ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ১৬ জুলাই দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ওই দিন সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পর আন্দোলনের প্রভাব দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এটি ব্যাপক গুরুত্ব পায়, যা মূলত গণঅভ্যুত্থানকে ত্বরান্বিত করেছিল। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। একই দিনে কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে অন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালনের মাধ্যমে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ভোর ৬টায় শাহবাগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে এবং আন্দোলনে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা স্মরণে ‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ বা ‘প্রতিরোধের সূচনা’ নামে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৮ জুলাই ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’ উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিবাদী সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। একই সাথে ২৪ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের গড়ে তোলা ঐতিহাসিক প্রতিরোধের স্মরণে একটি বিশেষ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্মরণসভা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো আগস্ট মাস জুড়ে গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করা হবে। শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি তুলে ধরাই সরকারের এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে

আপডেট সময় ০৫:৪১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জুলাই মাসকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও ১৬ জুলাই দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ওই দিন সংঘটিত দুটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের পর আন্দোলনের প্রভাব দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও এটি ব্যাপক গুরুত্ব পায়, যা মূলত গণঅভ্যুত্থানকে ত্বরান্বিত করেছিল। এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যেখানে উপস্থিত থাকবেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান। একই দিনে কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে অন্য একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালনের মাধ্যমে মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। রাজধানী ঢাকার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ভোর ৬টায় শাহবাগে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে এবং আন্দোলনে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৫ জুলাই ক্যাম্পাসগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা স্মরণে ‘ক্যাম্পাসের ক্ষতচিহ্ন’ বা ‘প্রতিরোধের সূচনা’ নামে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৮ জুলাই ‘প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি রেজিস্ট্যান্স ডে’ উপলক্ষে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রতিবাদী সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। একই সাথে ২৪ জুলাই যাত্রাবাড়ীতে ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষের গড়ে তোলা ঐতিহাসিক প্রতিরোধের স্মরণে একটি বিশেষ সমাবেশের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানান, রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন স্থানে স্মরণসভা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরো আগস্ট মাস জুড়ে গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করা হবে। শহীদদের আত্মত্যাগের স্বীকৃতি এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে ইতিহাসের এই গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়টি তুলে ধরাই সরকারের এই কর্মসূচির প্রধান লক্ষ্য।