তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছেন শত শত মানুষ। প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও প্রায় এক হাজার মানুষ এই সমাবেশে অংশ নেন। মধ্য ইস্তাম্বুলে শত শত মানুষ সমবেত হয়ে ইরান, লেবানন ও ফিলিস্তিনে চলমান যুদ্ধের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিক্ষোভটি আয়োজন করে বেশ কয়েকটি ধর্মভিত্তিক রক্ষণশীল এনজিও। অংশগ্রহণকারীরা ‘প্রতিরোধ গড়ো, গাজা জিতবে’ এবং ‘মুসলমানরা অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে না’ এমন স্লোগান দেন। একইসঙ্গে ‘খুনি ইসরাইল, খুনি যুক্তরাষ্ট্র’ লেখা প্ল্যাকার্ডও বহন করেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা আল-আকসা মসজিদ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন। অনেকেই মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত—বিশেষ করে ইরান, লেবানন ও ফিলিস্তিনের পরিস্থিতির প্রতিবাদ জানান।
একজন বিক্ষোভকারী মেহমেত ইয়িলমাজ বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সব নিপীড়িত মানুষের জন্য এখানে—লেবানন, ইরান, ফিলিস্তিন। গতকাল ভেনেজুয়েলা ছিল, আগামীকাল হয়তো কিউবা হবে।’
আরেক বিক্ষোভকারী একরাম সায়লান বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) বলেন, ইরান যখন ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে, তখন আয়রন ডোম দিয়ে কেউ তাদের ক্ষতি করতে পারবে না—এমন দাবি করা সত্ত্বেও সাইরেন বাজার সঙ্গে সঙ্গে তারা [ইসরাইলিরা] ইঁদুরের মতো গর্তে ঢুকে পড়ে।
তিনি আরও বলেন, ‘ইরানিরা কী করে? তারা রাস্তায় নেমে আসে। এটি বিশ্বাস ও ইমানের বিষয়। তাদের [ইসরাইলিদের] যদি বিশ্বাস থাকত, তবে তারা মৃত্যুকে ভয় পেত না।’
সূত্র: আল জাজিরা।

নিজস্ব সংবাদ : 






















