ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগের আমলের মানবাধিকার কমিশন আইন ফিরিয়ে আনা, বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা আবারও প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলোপে বিল পাস করায় সরকারি দল বিএনপির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘বিএনপির সমস্ত বুলি মানুষক ধোঁকা দিতে, প্রতারণা করতে, তারা একই ফ্যাসিজমের পথে আসছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘কিছু বিলে জনস্বার্থে বিরোধীদল সমর্থন দিয়েছে। জনগণের অধিকার হরণ, সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার খর্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার আশঙ্কা ছিল। এসব বিলে আপত্তি জানাতে গিয়ে বিরোধীদল সময়সীমার বাধার মুখে পড়ে, যেখানে মন্ত্রীরা অসীম সময় পেয়েছেন- এটা সুবিচার হয়নি।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিচারক নিয়োগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ তৈরি করছে, যা সংবিধান ও সাম্প্রতিক রায়ের পরিপন্থী। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা আরেকটি ফ্যাসিজমে রূপ নিতে পারে।’

স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত আইন নিয়েও আপত্তি তুলে জামায়াত আমির বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধির অনুপস্থিতি ছাড়া প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে, যা অতীতে ঘোষিত নীতির বিরোধী।’

শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচনের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি মনে করিয়ে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ৯৮টি অধ্যাদেশের মধ্যে মানবাধিকার, বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও বিচারক নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। যা উদ্বেগজনক।’

গণতন্ত্রবিরোধী ও গণবিরোধী আইন পাসের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছে- এ কারণেই বিরোধীদল ওয়াকআউট করতে বাধ্য হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

বিএনপি ফ্যাসিজমের পথে: বিরোধীদলীয় নেতা

আপডেট সময় ০১:৪১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

অধ্যাদেশ বাতিল করে আওয়ামী লীগের আমলের মানবাধিকার কমিশন আইন ফিরিয়ে আনা, বিচারপতি নিয়োগের ক্ষমতা আবারও প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে নেওয়া এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলোপে বিল পাস করায় সরকারি দল বিএনপির কড়া সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

বৃহস্পতিবার সংসদের বৈঠকের পর সাংবাদিকদের জামায়াতে ইসলামীর আমির বলেন, ‘বিএনপির সমস্ত বুলি মানুষক ধোঁকা দিতে, প্রতারণা করতে, তারা একই ফ্যাসিজমের পথে আসছে।’

বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘কিছু বিলে জনস্বার্থে বিরোধীদল সমর্থন দিয়েছে। জনগণের অধিকার হরণ, সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার খর্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করার আশঙ্কা ছিল। এসব বিলে আপত্তি জানাতে গিয়ে বিরোধীদল সময়সীমার বাধার মুখে পড়ে, যেখানে মন্ত্রীরা অসীম সময় পেয়েছেন- এটা সুবিচার হয়নি।’

শফিকুর রহমান বলেন, ‘বিচারক নিয়োগ ও স্বতন্ত্র সচিবালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ তৈরি করছে, যা সংবিধান ও সাম্প্রতিক রায়ের পরিপন্থী। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা আরেকটি ফ্যাসিজমে রূপ নিতে পারে।’

স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত আইন নিয়েও আপত্তি তুলে জামায়াত আমির বলেন, ‘নির্বাচিত প্রতিনিধির অনুপস্থিতি ছাড়া প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করা হচ্ছে, যা অতীতে ঘোষিত নীতির বিরোধী।’

শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচনের সমালোচনা করে শফিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতি অতীতের বিতর্কিত নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি মনে করিয়ে দেয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের ৯৮টি অধ্যাদেশের মধ্যে মানবাধিকার, বিচার বিভাগীয় স্বাধীনতা ও বিচারক নিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ। যা উদ্বেগজনক।’

গণতন্ত্রবিরোধী ও গণবিরোধী আইন পাসের মাধ্যমে সংসদকে কলুষিত করা হয়েছে- এ কারণেই বিরোধীদল ওয়াকআউট করতে বাধ্য হয়েছে।