ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

৫০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ সরানোই এখন গাজার চ্যালেঞ্জ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৮৯ বার পড়া হয়েছে

যুদ্ধ বন্ধের পর বহুমুখী চ্যালেঞ্জের অন্যতম গাজার ধ্বংসস্তুূপ অপসারণ। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টন ধ্বংসাবশেষ সরাতে হবে উপত্যকা থেকে। ধাপে ধাপে চলবে এই অভিযান। প্রথমেই রাস্তাঘাট পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; যেন দ্রুত পৌঁছানো যায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এরপর মেরামত করা হবে হাসপাতাল ও সামাজিক সেবা কেন্দ্রগুলো। চলছে ট্রানজিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র গঠনের উদ্যোগও।

ধ্বংস্তুপের নগরী— গাজার বর্তমান দৃশ্যপটের অবস্থা এখন অনেকটা এমনই। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) চলে গেলেও ২ বছরের আগ্রাসন-তাণ্ডবের প্রমাণ রয়ে গেছে নগরীর চারিদিকে। বড় বড় ভবনগুলো লুটিয়ে পড়েছে মাটিতে। ইট, পাথর আর সিমেন্ট এর পাহাড় হয়ে আছে উপত্যকা জুড়ে।

মূলত, আইডিএফ দখল ছেড়ে দেয়ার পরই শুরু হয়েছে গাজার পুনর্গঠন প্রচেষ্টা। ইউএনডিপির প্রতিবেদন বলছে, শহর পরিচ্ছন্ন করতে সরাতে হবে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টন ধ্বংসাবশেষ। যার ওজন প্রায় ১৩টি পিরামিড়ের সমান। আর বিপুল এই ধ্বংসস্তুপই এখন কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাথা ব্যাথার।

ইউএনডিপি সহায়তা কর্মসূচির বিশেষ প্রতিনিধি জ্যাকো সিলিয়ার্স বলেন, আমাদেরকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ আগাতে হবে। আপনারা যেমন আমার পিছনে দেখতে পারছেন , ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এগুলো অপসরণ করতে হবে। তবে এখানে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমন, নিরাপত্তার জন্য অবিস্ফোরিত বোমা আগে পরিষ্কার করতে হবে। ধ্বংসাবশেষ অপসারণের পরই কেবল পুনর্গঠন এবং মানবিক চাহিদা পূরণের কাজ শুরু করা সম্ভব।

তিনি বলেন, আমাদের প্রথম টার্গেট হলো রাস্তা পরিষ্কার করা যেন, ত্রাণবাহী ট্রাক গুলো গাজা সিটিতে নির্বিঘ্নে ঢুকতে পারে। বাসস্থান নির্মাণ করা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। এর জন্য সময় লাগবে। গাজায় মানুষ তাবুতে ঘুমাচ্ছে। সামনেই শীতকাল আসতে , তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তাই আমরা ট্রানজিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র গঠনের কথা ভাবছি।

তবে খাবার ও মৌলিক সুবিধা সংকটেও ভুগছে গাজাবাসী। তাই মানবাধিকার সুবিধাগুলো দ্রুত পৌঁছাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চলবে ধ্বংসস্তুপ অপসরণের কাজ। এর পরই হবে হাসপাতাল ও সামাজিক পরিসেবাগুলো পুনঃনির্মাণ।

জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টারের তথ্য বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজা সিটির ৮৩ শতাংশ ভবন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

৫০ মিলিয়ন টন ধ্বংসস্তূপ সরানোই এখন গাজার চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় ০৩:০৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

যুদ্ধ বন্ধের পর বহুমুখী চ্যালেঞ্জের অন্যতম গাজার ধ্বংসস্তুূপ অপসারণ। প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টন ধ্বংসাবশেষ সরাতে হবে উপত্যকা থেকে। ধাপে ধাপে চলবে এই অভিযান। প্রথমেই রাস্তাঘাট পরিস্কারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে; যেন দ্রুত পৌঁছানো যায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী। এরপর মেরামত করা হবে হাসপাতাল ও সামাজিক সেবা কেন্দ্রগুলো। চলছে ট্রানজিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র গঠনের উদ্যোগও।

ধ্বংস্তুপের নগরী— গাজার বর্তমান দৃশ্যপটের অবস্থা এখন অনেকটা এমনই। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) চলে গেলেও ২ বছরের আগ্রাসন-তাণ্ডবের প্রমাণ রয়ে গেছে নগরীর চারিদিকে। বড় বড় ভবনগুলো লুটিয়ে পড়েছে মাটিতে। ইট, পাথর আর সিমেন্ট এর পাহাড় হয়ে আছে উপত্যকা জুড়ে।

মূলত, আইডিএফ দখল ছেড়ে দেয়ার পরই শুরু হয়েছে গাজার পুনর্গঠন প্রচেষ্টা। ইউএনডিপির প্রতিবেদন বলছে, শহর পরিচ্ছন্ন করতে সরাতে হবে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টন ধ্বংসাবশেষ। যার ওজন প্রায় ১৩টি পিরামিড়ের সমান। আর বিপুল এই ধ্বংসস্তুপই এখন কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মাথা ব্যাথার।

ইউএনডিপি সহায়তা কর্মসূচির বিশেষ প্রতিনিধি জ্যাকো সিলিয়ার্স বলেন, আমাদেরকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ আগাতে হবে। আপনারা যেমন আমার পিছনে দেখতে পারছেন , ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এগুলো অপসরণ করতে হবে। তবে এখানে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমন, নিরাপত্তার জন্য অবিস্ফোরিত বোমা আগে পরিষ্কার করতে হবে। ধ্বংসাবশেষ অপসারণের পরই কেবল পুনর্গঠন এবং মানবিক চাহিদা পূরণের কাজ শুরু করা সম্ভব।

তিনি বলেন, আমাদের প্রথম টার্গেট হলো রাস্তা পরিষ্কার করা যেন, ত্রাণবাহী ট্রাক গুলো গাজা সিটিতে নির্বিঘ্নে ঢুকতে পারে। বাসস্থান নির্মাণ করা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ। এর জন্য সময় লাগবে। গাজায় মানুষ তাবুতে ঘুমাচ্ছে। সামনেই শীতকাল আসতে , তখন পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তাই আমরা ট্রানজিশনাল আশ্রয় কেন্দ্র গঠনের কথা ভাবছি।

তবে খাবার ও মৌলিক সুবিধা সংকটেও ভুগছে গাজাবাসী। তাই মানবাধিকার সুবিধাগুলো দ্রুত পৌঁছাতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চলবে ধ্বংসস্তুপ অপসরণের কাজ। এর পরই হবে হাসপাতাল ও সামাজিক পরিসেবাগুলো পুনঃনির্মাণ।

জাতিসংঘের স্যাটেলাইট সেন্টারের তথ্য বলছে, ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গাজা সিটির ৮৩ শতাংশ ভবন।