ঢাকা ০১:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ৩০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় চলছে জাটকা শিকার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

ইলিশের পোনা জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল মাসে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও তা মানছেন না স্থানীয় জেলেরা। বিশেষ করে পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে এলাকায় ইলিশ ধরার প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘনা নদীর চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে মতলব উত্তরের এখলাসপুর পর্যন্ত এলাকায় দ্রুতগামী ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে জেলেরা প্রকাশ্যে মাছ শিকার করছেন। অনেকেই নদীতে ধরা মাছ সরাসরি পাড়ে এনে বিক্রিও করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোর থেকে রাত পর্যন্ত নদীতে নামছেন জেলেরা এবং বিশেষ করে স্থানীয় জেলেদের একটি অংশ এ কার্যক্রমে বেশি জড়িত। তাদের মতে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে নদীতে অবৈধ মাছ ধরা অনেকাংশে কমে আসবে।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত অভিযান চলছে এবং নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড মাঠে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, অভিযান ব্যাহত হওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।

আমরা সবাই জুলাই প্রোডাক্ট— ডা. শফিকুর রহমান

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনায় চলছে জাটকা শিকার

আপডেট সময় ০১:০৬:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইলিশের পোনা জাটকা সংরক্ষণের লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল মাসে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকলেও তা মানছেন না স্থানীয় জেলেরা। বিশেষ করে পয়লা বৈশাখকে কেন্দ্র করে এলাকায় ইলিশ ধরার প্রবণতা আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সরেজমিনে দেখা যায়, মেঘনা নদীর চাঁদপুর লঞ্চঘাট থেকে মতলব উত্তরের এখলাসপুর পর্যন্ত এলাকায় দ্রুতগামী ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে জেলেরা প্রকাশ্যে মাছ শিকার করছেন। অনেকেই নদীতে ধরা মাছ সরাসরি পাড়ে এনে বিক্রিও করছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভোর থেকে রাত পর্যন্ত নদীতে নামছেন জেলেরা এবং বিশেষ করে স্থানীয় জেলেদের একটি অংশ এ কার্যক্রমে বেশি জড়িত। তাদের মতে, জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করা গেলে নদীতে অবৈধ মাছ ধরা অনেকাংশে কমে আসবে।

এ বিষয়ে জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, নিয়মিত অভিযান চলছে এবং নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ড মাঠে কাজ করছে। তিনি আরও জানান, অভিযান ব্যাহত হওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481