ঢাকা ০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের ভূমিকা নেই: জমিয়ত নেতা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
‌‘মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল না’—জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতার এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল না। তার এ মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

প্রথমে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কাজী দিলীপ দাঁড়িয়ে আপত্তি জানান। এরপর একে একে আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে যোগ দেন। এতে অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বক্তাকে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করে মঞ্চ ত্যাগ করতে হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) জুয়েল রানা, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদকারী কাজী দিলীপ বলেন, জেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কিন্তু হঠাৎ এমন মন্তব্যে তিনি বিস্মিত হয়ে প্রথমে আপত্তি জানান। পরে অন্যরাও তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিবাদ করেন।

মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী তার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, ওই সময়ে শেখ মুজিব পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন। সেসময় মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউর রহমান ও কর্নেল এম এ জি ওসমানী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবের ভূমিকা নেই: জমিয়ত নেতা

আপডেট সময় ০৬:২০:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

নিউজ ডেস্ক:
‌‘মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল না’—জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের এক নেতার এমন মন্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে। ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী।

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শেখ মুজিবুর রহমানের কোনো ভূমিকা ছিল না। তার এ মন্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই উপস্থিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

প্রথমে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কাজী দিলীপ দাঁড়িয়ে আপত্তি জানান। এরপর একে একে আরও কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা দাঁড়িয়ে প্রতিবাদে যোগ দেন। এতে অনুষ্ঠানস্থলে হট্টগোলের সৃষ্টি হয় এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বক্তাকে বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করে মঞ্চ ত্যাগ করতে হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ, স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক (উপসচিব) জুয়েল রানা, জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবাদকারী কাজী দিলীপ বলেন, জেলা প্রশাসনের আমন্ত্রণে তারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। কিন্তু হঠাৎ এমন মন্তব্যে তিনি বিস্মিত হয়ে প্রথমে আপত্তি জানান। পরে অন্যরাও তার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিবাদ করেন।

মাওলানা আব্দুল হক কাওসারী তার বক্তব্যের ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি ২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালকে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন। তার দাবি, ওই সময়ে শেখ মুজিব পাকিস্তানে বন্দি ছিলেন। সেসময় মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বে ছিলেন জিয়াউর রহমান ও কর্নেল এম এ জি ওসমানী।