ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, চাপাতি দিয়ে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে: সাদিক কায়েম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২১:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

সরকার ও ছাত্রদলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অব্যাহত জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি, তীব্র লোডশেডিংসহ সরকারের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও কূটনৈতিক দুর্বলতায় জনজীবন যখন চরম বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, চাপাতি তুলে দিয়ে তাদেরকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বেপরোয়া সন্ত্রাসীরা কখনো কুপিয়ে গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে, কখনো শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে পেটাচ্ছে, কখনো ভুয়া স্ক্রিনশট বানিয়ে হত্যাচেষ্টা করছে। এমনকি সাংবাদিকরাও এদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

আমরা মনে করি, এ সকল ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

একদিকে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, চাপাতি, রামদা ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি ফিরিয়ে এনে গেস্টরুম, গণরুম কায়েম করে শিক্ষার্থীদের দলদাস বানানোর তীব্র মনোবাসনা, অন্যদিকে সরকারের অব্যাহত ব্যর্থতা আড়াল করার লক্ষ্যেই এসকল ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।

বিগত কয়েকদিন যাবৎ চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা তৈরি ও অস্ত্রের মহড়া আমরা দেখেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে বিগত কয়েকদিন যাবৎ নানা অপতৎপরতায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ভুয়া স্ক্রিনশটের আশ্রয় নিয়েছে ছাত্রদল।

যেকোনো মূল্যে সংঘাত বাঁধিয়ে শিক্ষাঙ্গণকে অস্থিতিশীল করে কারা ফায়দা নিতে চায় তা দেশের আপামর ছাত্রসমাজের কাছে আবারও স্পষ্ট হলো।

প্রথমে একটি ভুয়া স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া শুরু হয়। বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্লাটফর্ম দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নিশ্চিত করে স্ক্রিনশটটি ভুয়া এবং বানানো।

জীবনের নিরাপত্তা চাইতে থানায় গেলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জনশক্তি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উবায়দুর রহমান হাসিবসহ ডাকসু ও হল সংসদের বিভিন্ন প্রতিনিধিকে শাহবাগ থানায় অবরুদ্ধ করে হামলা চালানো হয়।

মুসাদ্দিক, জুবায়ের, আলভি, সাদিক, জুমা, সালমাদের হেনস্তা ও বেধড়ক মারধর করা হয়।

কেবল তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের উপরও চড়াও হয় ছাত্রদল। এ নিয়ে দুদিনে অন্তত ১৬ সাংবাদিককে হেনস্তা করেছে তারা।

আমরা পুলিশ প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা কেউই কোনো রেসপন্স করেন নাই। গুজব ছড়িয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টির পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরেছি। ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান, দেশে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা রক্ষায় উদ্যোগী হোন। অন্যথায় ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডই নিকট ভবিষ্যতে আপনাদের দিকে ব্যাকফায়ার করবে।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, চাপাতি দিয়ে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে: সাদিক কায়েম

আপডেট সময় ০১:২১:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সরকার ও ছাত্রদলকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদেক কায়েম।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তিনি।

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, ‘অব্যাহত জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি, তীব্র লোডশেডিংসহ সরকারের অব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা ও কূটনৈতিক দুর্বলতায় জনজীবন যখন চরম বিপর্যস্ত, ঠিক তখনই ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে রামদা, চাপাতি তুলে দিয়ে তাদেরকে মাঠে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এ বেপরোয়া সন্ত্রাসীরা কখনো কুপিয়ে গোড়ালি বিচ্ছিন্ন করে ফেলছে, কখনো শিক্ষার্থীদের ধরে নিয়ে পেটাচ্ছে, কখনো ভুয়া স্ক্রিনশট বানিয়ে হত্যাচেষ্টা করছে। এমনকি সাংবাদিকরাও এদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না।

আমরা মনে করি, এ সকল ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।

একদিকে ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস, চাপাতি, রামদা ও কর্তৃত্ববাদী রাজনীতি ফিরিয়ে এনে গেস্টরুম, গণরুম কায়েম করে শিক্ষার্থীদের দলদাস বানানোর তীব্র মনোবাসনা, অন্যদিকে সরকারের অব্যাহত ব্যর্থতা আড়াল করার লক্ষ্যেই এসকল ঘটনা ঘটানো হচ্ছে।

বিগত কয়েকদিন যাবৎ চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা তৈরি ও অস্ত্রের মহড়া আমরা দেখেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কেও অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে বিগত কয়েকদিন যাবৎ নানা অপতৎপরতায় ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ভুয়া স্ক্রিনশটের আশ্রয় নিয়েছে ছাত্রদল।

যেকোনো মূল্যে সংঘাত বাঁধিয়ে শিক্ষাঙ্গণকে অস্থিতিশীল করে কারা ফায়দা নিতে চায় তা দেশের আপামর ছাত্রসমাজের কাছে আবারও স্পষ্ট হলো।

প্রথমে একটি ভুয়া স্ক্রিনশটকে কেন্দ্র করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ অপপ্রচার ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া শুরু হয়। বিভিন্ন ফ্যাক্ট চেকিং প্লাটফর্ম দ্রুততম সময়ের মধ্যেই নিশ্চিত করে স্ক্রিনশটটি ভুয়া এবং বানানো।

জীবনের নিরাপত্তা চাইতে থানায় গেলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের জনশক্তি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উবায়দুর রহমান হাসিবসহ ডাকসু ও হল সংসদের বিভিন্ন প্রতিনিধিকে শাহবাগ থানায় অবরুদ্ধ করে হামলা চালানো হয়।

মুসাদ্দিক, জুবায়ের, আলভি, সাদিক, জুমা, সালমাদের হেনস্তা ও বেধড়ক মারধর করা হয়।

কেবল তাই নয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের উপরও চড়াও হয় ছাত্রদল। এ নিয়ে দুদিনে অন্তত ১৬ সাংবাদিককে হেনস্তা করেছে তারা।

আমরা পুলিশ প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা কেউই কোনো রেসপন্স করেন নাই। গুজব ছড়িয়ে এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টির পুরো ঘটনাটি ছিল পূর্বপরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমরা সর্বোচ্চ ধৈর্য ধরেছি। ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে আমরা সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রীসহ বিএনপির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান, দেশে ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা রক্ষায় উদ্যোগী হোন। অন্যথায় ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডই নিকট ভবিষ্যতে আপনাদের দিকে ব্যাকফায়ার করবে।’