ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৩ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে সাউন্ড সিস্টেম (এসআইএস সিস্টেম) স্থাপনে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাস।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, বিগত কমিশন এই অভিযোগটি অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছেন।

 

দুদক জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গণপূর্ত বিভাগের জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম) মো. আস্রাফুল হকের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদার কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদার এসআইএস সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করেছিলেন।

এরই মধ্যে সংসদ অধিবেশন চলাকালে একাধিকবার সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট ঘটে। এরপরই দুদক অভিযোগটির অনুসন্ধান সামনে এনেছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সরকারের পতনের দিনে বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশ করে।

ওই সময় সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক সেই ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামত করেন। এবার তিনি এই কাজে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করিয়েছিলেন। এর মধ্যে খরচ করা হয়েছে ৫ কোটি টাকা।
সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে সংসদ ভবন কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। 

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারকে ওই সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একই ঠিকাদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামতের কাজ করানো হয়। গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আস্রাফুল হক, সংশ্লিষ্ট অন্য প্রকৌশলী এবং ওই ঠিকাদার পরস্পর যোগসাজশে অনিয়ম, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন, মেরামত, সংস্কারের কাজ করে সরকারের বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক বলেছে, সংসদ ভবনের গণপূর্ত অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে দুদক একাধিকবার চিঠি দিয়ে অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নানা তথ্য, নথি চাইলে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পর্যন্ত তারা কোনো তথ্য, নথি সরবরাহ করেননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেমে দুর্নীতি অনুসন্ধানে দুদক

আপডেট সময় ১১:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে সাউন্ড সিস্টেম (এসআইএস সিস্টেম) স্থাপনে অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগটি অনুসন্ধান করছেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক প্রবীর কুমার দাস।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, বিগত কমিশন এই অভিযোগটি অনুসন্ধানের অনুমোদন দিয়েছেন।

 

দুদক জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গণপূর্ত বিভাগের জাতীয় সংসদ ভবন কার্যালয়ের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (ই/এম) মো. আস্রাফুল হকের তত্ত্বাবধানে ঠিকাদার কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদার এসআইএস সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন করেছিলেন।

এরই মধ্যে সংসদ অধিবেশন চলাকালে একাধিকবার সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট ঘটে। এরপরই দুদক অভিযোগটির অনুসন্ধান সামনে এনেছে।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সরকারের পতনের দিনে বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশ করে।

ওই সময় সাউন্ড সিস্টেম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক সেই ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামত করেন। এবার তিনি এই কাজে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ করিয়েছিলেন। এর মধ্যে খরচ করা হয়েছে ৫ কোটি টাকা।
সাবেক ওই নির্বাহী প্রকৌশলী আস্রাফুল হক বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে সংসদ ভবন কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। 

সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ঠিকাদার জাহিদুর রহিম জোয়ারদারকে ওই সাউন্ড সিস্টেম স্থাপনের জন্য কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একই ঠিকাদারের মাধ্যমে সাউন্ড সিস্টেম সংস্কার মেরামতের কাজ করানো হয়। গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আস্রাফুল হক, সংশ্লিষ্ট অন্য প্রকৌশলী এবং ওই ঠিকাদার পরস্পর যোগসাজশে অনিয়ম, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলের সাউন্ড সিস্টেম স্থাপন, মেরামত, সংস্কারের কাজ করে সরকারের বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক বলেছে, সংসদ ভবনের গণপূর্ত অফিসের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর কাছে দুদক একাধিকবার চিঠি দিয়ে অনুসন্ধান-সংক্রান্ত নানা তথ্য, নথি চাইলে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) পর্যন্ত তারা কোনো তথ্য, নথি সরবরাহ করেননি।