ঢাকা ০৪:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

হরমুজ খোলার পথে বাধা কী, জানালেন ইরানি স্পিকার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন নৌ-অবরোধ বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে লঙ্ঘন করছে এবং এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করেন, একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে যখন এটি নৌ-অবরোধের মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত হবে না এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করার প্রক্রিয়া বন্ধ হবে।

গালিবাফ জোর দিয়ে বলেন, সব ফ্রন্টে ইসরাইলি যুদ্ধংদেহী মনোভাব বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত শান্তির প্রকৃত প্রতিফলন ঘটবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সাম্প্রতিক আলোচনায় ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া

এই প্রভাবশালী নেতা সাফ জানিয়ে দেন, নৌ-অবরোধের মতো প্রকাশ্য যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বজায় রেখে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যেমন লক্ষ্য অর্জন করা যায়নি, তেমনি চাপের মুখে ইরান কোনো নতি স্বীকার করবে না। ইরানের জনগণের অধিকার মেনে নেওয়াই সংকটের একমাত্র সমাধান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

এদিকে, কূটনৈতিক আলোচনাকে পুনরায় সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। ট্রাম্প চান ইরান একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আসুক, যা শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে।

তবে ওয়াশিংটনের এই বার্তাটি তেহরানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পৌঁছেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মূলত নৌ-অবরোধ ও হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে এই নতুন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

হরমুজ খোলার পথে বাধা কী, জানালেন ইরানি স্পিকার

আপডেট সময় ০১:০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন নৌ-অবরোধ বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে লঙ্ঘন করছে এবং এর ফলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক বার্তায় তিনি স্পষ্ট করেন, একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে যখন এটি নৌ-অবরোধের মাধ্যমে বাধাগ্রস্ত হবে না এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করার প্রক্রিয়া বন্ধ হবে।

গালিবাফ জোর দিয়ে বলেন, সব ফ্রন্টে ইসরাইলি যুদ্ধংদেহী মনোভাব বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত শান্তির প্রকৃত প্রতিফলন ঘটবে না। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সাম্প্রতিক আলোচনায় ইরানের নেতৃত্ব দেওয়া

এই প্রভাবশালী নেতা সাফ জানিয়ে দেন, নৌ-অবরোধের মতো প্রকাশ্য যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বজায় রেখে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি ও পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক করা সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, সামরিক আগ্রাসন চালিয়ে যেমন লক্ষ্য অর্জন করা যায়নি, তেমনি চাপের মুখে ইরান কোনো নতি স্বীকার করবে না। ইরানের জনগণের অধিকার মেনে নেওয়াই সংকটের একমাত্র সমাধান বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

এদিকে, কূটনৈতিক আলোচনাকে পুনরায় সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। ট্রাম্প চান ইরান একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আসুক, যা শান্তি প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেবে।

তবে ওয়াশিংটনের এই বার্তাটি তেহরানের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পৌঁছেছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মূলত নৌ-অবরোধ ও হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা নিরসনে এই নতুন কূটনৈতিক প্রচেষ্টা বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: সিএনএন।