আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম শেষ হওয়ার আগমুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। ইরানের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা সংস্থা ‘ডিফেন্স কাউন্সিল’ সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শত্রু নয় এমন দেশগুলোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের একমাত্র পথ হলো ইরানের সঙ্গে সরাসরি ‘সমন্বয়’ করা।
ইরানি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘শত্রুপক্ষ যদি ইরানের উপকূল বা কোনো দ্বীপে হামলার চেষ্টা চালায়, তবে পারস্য উপসাগরে প্রবেশের সব পথে এবং উপকূলীয় এলাকায় ‘নৌ-মাইন’ বসিয়ে দেওয়া হবে। এর মধ্যে ‘ড্রিফটিং মাইন’ বা ভাসমান মাইনও থাকবে।’ খবর বিবিসির
ডিফেন্স কাউন্সিল আরও জানিয়েছে, হামলা হলে কেবল হরমুজ প্রণালিই নয়, বরং পুরো পারস্য উপসাগরই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য যাবতীয় দায়ভার আক্রমণকারীদের নিতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প যখন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দিচ্ছেন, তখন ইরান সমুদ্রপথে মাইন বসিয়ে বিশ্ব অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হরমুজ প্রণালি বিচ্ছিন্ন করার কথা বলছে। তাছাড়া, নৌ-মাইন অপসারণ করা অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ কাজ, যা দীর্ঘ মেয়াদে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত করবে।

নিজস্ব সংবাদ : 


























