ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ধর্ম যার যার, নিরাপত্তার অধিকার সবার : প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৪৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
সরকার সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

বাংলাদেশকে সব ধর্ম ও মতের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলে বাণীতে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ পূর্ণিমা তিথিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ সংঘটিত হয় বলে দিনটি বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করেন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করে আসছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, ‘মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা শান্তি, সহনশীলতা, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার চিরন্তন বাণী বহন করে। বর্তমান বিশ্বে যখন সংঘাত, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা নানা সংকট সৃষ্টি করছে, তখন গৌতম বুদ্ধের সহমর্মিতা, মানবিকতা ও শান্তির বাণী আমাদের জন্য গভীর প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ সব ধর্মের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য, শিক্ষা এবং সম্প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা মানবতার কল্যাণ বয়ে আনুক—এই প্রত্যাশা করছি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ধর্ম যার যার, নিরাপত্তার অধিকার সবার : প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৪৬:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
সরকার সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিতে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে। ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’

বাংলাদেশকে সব ধর্ম ও মতের মানুষের জন্য একটি নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলে বাণীতে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বুদ্ধ পূর্ণিমার শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা। বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

বুদ্ধ পূর্ণিমা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের জন্য অত্যন্ত পবিত্র ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ পূর্ণিমা তিথিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম, বোধিলাভ এবং মহাপরিনির্বাণ সংঘটিত হয় বলে দিনটি বিশেষ মর্যাদায় পালিত হয়। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা যথাযথ মর্যাদায় দিনটি পালন করেন।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ দেশে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করে আসছেন।’

প্রধানমন্ত্রী বাণীতে বলেন, ‘মহামতি গৌতম বুদ্ধ আজীবন মানুষের কল্যাণে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় অহিংসা, সাম্য ও মৈত্রীর বাণী প্রচার করেছেন। গৌতম বুদ্ধের শিক্ষা শান্তি, সহনশীলতা, মৈত্রী, করুণা ও অহিংসার চিরন্তন বাণী বহন করে। বর্তমান বিশ্বে যখন সংঘাত, বিদ্বেষ ও অসহিষ্ণুতা নানা সংকট সৃষ্টি করছে, তখন গৌতম বুদ্ধের সহমর্মিতা, মানবিকতা ও শান্তির বাণী আমাদের জন্য গভীর প্রেরণা হয়ে উঠতে পারে।’

তারেক রহমান বলেন, ‘বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীসহ সব ধর্মের মানুষের সার্বিক কল্যাণ, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে।

বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য, শিক্ষা এবং সম্প্রীতি ও কল্যাণের বার্তা মানবতার কল্যাণ বয়ে আনুক—এই প্রত্যাশা করছি।’