ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে প্রথমবারের মতো দ্বৈত ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ এ তথ্য জানিয়েছে। খবর প্রেস টিভি।
আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, যেখানে ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলের কেন্দ্র ও দক্ষিণ অংশকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আঘাতপ্রাপ্ত এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল রিশন লেৎসিয়ন, পেতাহ টিকভা, বেয়ার শেভা এবং তেল আবিবের মতো বড় শহর। মোট ৩০টিরও বেশি স্থানে হামলা চালানো হয়েছে।
এই হামলায় ‘খেইবার-শেকান’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়, যা নির্ভুলভাবে এবং কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার সক্ষমতার জন্য পরিচিত।
আইআরজিসি আরও কঠোর পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায়, ইসরায়েলের সব শিল্প, অবকাঠামো ও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। পাশাপাশি তারা ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের দ্রুত সেখান থেকে সরে যাওয়ার আহ্বান জানায়।
আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর কমান্ডারও দ্বৈত ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার ব্যবহার নিশ্চিত করেছেন। তিনি এটিকে ইরানের প্রতিশোধমূলক অভিযানের ‘নতুন অধ্যায়ের সূচনা’ বলে উল্লেখ করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা এক ভিডিওতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি বলেন, এখন যুদ্ধের নতুন ধাপ শুরু হয়েছে ফাতেহ ও খেইবার-শেকান ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য নতুন দ্বৈত লঞ্চার ব্যবহারের মাধ্যমে। পূর্বের চেয়ে সব হামলা দ্বিগুণ করা হয়েছে।
‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ৯৯তম ধাপের ঘোষণা দিয়ে আইআরজিসি আবারও জানায়, ইরান কখনোই বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আক্রমণ শুরু করেনি এবং করবে না।
তারা আরও দাবি করে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে অবৈধ ও উসকানিহীন যুদ্ধ শুরু করে এবং এতে ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনি ও বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করা হয়। এর জবাবে ইরান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’ শুরু করে। এরপর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল এবং অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ওপর অব্যাহত রয়েছে।

নিজস্ব সংবাদ : 






















