ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ঋণ-আমানতে সুদহারের ব্যবধান ফের ৪ শতাংশে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

ঋণ ও আমানতের মধ্যে সুদহারের গড় ব্যবধান বা স্প্রেড ফের সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের সুদহার যৌক্তিক করতে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তা ঋণ ছাড়া অন্যক্ষেত্রে এখন থেকে এ সীমা মানতে হবে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ মে মাসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো গড়ে ৬ দশমিক ২২ শতাংশ আমানত নিয়েছে। আর ঋণ বিতরণ করেছে গড়ে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এতে করে স্প্রেড ঠেকেছে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। কোনো কোনো ব্যাংকের স্প্রেড ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর স্প্রেড এর আগেও এক সময় ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচি শুরুর পর ২০২৩ সালের নভেম্বর এক নির্দেশনার মাধ্যমে স্প্রেডে ৪ শতাংশের সীমা প্রত্যাহার করা হয়।

সোমবারের সার্কুলারে বলা হয়েছে, উৎপাদনশীল খাতসহ বিভিন্ন খাতে ঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের লক্ষ্যে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তাঋণ ছাড়া অন্যান্য খাতে ঋণ এবং আমানতের গড়ভারিত সুদ হারের ব্যবধান বা স্প্রেড ৪ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে।

নির্দেশনার শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুদহার নির্ধারণে রেফারেন্স রেট ও মার্জিনভিত্তিক ঋণের সুদহার (স্মার্ট) পদ্ধতি চালুর পর স্প্রেড সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের মে মাসে সম্পূর্ণ বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এরপরও নতুন করে আর স্প্রেড সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, অনেক ব্যাংকে আমানতের সুদহারের তুলনায় ঋণের সুদ অনেক বেশি নির্ধারণের ফলে স্প্রেড অনেক বেড়েছে। ব্যবসা ও শিল্প প্রবৃদ্ধিকে যা বাধাগ্রস্ত করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ঋণ-আমানতে সুদহারের ব্যবধান ফের ৪ শতাংশে

আপডেট সময় ১১:০৬:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

ঋণ ও আমানতের মধ্যে সুদহারের গড় ব্যবধান বা স্প্রেড ফের সর্বোচ্চ ৪ শতাংশ নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক। ঋণের সুদহার যৌক্তিক করতে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তা ঋণ ছাড়া অন্যক্ষেত্রে এখন থেকে এ সীমা মানতে হবে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা সব ব্যাংকে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ মে মাসের তথ্য অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো গড়ে ৬ দশমিক ২২ শতাংশ আমানত নিয়েছে। আর ঋণ বিতরণ করেছে গড়ে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ। এতে করে স্প্রেড ঠেকেছে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। কোনো কোনো ব্যাংকের স্প্রেড ৯ শতাংশের ওপরে রয়েছে।

ব্যাংকগুলোর স্প্রেড এর আগেও এক সময় ৪ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচি শুরুর পর ২০২৩ সালের নভেম্বর এক নির্দেশনার মাধ্যমে স্প্রেডে ৪ শতাংশের সীমা প্রত্যাহার করা হয়।

সোমবারের সার্কুলারে বলা হয়েছে, উৎপাদনশীল খাতসহ বিভিন্ন খাতে ঋণের সুদহার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণের লক্ষ্যে ক্রেডিট কার্ড ও ভোক্তাঋণ ছাড়া অন্যান্য খাতে ঋণ এবং আমানতের গড়ভারিত সুদ হারের ব্যবধান বা স্প্রেড ৪ শতাংশের মধ্যে সীমিত রাখতে হবে।

নির্দেশনার শুরুতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুদহার নির্ধারণে রেফারেন্স রেট ও মার্জিনভিত্তিক ঋণের সুদহার (স্মার্ট) পদ্ধতি চালুর পর স্প্রেড সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রত্যাহার করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের মে মাসে সম্পূর্ণ বাজারভিত্তিক সুদহার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এরপরও নতুন করে আর স্প্রেড সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, অনেক ব্যাংকে আমানতের সুদহারের তুলনায় ঋণের সুদ অনেক বেশি নির্ধারণের ফলে স্প্রেড অনেক বেড়েছে। ব্যবসা ও শিল্প প্রবৃদ্ধিকে যা বাধাগ্রস্ত করছে।