ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’, পাবেন যে সুবিধা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেলের সংকট ও পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। এমন পরিস্থিতির সমাধানে সব গাড়ির জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এ জন্য কাজও শুরু করেছে জ্বালানি বিভাগ।

ওই বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শিগগির শেষ না হলে বাংলাদেশের মতো দেশকে অনেক খেসারত দিতে হবে। কারণ বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে আসবে এবং তেলের জন্য অনেক মূল্য দিতে হবে। সে অনুযায়ী বাংলাদেশ দাম বাড়াতে পারবে না।

তাই তেলের অপচয় এবং মজুত রোধে ফুয়েল কার্ড চালুর বিকল্প নেই। সেই কার্ড দিয়ে মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাস তার পরিবহণের চাহিদা অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এ জন্য থাকবে একটি কিউআর কোড। সেই কোড দিয়ে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে। তবে এটি চালু করতে সময় লাগবে।

ফুয়েল কার্ড কি

ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিটকার্ড হলো- পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত কোম্পানি বা গাড়ির মালিকরা ব্যবহার করে থাকেন। এটি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো কাজ করে এবং এর মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ট্র্যাকিং, নিয়ন্ত্রণ এবং নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যায়।

ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা:

সহজ পেমেন্ট

এটি ব্যবহার করে চালকরা সহজেই ফিলিং স্টেশনে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন এবং প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড রাখা যায়।

খরচ নিয়ন্ত্রণ

কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারে। এটি ডিজিটালভাবে জ্বালানি ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান করে।

নিরাপত্তা

কার্ডটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা চুরি বা অপব্যবহার রোধ করে।

সময়ের সাশ্রয়

কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা কমে এবং এককালীন চালান পাওয়ার ব্যবস্থা থাকে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

আসছে ‘ফুয়েল কার্ড’, পাবেন যে সুবিধা

আপডেট সময় ১২:০২:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেলের সংকট ও পেট্রোল পাম্পে তেল নিতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা। এমন পরিস্থিতির সমাধানে সব গাড়ির জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর চিন্তাভাবনা করছে সরকার। এ জন্য কাজও শুরু করেছে জ্বালানি বিভাগ।

ওই বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ শিগগির শেষ না হলে বাংলাদেশের মতো দেশকে অনেক খেসারত দিতে হবে। কারণ বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে আসবে এবং তেলের জন্য অনেক মূল্য দিতে হবে। সে অনুযায়ী বাংলাদেশ দাম বাড়াতে পারবে না।

তাই তেলের অপচয় এবং মজুত রোধে ফুয়েল কার্ড চালুর বিকল্প নেই। সেই কার্ড দিয়ে মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাস তার পরিবহণের চাহিদা অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারবে। তবে এ জন্য থাকবে একটি কিউআর কোড। সেই কোড দিয়ে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল নেওয়া যাবে। তবে এটি চালু করতে সময় লাগবে।

ফুয়েল কার্ড কি

ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিটকার্ড হলো- পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত কোম্পানি বা গাড়ির মালিকরা ব্যবহার করে থাকেন। এটি ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতো কাজ করে এবং এর মাধ্যমে জ্বালানি খরচ ট্র্যাকিং, নিয়ন্ত্রণ এবং নগদবিহীন লেনদেনের সুবিধা পাওয়া যায়।

ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা:

সহজ পেমেন্ট

এটি ব্যবহার করে চালকরা সহজেই ফিলিং স্টেশনে টাকা পরিশোধ করতে পারবেন এবং প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড রাখা যায়।

খরচ নিয়ন্ত্রণ

কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারে। এটি ডিজিটালভাবে জ্বালানি ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান করে।

নিরাপত্তা

কার্ডটি সাধারণত একটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের সঙ্গে যুক্ত থাকে, যা চুরি বা অপব্যবহার রোধ করে।

সময়ের সাশ্রয়

কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা কমে এবং এককালীন চালান পাওয়ার ব্যবস্থা থাকে।