ঢাকা ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::

অধ্যাদেশ বাতিলের আসল উদ্দেশ্য ২০৩০ সালের নির্বাচন: সারোয়ার তুষার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সারোয়ার তুষার। তার দাবি, ২০৩০ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতা ধরে রাখতেই এসব অধ্যাদেশ আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে না।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘অধ্যাদেশ বাতিল করার মূল উদ্দেশ্য ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করা। বিএনপি সরকার চায় না এসব অধ্যাদেশ আইনে রূপ পাক।’

তিনি আরও বলেন, গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে গণভোট ব্যবস্থাকেই অকার্যকর করে দেওয়া হচ্ছে।

আলোচনায় তিনি অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, আওয়ামী লীগকে আওয়ামী লীগ করেছে বিএনপি। বিএনপি যে রাস্তা দেখিয়েছে ৯৬ তে, সেটির বাস্তবায়ন করেছে আওয়ামী লীগ।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি এখনও আইনে রূপ পাচ্ছে না। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে নির্ধারিত সময় পার হলে অর্থাৎ শুক্রবারের (১০ এপ্রিল) সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য অধিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ।

অধ্যাদেশগুলোর লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করা।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে চায় না। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলবে, নিয়োগ কীভাবে হবে, তা আগের মতো সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। ফলে আইনে রূপ না দিয়ে অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হচ্ছে।

তবে সরকার বলছে, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোতে বিভিন্ন দুর্বলতা রয়েছে। সেগুলো সংশোধন করে আরও শক্তিশালীভাবে নতুন করে বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈঠকে কতটুকু সফলতা আসতে পারে?

অধ্যাদেশ বাতিলের আসল উদ্দেশ্য ২০৩০ সালের নির্বাচন: সারোয়ার তুষার

আপডেট সময় ০১:০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ বাতিলের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সারোয়ার তুষার। তার দাবি, ২০৩০ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতা ধরে রাখতেই এসব অধ্যাদেশ আইনে রূপ দেওয়া হচ্ছে না।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘অধ্যাদেশ বাতিল এবং গণভোট অস্বীকারের রাজনীতি: সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের যুগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, ‘অধ্যাদেশ বাতিল করার মূল উদ্দেশ্য ভবিষ্যৎ নির্বাচন নিয়ন্ত্রণ করা। বিএনপি সরকার চায় না এসব অধ্যাদেশ আইনে রূপ পাক।’

তিনি আরও বলেন, গণভোট-সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিলের মাধ্যমে গণভোট ব্যবস্থাকেই অকার্যকর করে দেওয়া হচ্ছে।

আলোচনায় তিনি অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট টেনে বলেন, আওয়ামী লীগকে আওয়ামী লীগ করেছে বিএনপি। বিএনপি যে রাস্তা দেখিয়েছে ৯৬ তে, সেটির বাস্তবায়ন করেছে আওয়ামী লীগ।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ২০টি এখনও আইনে রূপ পাচ্ছে না। ফলে আইনি বাধ্যবাধকতার কারণে নির্ধারিত সময় পার হলে অর্থাৎ শুক্রবারের (১০ এপ্রিল) সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এসব অধ্যাদেশের মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, গণভোট, দুর্নীতি দমন কমিশন, গুম প্রতিরোধ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও তথ্য অধিকারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহ।

অধ্যাদেশগুলোর লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাধীনতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করা।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকার এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারাতে চায় না। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে চলবে, নিয়োগ কীভাবে হবে, তা আগের মতো সরকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। ফলে আইনে রূপ না দিয়ে অধ্যাদেশগুলো বাতিল করা হচ্ছে।

তবে সরকার বলছে, সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশগুলোতে বিভিন্ন দুর্বলতা রয়েছে। সেগুলো সংশোধন করে আরও শক্তিশালীভাবে নতুন করে বিল আকারে সংসদে উপস্থাপন করা হবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481