ঢাকা ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হরমুজে টোল নয়, ‘সার্ভিস ফি’ নেবে ইরান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • ২৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান কোনো ধরনের টোল আরোপ করবে না বলে জানিয়েছে। তবে দেশটি বলছে, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ‘ফি’ পরিশোধ করতে হবে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিকে টোল না বলে ফি বলা হলেও তা আইনগতভাবে বৈধতা পাবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে রবিবার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ঘোষণার পর। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে এবং এটি স্থায়ীভাবে ‘টোলমুক্ত’ থাকবে।

তবে এর একদিন পরই ইরান জানায়, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে এখনো কিছু চার্জ দিতে হতে পারে। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা কোনো ট্রানজিট টোল আরোপের পরিকল্পনা করছি না; তবে যেসব সেবা প্রদান করা হবে, তার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, এই সেবার মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষা, নৌচলাচল সহায়তা এবং সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনার মতো বিষয় থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন সেবা অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ‘টোল’ ও ‘সার্ভিস ফি’-এর এই পার্থক্য আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল জলপথের ক্ষেত্রে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হরমুজে টোল নয়, ‘সার্ভিস ফি’ নেবে ইরান

আপডেট সময় ০৭:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরান কোনো ধরনের টোল আরোপ করবে না বলে জানিয়েছে। তবে দেশটি বলছে, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে বিভিন্ন সেবার বিনিময়ে ‘ফি’ পরিশোধ করতে হবে।

ইরানি কর্তৃপক্ষের এই অবস্থানকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক আইনি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটিকে টোল না বলে ফি বলা হলেও তা আইনগতভাবে বৈধতা পাবে কি না—এ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে রবিবার (১৪ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এক ঘোষণার পর। তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি সমঝোতার পর হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হয়েছে এবং এটি স্থায়ীভাবে ‘টোলমুক্ত’ থাকবে।

তবে এর একদিন পরই ইরান জানায়, এই প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোকে এখনো কিছু চার্জ দিতে হতে পারে। হরমুজ প্রণালির মধ্য দিয়ে বিশ্বজুড়ে ব্যবহৃত প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথটি বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘আমরা কোনো ট্রানজিট টোল আরোপের পরিকল্পনা করছি না; তবে যেসব সেবা প্রদান করা হবে, তার বিনিময়ে ফি নেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, এই সেবার মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষা, নৌচলাচল সহায়তা এবং সামুদ্রিক ব্যবস্থাপনার মতো বিষয় থাকতে পারে। তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কোন সেবা অন্তর্ভুক্ত হবে, তা এখনো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি। ‘টোল’ ও ‘সার্ভিস ফি’-এর এই পার্থক্য আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালির মতো সংবেদনশীল জলপথের ক্ষেত্রে।