বসন্তকালে যে রোগগুলোর প্রাদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যায় তার মধ্যে হাম অন্যতম। বিগত বছরের তুলনায় চলতি বছর রোগটি বেশি আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। কেন হয় রোগটি? কীভাবে ছড়ায়? জানতে চান অনেকে। চলুন জেনে নিই বিস্তারিত-
হাম কী?
হাম (Measles) মূলত একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এটি Measles নামক ভাইরাসের কারণে হয়। রোগটি বাতাসের মাধ্যমে একজন থেকে আরেকজনে ছড়ায়।
হাম কেন হয়?
১. সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা
হাম আক্রান্ত কেউ কাশি বা হাঁচি দিলে ভাইরাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বাতাসে থাকা জীবাণু শ্বাসের মাধ্যমে প্রবেশ করে অন্যের শরীরে।
২. টিকা না নেওয়া
যারা হাম প্রতিরোধের টিকা (MMR vaccine) নেয়নি, তাদের হাম হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি।
৩. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা
শিশু, গর্ভবতী নারী বা যাদের ইমিউনিটি দুর্বল— এমন ব্যক্তিরা হামে বেশি আক্রান্ত হয়।
৪. ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশ
যেখানে অনেক মানুষ একসাথে থাকে (যেমন স্কুল, বাসা, গণপরিবহন), সেখানে ভাইরাস দ্রুত ছড়ায়।
হাম কীভাবে ছড়ায়?
কাশি / হাঁচি
একই ঘরে থাকা
আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিস ছোঁয়া (কমন হলেও প্রধানত বাতাসে ছড়ায়)
হামের লক্ষণ কী?
হামের কিছু সাধারণ লক্ষণ হলো-
জ্বর
সর্দি, কাশি
চোখ লাল হওয়া
মুখের ভেতরে সাদা দাগ
পরে সারা শরীরে লাল ফুসকুড়ি
হাম প্রতিরোধ কীভাবে করবেন?
সময়মতো MMR টিকা নেওয়া
আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে দূরে থাকা
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা
হাম নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন হোন। এতে রোগটির সঙ্গে লড়াই করা সহজ হবে।
হাম মূলত ভিটামিন A-এর অভাবে ছড়ায় না, বরং এই ভিটামিনের অভাবে হামের সংক্রমণ ও জটিলতা মারাত্মক আকার ধারণ করে । ভিটামিন A-এর ঘাটতি থাকা অপুষ্টিজনিত শিশুরা হামে আক্রান্ত হলে অন্ধত্ব, নিউমোনিয়া এবং মৃত্যুর উচ্চ ঝুঁকিতে থাকে। তাই আক্রান্ত শিশুদের ২ দিন ধরে দ্রুত ভিটামিন A ক্যাপসুল দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়

নিজস্ব সংবাদ : 

























