ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

গাজা পুনর্গঠনে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান এরদোয়ানের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৯ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা উপত্যকাকে এখন জরুরি ভিত্তিতে সুস্থ হয়ে পুনর্গঠনের পথে ফিরতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান হামাস–ইসরায়েল চুক্তি যেন দীর্ঘস্থায়ী শান্তির ভিত্তি গড়ে তোলে, সে জন্য তুরস্ক সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

শুক্রবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত পঞ্চম তুরস্ক–আফ্রিকা ব্যবসা ও অর্থনৈতিক ফোরাম-এ বক্তব্য দেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের অতীত আচরণ বিবেচনায় আমরা এখনো সতর্ক। গাজা এখন আরেকটি যুদ্ধ নয়, বরং আরোগ্য ও পুনর্গঠন চায়।’

এরদোয়ান জানান, ‘তুরস্ক হামাস–ইসরায়েল চুক্তিকে স্থায়ী শান্তিতে রূপ দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে।’

চলমান সুদান সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ‘সুদানে যে সংঘাত চলছে, তা আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত সেখানে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সুদানের মানবিক বিপর্যয়কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না। রক্তপাত বন্ধ করা আমাদের সবার মানবিক দায়িত্ব।’

এরদোয়ান পশ্চিমা বিশ্বের সমালোচনা করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে পশ্চিমা বিশ্ব আফ্রিকার গৃহযুদ্ধ ও সংঘাতগুলোকে মহাদেশটির নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছে।’

তুরস্ক বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তায় শীর্ষ দাতাদের মধ্যে অন্যতম—বলেন এরদোয়ান। তিনি জানান, তুরস্কের নীতি হলো, ‘মানবিক বিপর্যয় যেখানেই ঘটুক, তুরস্ক সেখানে পাশে থাকবে।’

তুর্কি প্রেসিডেন্ট জানান, ২০০৫ সালকে তুরস্ক ‘আফ্রিকার বছর’ ঘোষণা করেছিল, যা দুই অঞ্চলের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় খুলে দেয়।

‘গত ২০ বছরে আমরা হাতে হাত রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হৃদয়ে হৃদয় রেখে আমাদের সম্পর্ককে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছি, যা একসময় কল্পনাতীত ছিল। এখন তুরস্ক–আফ্রিকা সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে,’ বলেন এরদোয়ান।

তিনি জানান, তুরস্ক বর্তমানে আফ্রিকার ৪৪টি দেশে দূতাবাস স্থাপন করেছে এবং আগামী লক্ষ্য ৫০টি। অন্যদিকে, আঙ্কারায় ৩৮টি আফ্রিকান দূতাবাস রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

গাজা পুনর্গঠনে জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান এরদোয়ানের

আপডেট সময় ১০:১৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, গাজা উপত্যকাকে এখন জরুরি ভিত্তিতে সুস্থ হয়ে পুনর্গঠনের পথে ফিরতে হবে। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান হামাস–ইসরায়েল চুক্তি যেন দীর্ঘস্থায়ী শান্তির ভিত্তি গড়ে তোলে, সে জন্য তুরস্ক সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।

শুক্রবার ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত পঞ্চম তুরস্ক–আফ্রিকা ব্যবসা ও অর্থনৈতিক ফোরাম-এ বক্তব্য দেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ‘ইসরায়েলের অতীত আচরণ বিবেচনায় আমরা এখনো সতর্ক। গাজা এখন আরেকটি যুদ্ধ নয়, বরং আরোগ্য ও পুনর্গঠন চায়।’

এরদোয়ান জানান, ‘তুরস্ক হামাস–ইসরায়েল চুক্তিকে স্থায়ী শান্তিতে রূপ দিতে নিরলসভাবে কাজ করছে।’

চলমান সুদান সংকট নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এরদোয়ান। তিনি বলেন, ‘সুদানে যে সংঘাত চলছে, তা আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত করছে। আমরা আশা করি, খুব দ্রুত সেখানে একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দুঃখজনকভাবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সুদানের মানবিক বিপর্যয়কে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না। রক্তপাত বন্ধ করা আমাদের সবার মানবিক দায়িত্ব।’

এরদোয়ান পশ্চিমা বিশ্বের সমালোচনা করে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে পশ্চিমা বিশ্ব আফ্রিকার গৃহযুদ্ধ ও সংঘাতগুলোকে মহাদেশটির নিয়তি হিসেবে মেনে নিয়েছে।’

তুরস্ক বিশ্বজুড়ে মানবিক সহায়তায় শীর্ষ দাতাদের মধ্যে অন্যতম—বলেন এরদোয়ান। তিনি জানান, তুরস্কের নীতি হলো, ‘মানবিক বিপর্যয় যেখানেই ঘটুক, তুরস্ক সেখানে পাশে থাকবে।’

তুর্কি প্রেসিডেন্ট জানান, ২০০৫ সালকে তুরস্ক ‘আফ্রিকার বছর’ ঘোষণা করেছিল, যা দুই অঞ্চলের সম্পর্কে নতুন অধ্যায় খুলে দেয়।

‘গত ২০ বছরে আমরা হাতে হাত রেখে, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, হৃদয়ে হৃদয় রেখে আমাদের সম্পর্ককে এমন উচ্চতায় নিয়ে গেছি, যা একসময় কল্পনাতীত ছিল। এখন তুরস্ক–আফ্রিকা সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারত্বে রূপ নিয়েছে,’ বলেন এরদোয়ান।

তিনি জানান, তুরস্ক বর্তমানে আফ্রিকার ৪৪টি দেশে দূতাবাস স্থাপন করেছে এবং আগামী লক্ষ্য ৫০টি। অন্যদিকে, আঙ্কারায় ৩৮টি আফ্রিকান দূতাবাস রয়েছে।