ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন মাইলফলক, ১৩ মুসলিম দেশের অংশগ্রহণ Logo দেশের প্রধান রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর Logo চানাচুর মার্কা বাজেট, যা শুনতে ভালো লাগলেও খেলে পেট খারাপ হয়:আমির হামজা Logo যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী Logo বাজেটের পর নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার সুযোগ নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী Logo ইরান চুক্তিতে বিশ্ববাজারে উচ্ছ্বাস: ট্রাম্প Logo ইরান চুক্তির নথি দেখতে চেয়েছিল ইসরায়েল, প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র Logo সীমান্তে হত্যা মানবাধিকার লঙ্ঘন, বিএসএফকে জোরালো প্রতিবাদ জানানো হয়েছে Logo বিভ্রান্তি ছড়াতেই ফ্যামিলি কার্ডের টাকা নিয়ে প্রশ্ন: প্রধানমন্ত্রী Logo হ্যাটট্রিকের পর মেসির স্ত্রী বললেন, ‘তুমি অবিশ্বাস্য’

হরমুজে টোল নয়, ‘সার্ভিস ফি’ নেবে ইরান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান কোনো ধরনের টোল আরোপ করবে না বলে জানিয়েছে। তবে দেশটি বলছে, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ‘ফি’ পরিশোধ করতে হবে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিকে টোল না বলে ফি বলা হলেও তা আইনগতভাবে বৈধতা পাবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে রবিবার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ঘোষণার পর। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে এবং এটি স্থায়ীভাবে ‘টোলমুক্ত’ থাকবে।

তবে এর একদিন পরই ইরান জানায়, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে এখনো কিছু চার্জ দিতে হতে পারে। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা কোনো ট্রানজিট টোল আরোপের পরিকল্পনা করছি না; তবে যেসব সেবা প্রদান করা হবে, তার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, এই সেবার মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষা, নৌচলাচল সহায়তা এবং সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনার মতো বিষয় থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন সেবা অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ‘টোল’ ও ‘সার্ভিস ফি’-এর এই পার্থক্য আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল জলপথের ক্ষেত্রে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপ ইতিহাসে নতুন মাইলফলক, ১৩ মুসলিম দেশের অংশগ্রহণ

হরমুজে টোল নয়, ‘সার্ভিস ফি’ নেবে ইরান

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান কোনো ধরনের টোল আরোপ করবে না বলে জানিয়েছে। তবে দেশটি বলছে, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ‘ফি’ পরিশোধ করতে হবে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিকে টোল না বলে ফি বলা হলেও তা আইনগতভাবে বৈধতা পাবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে রবিবার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ঘোষণার পর। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে এবং এটি স্থায়ীভাবে ‘টোলমুক্ত’ থাকবে।

তবে এর একদিন পরই ইরান জানায়, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে এখনো কিছু চার্জ দিতে হতে পারে। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা কোনো ট্রানজিট টোল আরোপের পরিকল্পনা করছি না; তবে যেসব সেবা প্রদান করা হবে, তার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, এই সেবার মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষা, নৌচলাচল সহায়তা এবং সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনার মতো বিষয় থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন সেবা অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ‘টোল’ ও ‘সার্ভিস ফি’-এর এই পার্থক্য আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল জলপথের ক্ষেত্রে।