ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আলোচিত পাথর লুটের রোকন মিয়া গ্রেফতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সাদাপাথর লুটপাটে জড়িত শীর্ষ লুটেরা রোকন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে থানায় অন্য একজনের সুপারিশ করতে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে যাচাই-বাছাইয়ে জানা যায়, তিনি সাদাপাথর লুটপাটকারীদের অন্যতম হোতা।

রোকন সুনামগঞ্জের মোল্লাপাড়া গ্রামের ছমির উদ্দিনের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ রুস্তুমপুর এলাকায় বসবাস করে সে পাথর ও বালু লুটপাটের সঙ্গে যুক্ত ছিল। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ৩ মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই গভীর রাতে ধলাই নদীর লিজ বহির্ভূত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হন চার পুলিশ সদস্য। ওই রাতে ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রাম এলাকায় ধলাই নদীর তীরে টহলে ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার এএসআই গোলাম নবী, কনস্টেবল জাফরুল, ইমরান ও মাসুম।

রাত দেড়টার দিকে দুটি স্টিল নৌকা ধলাই সেতু অতিক্রম করে সাদাপাথরের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। পরে ভোলাগঞ্জ এলাকায় গিয়ে নৌকা দু’টিকে আটকালে রোকন মিয়া ও তার দলবল পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এসময় রোকনের লাথিতে এএসআই গোলাম নবী গুরুতর আহত হন। কনস্টেবল জাফরুলও মারধরের শিকার হন। পরে আহতরা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার পরও সে সময় থানায় কোনো মামলা করা হয়নি। তবে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বৃহস্পতিবার রাতে রোকনকে আটক করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, ‘রোকন মিয়ার লাথিতে আহত এক পুলিশ সদস্য তিন মাস ধরে চিকিৎসাধীন। তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে আলোচিত পাথর লুটের রোকন মিয়া গ্রেফতার

আপডেট সময় ১২:৩৬:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় সাদাপাথর লুটপাটে জড়িত শীর্ষ লুটেরা রোকন মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) রাতে থানায় অন্য একজনের সুপারিশ করতে গেলে পুলিশ তাকে আটক করে। পরে যাচাই-বাছাইয়ে জানা যায়, তিনি সাদাপাথর লুটপাটকারীদের অন্যতম হোতা।

রোকন সুনামগঞ্জের মোল্লাপাড়া গ্রামের ছমির উদ্দিনের ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জ রুস্তুমপুর এলাকায় বসবাস করে সে পাথর ও বালু লুটপাটের সঙ্গে যুক্ত ছিল। মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তাকে ৩ মাসের সাজা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে ৪টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই গভীর রাতে ধলাই নদীর লিজ বহির্ভূত এলাকা থেকে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে হামলার শিকার হন চার পুলিশ সদস্য। ওই রাতে ভোলাগঞ্জ গুচ্ছগ্রাম এলাকায় ধলাই নদীর তীরে টহলে ছিলেন কোম্পানীগঞ্জ থানার এএসআই গোলাম নবী, কনস্টেবল জাফরুল, ইমরান ও মাসুম।

রাত দেড়টার দিকে দুটি স্টিল নৌকা ধলাই সেতু অতিক্রম করে সাদাপাথরের দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। পরে ভোলাগঞ্জ এলাকায় গিয়ে নৌকা দু’টিকে আটকালে রোকন মিয়া ও তার দলবল পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। এসময় রোকনের লাথিতে এএসআই গোলাম নবী গুরুতর আহত হন। কনস্টেবল জাফরুলও মারধরের শিকার হন। পরে আহতরা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।

ঘটনার পরও সে সময় থানায় কোনো মামলা করা হয়নি। তবে দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর বৃহস্পতিবার রাতে রোকনকে আটক করা হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, ‘রোকন মিয়ার লাথিতে আহত এক পুলিশ সদস্য তিন মাস ধরে চিকিৎসাধীন। তাকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’