স্থানীয়রা জানান, একটি মসজিদের পাশেই থাকা তুলার গুদামের নিকটবর্তী একটি ওয়েল্ডিং কারখানায় কাজ চলছিল। এ সময় ওয়েল্ডিংয়ের আগুনের ফুলকি উড়ে গিয়ে গুদামে স্তূপ করে রাখা তুলার ওপর পড়লে মুহূর্তেই আগুনের সূত্রপাত হয়।
ঘটনাস্থলের এক প্রত্যক্ষদর্শী মো. কামাল উদ্দিন বলেন, হঠাৎ দেখি গুদামের ভেতর থেকে ধোঁয়া উঠছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আমরা পানি দিয়ে নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুন এত দ্রুত বাড়ছিল যে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, গুদামে প্রচুর তুলা মজুদ ছিল। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটেই সব আগুনে গ্রাস হয়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতি অনেক বড় হয়েছে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে পটিয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।
পটিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ রাজেশ বড়ুয়া বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পাশের ওয়েল্ডিং কাজের সময় সৃষ্ট আগুনের স্ফুলিঙ্গ থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। তুলা দাহ্য হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরো জানান, তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শিল্প ও গুদাম এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে দাহ্য পদার্থের গুদামের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ কাজ পরিচালনার বিষয়ে সচেতনতা ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

নিজস্ব সংবাদ : 














