ঢাকা ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৪৩ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ভারত

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:১৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থেকে প্রায় ৪৩ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ভারত। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (১৯ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য। খবর এনডিটিভির।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মূলত ২ ধরনের সমরাস্ত্র কিনছে ভারত। এগুলো হলো— এইচ-৬৪ই অ্যাপাচে হেলিকপ্টার এবং এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র। দু’টি চালানে এসব সমরাস্ত্র ভারতে পাঠানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ৪২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি— ২৩ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র ও এর সঙ্গে সংশ্লিস্ট বিভিন্ন খাতে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের আনুষাঙ্গিক উপাদান, স্পেয়ার, মেরামত, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা, ফিল্ড সার্ভিস, ডিপো সক্ষমতা এবং লজিস্টিক ও প্রোগ্রাম সাপোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

বাকি ১৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারে অ্যাপাচে হেলিকপ্টার কিনেছে ভারত। তবে কয়টি হেলিকপ্টার কিনেছে— তা উল্লেখ করা হয়নি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবিত বিক্রয় মার্কিন-ভারতীয় কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে এবং একটি প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারের নিরাপত্তা উন্নত করার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে সমর্থন করবে। ভারত আমাদের এমন একজন অংশীদার, যে ইন্দো-প্যাসিফিক এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৪৩ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ভারত

আপডেট সময় ০৬:১৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থেকে প্রায় ৪৩ কোটি ডলারের অস্ত্র কিনছে ভারত। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার (১৯ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে এ তথ্য। খবর এনডিটিভির।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে মূলত ২ ধরনের সমরাস্ত্র কিনছে ভারত। এগুলো হলো— এইচ-৬৪ই অ্যাপাচে হেলিকপ্টার এবং এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র। দু’টি চালানে এসব সমরাস্ত্র ভারতে পাঠানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ৪২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি— ২৩ কোটি ডলার বরাদ্দ করা হয়েছে এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র ও এর সঙ্গে সংশ্লিস্ট বিভিন্ন খাতে।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, এম-৭৭৭ এ২ আলট্রা-লাইট হাউইৎজার ক্ষেপণাস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্রের আনুষাঙ্গিক উপাদান, স্পেয়ার, মেরামত, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত সহায়তা, ফিল্ড সার্ভিস, ডিপো সক্ষমতা এবং লজিস্টিক ও প্রোগ্রাম সাপোর্টের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের জন্য এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

বাকি ১৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারে অ্যাপাচে হেলিকপ্টার কিনেছে ভারত। তবে কয়টি হেলিকপ্টার কিনেছে— তা উল্লেখ করা হয়নি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে।

এতে আরও বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবিত বিক্রয় মার্কিন-ভারতীয় কৌশলগত সম্পর্ককে শক্তিশালী করতে এবং একটি প্রধান প্রতিরক্ষা অংশীদারের নিরাপত্তা উন্নত করার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার উদ্দেশ্যকে সমর্থন করবে। ভারত আমাদের এমন একজন অংশীদার, যে ইন্দো-প্যাসিফিক এবং দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, শান্তি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে কাজ করে চলেছে।