ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ Logo ব্রাজিলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পর্শে স্কুলছাত্রের মৃত্যু Logo মাদক ব্যবসা ছাড়ুন, না হলে এলাকা ছাড়ুন : এমপি আবু তালিব Logo ইরান সংঘাতে না জড়াতে চীনকে অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প Logo প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জোড়া গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র Logo পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর সাংস্কৃতিক সম্পর্ক রয়েছে: পাকিস্তান হাইকমিশনার Logo শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাবিতে নবীনবরণ, ‘পাইলট প্রকল্প’ বিশ্ববিদ্যালয় গড়ার ইঙ্গিত Logo এক বছরে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমা অর্থ বেড়েছে ৪১ শতাংশ Logo আমি ছাড়া কেউ মাজার ভাঙার বিরুদ্ধে কথা বলে না : রুমিন ফারহানা Logo পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে যোগ দিতে চায় আমিরাত!

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৬ বার পড়া হয়েছে

সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালি সচল করতে শক্তি প্রয়োগ করতে প্রস্তুত। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য মিত্রদের সহায়তা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। আরব কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এমনটা জানিয়েছেন।

যদি এ পদক্ষেপ নিয়েই ফেলে আরব আমিরাত, তাহলে তারাই হবে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ইরান যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়া প্রথম দেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর আমিরাতে বিভিন্ন মার্কিন অবস্থানে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।

কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপের বৈধতা পেতে আরব আমিরাত বর্তমানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের জন্য তদবির করছে।

আমিরাতের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের কূটনীতিকেরা যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার সামরিক শক্তিগুলোকে একটি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে শক্তি প্রয়োগ করে প্রণালিটি সচল রাখা যায়। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরান মনে করছে যে তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করছে এবং এ জন্য তারা হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতেও প্রস্তুত।

আমিরাতি ওই কর্মকর্তা আরও জানান, তার দেশ বর্তমানে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিকভাবে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তা সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে। এর মধ্যে সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণ এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কয়েকজন আরব কর্মকর্তা বলেন, এই কৌশলগত জলপথের অন্তর্ভুক্ত আবু মুসা দ্বীপসহ অন্য দ্বীপগুলো দখলে নেয়া উচিত বলে যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছে আমিরাত। উল্লেখ্য, অর্ধশতাব্দী ধরে আবু মুসা দ্বীপটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আমিরাত এটিকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।

তেহরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, কোনো উপসাগরীয় দেশ যদি ইরানের ভূখণ্ড দখলের অভিযানে সাহায্য করে, তাহলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। বিশেষ করে আমিরাতকে ইঙ্গিত করে এ হুমকি দেওয়া হয়।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়নে ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে যোগ দিতে চায় আমিরাত!

আপডেট সময় ০৯:৩৩:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত হরমুজ প্রণালি সচল করতে শক্তি প্রয়োগ করতে প্রস্তুত। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য মিত্রদের সহায়তা দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। আরব কর্মকর্তারা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এমনটা জানিয়েছেন।

যদি এ পদক্ষেপ নিয়েই ফেলে আরব আমিরাত, তাহলে তারাই হবে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ইরান যুদ্ধে সরাসরি জড়িয়ে পড়া প্রথম দেশ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর আমিরাতে বিভিন্ন মার্কিন অবস্থানে পাল্টা হামলা চালিয়ে আসছে ইরান।

কর্মকর্তারা বলেন, এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপের বৈধতা পেতে আরব আমিরাত বর্তমানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের জন্য তদবির করছে।

আমিরাতের এক কর্মকর্তা জানান, তাদের কূটনীতিকেরা যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপ ও এশিয়ার সামরিক শক্তিগুলোকে একটি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে শক্তি প্রয়োগ করে প্রণালিটি সচল রাখা যায়। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইরান মনে করছে যে তারা নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই করছে এবং এ জন্য তারা হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে ধসিয়ে দিতেও প্রস্তুত।

আমিরাতি ওই কর্মকর্তা আরও জানান, তার দেশ বর্তমানে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সামরিকভাবে কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তা সক্রিয়ভাবে পর্যালোচনা করছে। এর মধ্যে সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণ এবং অন্যান্য সহায়তা প্রদানের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কয়েকজন আরব কর্মকর্তা বলেন, এই কৌশলগত জলপথের অন্তর্ভুক্ত আবু মুসা দ্বীপসহ অন্য দ্বীপগুলো দখলে নেয়া উচিত বলে যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছে আমিরাত। উল্লেখ্য, অর্ধশতাব্দী ধরে আবু মুসা দ্বীপটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আমিরাত এটিকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে।

তেহরান সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, কোনো উপসাগরীয় দেশ যদি ইরানের ভূখণ্ড দখলের অভিযানে সাহায্য করে, তাহলে তাদের গুরুত্বপূর্ণ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়া হবে। বিশেষ করে আমিরাতকে ইঙ্গিত করে এ হুমকি দেওয়া হয়।

সূত্র: ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল