ঢাকা ০৪:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকা সংকটের বিষয়ে সতর্ক করে ৫-৬টি চিঠি দেওয়া হয়: ইউনিসেফ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
দেশে হামের টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার সতর্ক করেছিল জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তত পাঁচ থেকে ৬টি চিঠি পাঠানো হয়েছিল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত ১০ বার বৈঠকও করা হয়।

বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এ তথ্য জানান।

কোনো মহামারি হঠাৎ করে তৈরি হয় না উল্লেখ করে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, কিছু বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ রকম পরিস্থিতি দেখা দেয়। বিশেষ করে, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে।

টিকা সংকটের বিষয়ে আগাম সতর্ক করেছেন বলেও দাবি করেন বাংলাদেশের ইউনিসেফ প্রধান। তিনি বলেন, একেবারে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখের তথ্য এখন জানা নেই। তবে তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

‘২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫-৬টি চিঠি পাঠিয়েছি, যার মধ্যে শেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঠিক আগে পৌঁছেছিল। আমরা আশা করেছিলাম যিনি নতুন করে এ দায়িত্ব পাবেন তার ডেস্কে চিঠিটি থাকবে,’ যোগ করেন ফ্লাওয়ার্স।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্বের অন্যতম কারণ ছিল উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার বিষয়ে মন্ত্রিসভার একটি সিদ্ধান্ত। গত বছর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, টিকা কেনা সাধারণ ওষুধ কেনার মতো নয়। এটি অত্যন্ত বিশেষায়িত একটি প্রক্রিয়া। এখানে শুধু কম দামের বিষয়টি বিবেচ্য নয়, বরং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত নিরাপদ ও কার্যকর টিকা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহ করতে এক বছরের মতো সময় লেগে যায়। ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা যায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইউনিসেফ ২০২৪ সালেই টিকার সংকটের পূর্বাভাস ও পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছিল বলে জানান তিনি। রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, তাই আমরা আগেভাগেই সতর্ক করছিলাম এবং ক্রমাগত মনে করিয়ে দিচ্ছিলাম যে তারা সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। এটা স্পষ্ট ছিল, দেশে টিকা আনতে না পারলে সমস্যা তৈরি হবে।

তবে এখন কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশের ইউনিসেফ প্রধান বলেন, এখন এমনভাবে টিকাদান প্রক্রিয়া কাজ করাতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই দেশের কোনো শিশু প্রতিরোধযোগ্য রোগে আর মারা না যায়।

এছাড়া দেশে এখন ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশু হামের টিকা পেয়েছে বলেও জানান ইউনিসেফের এ প্রতিনিধি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

অন্তর্বর্তী সরকারকে টিকা সংকটের বিষয়ে সতর্ক করে ৫-৬টি চিঠি দেওয়া হয়: ইউনিসেফ

আপডেট সময় ০৬:২৮:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
দেশে হামের টিকা সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে একাধিকবার সতর্ক করেছিল জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ। সংস্থাটির বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স জানিয়েছেন, ২০২৪ সাল থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অন্তত পাঁচ থেকে ৬টি চিঠি পাঠানো হয়েছিল এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতিনিধি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত ১০ বার বৈঠকও করা হয়।

বুধবার (২০ মে) এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স এ তথ্য জানান।

কোনো মহামারি হঠাৎ করে তৈরি হয় না উল্লেখ করে রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, কিছু বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এ রকম পরিস্থিতি দেখা দেয়। বিশেষ করে, টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধযোগ্য রোগের ক্ষেত্রে।

টিকা সংকটের বিষয়ে আগাম সতর্ক করেছেন বলেও দাবি করেন বাংলাদেশের ইউনিসেফ প্রধান। তিনি বলেন, একেবারে সুনির্দিষ্ট দিন-তারিখের তথ্য এখন জানা নেই। তবে তদন্তে বিষয়টি নিশ্চিত হবে।

‘২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫-৬টি চিঠি পাঠিয়েছি, যার মধ্যে শেষ চিঠিটি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ঠিক আগে পৌঁছেছিল। আমরা আশা করেছিলাম যিনি নতুন করে এ দায়িত্ব পাবেন তার ডেস্কে চিঠিটি থাকবে,’ যোগ করেন ফ্লাওয়ার্স।

অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর টিকা ক্রয় প্রক্রিয়ায় বিলম্বের অন্যতম কারণ ছিল উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার বিষয়ে মন্ত্রিসভার একটি সিদ্ধান্ত। গত বছর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে জানান তিনি।

রানা ফ্লাওয়ার্স জানান, টিকা কেনা সাধারণ ওষুধ কেনার মতো নয়। এটি অত্যন্ত বিশেষায়িত একটি প্রক্রিয়া। এখানে শুধু কম দামের বিষয়টি বিবেচ্য নয়, বরং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত নিরাপদ ও কার্যকর টিকা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এছাড়া উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহ করতে এক বছরের মতো সময় লেগে যায়। ইউনিসেফের মাধ্যমে দ্রুত টিকা সংগ্রহ করা যায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ইউনিসেফ ২০২৪ সালেই টিকার সংকটের পূর্বাভাস ও পরবর্তী দুই বছরে বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছিল বলে জানান তিনি। রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, তাই আমরা আগেভাগেই সতর্ক করছিলাম এবং ক্রমাগত মনে করিয়ে দিচ্ছিলাম যে তারা সংকটের মুখে পড়তে যাচ্ছে। এটা স্পষ্ট ছিল, দেশে টিকা আনতে না পারলে সমস্যা তৈরি হবে।

তবে এখন কাউকে দোষারোপ করার কিছু নেই বলে মনে করেন তিনি। বাংলাদেশের ইউনিসেফ প্রধান বলেন, এখন এমনভাবে টিকাদান প্রক্রিয়া কাজ করাতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এই দেশের কোনো শিশু প্রতিরোধযোগ্য রোগে আর মারা না যায়।

এছাড়া দেশে এখন ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশু হামের টিকা পেয়েছে বলেও জানান ইউনিসেফের এ প্রতিনিধি।