ঢাকা ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ ব্যর্থ হলেও আলোচনার পথ এখনও বন্ধ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব।

রোববার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘মার্কিন সরকার যদি ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তাহলে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ খোলা রয়েছে।’ একই সঙ্গে তিনি ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং বিশেষভাবে মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদ-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে ২১ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনা ও পারস্পরিক অবিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হলেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি আসেনি।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন। এ নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিনব্যাপী সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে, তবে সেটিও চুক্তিহীনভাবেই শেষ হয়।

পরবর্তী সময়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়। এই সংঘাতের প্রথম দিনেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর দেশটির নেতৃত্বে ছিলেন।

টানা সংঘাতের পর ৭ এপ্রিল, যুদ্ধের ৩৯তম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এরই ধারাবাহিকতায় কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপে বসে দুই পক্ষ। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না এলেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি তেহরান।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও উভয় পক্ষের এই ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ খোলা রাখার কৌশল হিসেবে দেখা যেতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলেই দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব: পেজেশকিয়ান

আপডেট সময় ০৬:২৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপ ব্যর্থ হলেও আলোচনার পথ এখনও বন্ধ হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাব পরিত্যাগ করলে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা সম্ভব।

রোববার (১২ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘মার্কিন সরকার যদি ইরানের জনগণের জাতীয় অধিকারকে সম্মান করে, তাহলে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর পথ খোলা রয়েছে।’ একই সঙ্গে তিনি ইরানি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং বিশেষভাবে মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদ-এ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে ২১ ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা হলেও কোনো সমঝোতা চুক্তি ছাড়াই তা শেষ হয়। যুদ্ধ-পরবর্তী উত্তেজনা ও পারস্পরিক অবিশ্বাসের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠককে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হলেও প্রত্যাশিত অগ্রগতি আসেনি।

দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধের কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন। এ নিয়ে গত ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২১ দিনব্যাপী সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে, তবে সেটিও চুক্তিহীনভাবেই শেষ হয়।

পরবর্তী সময়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে। একই সময়ে ইসরায়েল ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ চালায়। এই সংঘাতের প্রথম দিনেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি, যিনি টানা ৩৭ বছর দেশটির নেতৃত্বে ছিলেন।

টানা সংঘাতের পর ৭ এপ্রিল, যুদ্ধের ৩৯তম দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। এরই ধারাবাহিকতায় কূটনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে ইসলামাবাদে নতুন করে সংলাপে বসে দুই পক্ষ। তবে আলোচনায় অগ্রগতি না এলেও কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি তেহরান।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও উভয় পক্ষের এই ধরনের বক্তব্য ভবিষ্যৎ আলোচনার পথ খোলা রাখার কৌশল হিসেবে দেখা যেতে পারে।