ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ফের দরপতনের বৃত্তে পুঁজিবাজার, মুলধন কমেছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯৩ বার পড়া হয়েছে

টানা পতনের পর জুনের শুরুতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দেশের পুঁজিবাজার। এতে আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। নতুন করে বিনিয়োগও শুরু করেছিলেন অনেকে। কিন্তু সেটি আর স্থায়ী হয়নি। গেলো মাসের শুরুতে আবারও শুরু হয় দরপতন। দেড় মাসের টানা পতনে সূচক কমেছে ৬শ’ পয়েন্টের মতো। সাধারণ মূল্যসূচক আবারও নেমে এসেছে ৫ হাজার পয়েন্টের ঘরে।

প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার দৈনিক লেনদেন নেমেছে ৪শ’ কোটির ঘরে। বাজার মূলধন কমেছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি। টানা পতনে হতাশ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিক প্রতিটি সূচক আগের চেয়ে কিছুটা ভালো। কিন্তু তার কোনও প্রতিফলন নেই পুঁজিবাজারে। উল্টো টানা দরপতনে তলানিতে নামছে শেয়ারের দাম। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং স্টক এক্সচেঞ্জের অযাচিত হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে লেনদেনে।

ফার্স্ট ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাউসার আল মামুন বলেছেন, বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বেঁচাকেনা করছে। তাদেরকে আবার চিঠি দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এগুলো মার্কেটে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বাজারকে বাজারের গতিতে চলতে দেয়া উচিত এবং কোনও অবস্থাতেই বাজারে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ অথবা কোনও ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, এ রকম কোনও কাজ করা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত।

ডিবিএ এর সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাজেদুল ইসলাম বলেন, যত হস্তক্ষেপ করা হবে, বাজার তত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গত কিছুদিন হস্তক্ষেপ না থাকায় বাজার ভালোর দিকে যাচ্ছিল বা সুন্দর বাজার দেখতে পাচ্ছিলাম। আবার যখন এটি শুরু হয়েছে বাজার আতঙ্কিত হয়েছে। আসলে হস্তক্ষেপ থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বলছে, পুঁজিবাজারে তাদের কোনও হস্তক্ষেপ নেই। তবে কারসাজির মাধ্যমে কেউ শেয়ারের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে কি না সেটি তদারকি করা হচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, বাজারে হস্তক্ষেপ যেটা করার সেটা কখনোই করা হচ্ছে না। আমরা আগেই বলেছি, শুধুমাত্র নজরদারি করা হচ্ছে। কারণ, বাজারে লেভেল প্লেয়িং করতে হলে যেই নজরদারি করা দরকার, যে অনুসন্ধান দরকার সেটাই। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নাই বা অন্য চিন্তা করারও দরকার নাই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ফের দরপতনের বৃত্তে পুঁজিবাজার, মুলধন কমেছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি

আপডেট সময় ০৮:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

টানা পতনের পর জুনের শুরুতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল দেশের পুঁজিবাজার। এতে আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন সাধারণ বিনিয়োগকারীরা। নতুন করে বিনিয়োগও শুরু করেছিলেন অনেকে। কিন্তু সেটি আর স্থায়ী হয়নি। গেলো মাসের শুরুতে আবারও শুরু হয় দরপতন। দেড় মাসের টানা পতনে সূচক কমেছে ৬শ’ পয়েন্টের মতো। সাধারণ মূল্যসূচক আবারও নেমে এসেছে ৫ হাজার পয়েন্টের ঘরে।

প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার দৈনিক লেনদেন নেমেছে ৪শ’ কোটির ঘরে। বাজার মূলধন কমেছে ৪০ হাজার কোটি টাকার বেশি। টানা পতনে হতাশ সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিক প্রতিটি সূচক আগের চেয়ে কিছুটা ভালো। কিন্তু তার কোনও প্রতিফলন নেই পুঁজিবাজারে। উল্টো টানা দরপতনে তলানিতে নামছে শেয়ারের দাম। নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং স্টক এক্সচেঞ্জের অযাচিত হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে লেনদেনে।

ফার্স্ট ক্যাপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাউসার আল মামুন বলেছেন, বড় বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বেঁচাকেনা করছে। তাদেরকে আবার চিঠি দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এগুলো মার্কেটে একটা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। বাজারকে বাজারের গতিতে চলতে দেয়া উচিত এবং কোনও অবস্থাতেই বাজারে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ অথবা কোনও ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়, এ রকম কোনও কাজ করা থেকে আমাদের বিরত থাকা উচিত।

ডিবিএ এর সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি সাজেদুল ইসলাম বলেন, যত হস্তক্ষেপ করা হবে, বাজার তত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গত কিছুদিন হস্তক্ষেপ না থাকায় বাজার ভালোর দিকে যাচ্ছিল বা সুন্দর বাজার দেখতে পাচ্ছিলাম। আবার যখন এটি শুরু হয়েছে বাজার আতঙ্কিত হয়েছে। আসলে হস্তক্ষেপ থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) বলছে, পুঁজিবাজারে তাদের কোনও হস্তক্ষেপ নেই। তবে কারসাজির মাধ্যমে কেউ শেয়ারের দাম নিয়ন্ত্রণ করছে কি না সেটি তদারকি করা হচ্ছে। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

বিএসইসির মুখপাত্র আবুল কালাম বলেন, বাজারে হস্তক্ষেপ যেটা করার সেটা কখনোই করা হচ্ছে না। আমরা আগেই বলেছি, শুধুমাত্র নজরদারি করা হচ্ছে। কারণ, বাজারে লেভেল প্লেয়িং করতে হলে যেই নজরদারি করা দরকার, যে অনুসন্ধান দরকার সেটাই। এতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নাই বা অন্য চিন্তা করারও দরকার নাই।