদের শহর সেক্রেটারি ডা.হাসানুজ্জামান প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। না হলে আমার ওপরই হামলা হতো। আমি আল্লাহর রহমতে প্রাণে বেঁচে গেছি।

আমরা বিএনপির সাথে অনেক রাজনীতি করেছি কখনো এমন ঘটনা ঘটেনি। কিন্তু আজ বিএনপি যেনো ফ্যাসিবাদীদের মতো হয়ে ওঠেছে।

এদিকে জামায়াত ইসলামীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে শেরপুর জেলা বিএনপির ছাত্রদল শহরে প্রতিবাদ মিছিল করে। পরে রাত ১০টায় শেরপুর প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। এ সময় শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম হামলার ঘটনাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, তারা (জামায়াত) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তিন- চারটি মসজিদে অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সমবেত হয়। পরে এলাকায় মিছিল করে। এতে এলাকাবাসী আতঙ্কিত হয়ে তাদের প্রতিরোধ করে বাধা দেয়। বাধার সম্মুখীন হয়ে তারা (জাামায়াত) এলাকা থেকে চলে এসে। পরে অবৈধভাবে শেরপুর সদর থানা ঘেরাও করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। তিনি আরো বলেন, আমাদের কোনো নেতাকর্মী যদি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে তাহলে আমরা দলীয়ভাবে ওই নেতাকর্মীদের ব্যাপারে সাংগাঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুবায়দুল আলম বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দ ঘটনাটি মৌখিকভাবে জানালেও এখনও লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবগত করেছি।