ঢাকা ১১:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

রাষ্ট্র পরিচালনায় এত স্কুল-কলেজের প্রয়োজন নেই : ব্যারিস্টার ফুয়াদ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য দেশে এত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেছেন, “বর্তমান শিক্ষা কাঠামো ‘ডিফেক্টিভ’ এবং এটি ভেঙে নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।”

সম্প্রতি এক আলোচনাসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র আকারে ফাংশন করবার জন্য এই কাঠামো ভাঙতে হবে। সাহস করে বলতে হবে যে আমার দেশের অধিকাংশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন করে দিতে হবে। সিম্পলি বন্ধ করে দিতে হবে কারণ এটার প্রয়োজন নেই। এটার প্রোডাক্টিভিটি নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘পিয়ন হওয়ার জন্য লেখাপড়ার প্রয়োজন নেই। আপনার স্কুল কমাইতে হবে, কলেজ কমাইতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় কমাইতে হবে।’

গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার সংকটের কথাও তুলে ধরেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ।

তিনি বলেন, ‘অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কম থাকলেও পাশের নুরানি বা ফোরকানিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থী বেশি দেখা যায়।’ এর কারণ হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের অনাস্থাকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, ‘যারা সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন, তাদের সন্তানরাও ইংলিশ মিডিয়াম বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ে। একইভাবে দেশের ডাক্তাররা নিজেরা চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। মন্ত্রীরাও সংকটে বিদেশমুখী হন। এই কন্ট্রাডিকশনগুলো রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গভীর সংকটের বহিঃপ্রকাশ।’

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘একজন মানুষ জীবনের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় শিক্ষা ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যেই অর্জন করে। তাই দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে সীমিত সময়ের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতা শেখানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’

এবি পার্টির এই নেতা আরো বলেন, ‘রাষ্ট্রের উচিত নাগরিককে তার সমাজ, ইতিহাস ও পরিচয় সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া, কর্মমুখী দক্ষতা শেখানো এবং নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা। এই তিনটি বিষয় শেখাতে পাঁচ থেকে সাত বছরের বেশি লেখাপড়ার প্রয়োজন নেই।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

রাষ্ট্র পরিচালনায় এত স্কুল-কলেজের প্রয়োজন নেই : ব্যারিস্টার ফুয়াদ

আপডেট সময় ০৬:৩৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য দেশে এত স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি বলেছেন, “বর্তমান শিক্ষা কাঠামো ‘ডিফেক্টিভ’ এবং এটি ভেঙে নতুন কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।”

সম্প্রতি এক আলোচনাসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার ফুয়াদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্র আকারে ফাংশন করবার জন্য এই কাঠামো ভাঙতে হবে। সাহস করে বলতে হবে যে আমার দেশের অধিকাংশ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় শাটডাউন করে দিতে হবে। সিম্পলি বন্ধ করে দিতে হবে কারণ এটার প্রয়োজন নেই। এটার প্রোডাক্টিভিটি নেই।’

তিনি আরো বলেন, ‘পিয়ন হওয়ার জন্য লেখাপড়ার প্রয়োজন নেই। আপনার স্কুল কমাইতে হবে, কলেজ কমাইতে হবে, বিশ্ববিদ্যালয় কমাইতে হবে।’

গ্রামীণ শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থার সংকটের কথাও তুলে ধরেন ব্যারিস্টার ফুয়াদ।

তিনি বলেন, ‘অনেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কম থাকলেও পাশের নুরানি বা ফোরকানিয়া মাদরাসায় শিক্ষার্থী বেশি দেখা যায়।’ এর কারণ হিসেবে তিনি রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের অনাস্থাকে দায়ী করেন।

তিনি বলেন, ‘যারা সরকারি স্কুলে শিক্ষকতা করেন, তাদের সন্তানরাও ইংলিশ মিডিয়াম বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পড়ে। একইভাবে দেশের ডাক্তাররা নিজেরা চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। মন্ত্রীরাও সংকটে বিদেশমুখী হন। এই কন্ট্রাডিকশনগুলো রাষ্ট্রীয় কাঠামোর গভীর সংকটের বহিঃপ্রকাশ।’

শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ‘একজন মানুষ জীবনের অধিকাংশ প্রয়োজনীয় শিক্ষা ১৪ থেকে ১৫ বছর বয়সের মধ্যেই অর্জন করে। তাই দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তে সীমিত সময়ের মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও নৈতিকতা শেখানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।’

এবি পার্টির এই নেতা আরো বলেন, ‘রাষ্ট্রের উচিত নাগরিককে তার সমাজ, ইতিহাস ও পরিচয় সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়া, কর্মমুখী দক্ষতা শেখানো এবং নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা। এই তিনটি বিষয় শেখাতে পাঁচ থেকে সাত বছরের বেশি লেখাপড়ার প্রয়োজন নেই।’