ঢাকা ০৩:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইরান যুদ্ধে নতুন করে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র Logo দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়বেন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালি সচল করতে এবার নামছে ইউরোপ ও জাপান Logo নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা Logo ইরান যুদ্ধ শক্তিশালী করেছে নেতানিয়াহুকে, ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাম্প ও উপসাগরীয় দেশগুলো Logo সাবেক কাউন্সিলর ও আ. লীগ নেতা হাসু গ্রেপ্তার Logo যুদ্ধের আবহে ১৭৮ মার্কিন-ইসরায়েলি গুপ্তচর গ্রেফতারের দাবি ইরানের Logo বাবাকে জন্নতে পাঠাতে মসজিদেই গলা টিপে মারার চেষ্টা ছেলের Logo যুক্তরাষ্ট্রে হামলার ক্ষেপণাস্ত্র বানাচ্ছে পাকিস্তান: মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা Logo ভুল ধরিয়ে দিন, বিরোধী দলকে পানিসম্পদমন্ত্রী

বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ১৭ বার পড়া হয়েছে

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। এর ফলে শিগগিরই পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং ভারত বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

এই দেশগুলোর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত ও সেখান থেকে রপ্তানি করা হয়।

জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।

অন্যদিকে, বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ভারত তাদের এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় এ সংঘাত শুধু জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিই বন্ধ করে দেয়নি, বরং বিশ্বের সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি স্থাপনাটিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকে এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

কেপলার জানিয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়েরই নিজস্ব এলএনজি মজুত সীমিত, যা দিয়ে মাত্র এক বা দুই সপ্তাহ চলতে পারে। ফলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার এ ধাক্কায় দেশ দুটি বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এতে দেশগুলোতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, কাতার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানেও বিপুল পরিমাণ এলএনজি সরবরাহ করে। তবে মজুত বেশি থাকায় এসব দেশ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে চীনের আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় হওয়ায় দেশটি এ পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে নতুন করে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ‘ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি’ হয়েছে। এর ফলে শিগগিরই পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং ভারত বড় ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে।

এই দেশগুলোর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত ও সেখান থেকে রপ্তানি করা হয়।

জ্বালানি খাতের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের মতে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ তাদের এলএনজি আমদানির যথাক্রমে ৯৯ শতাংশ ও ৭০ শতাংশ পায় কাতার থেকে।

অন্যদিকে, বাজার গবেষণাপ্রতিষ্ঠান এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের তথ্য অনুযায়ী, ভারত তাদের এলএনজি চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি কাতার থেকে সংগ্রহ করে।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার তিন সপ্তাহের মাথায় এ সংঘাত শুধু জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিই বন্ধ করে দেয়নি, বরং বিশ্বের সম্ভবত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলএনজি স্থাপনাটিকেও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

রাস লাফান স্থাপনার পরিচালক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকে এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে।

কেপলার জানিয়েছে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ উভয়েরই নিজস্ব এলএনজি মজুত সীমিত, যা দিয়ে মাত্র এক বা দুই সপ্তাহ চলতে পারে। ফলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার এ ধাক্কায় দেশ দুটি বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এতে দেশগুলোতে বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, কাতার চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানেও বিপুল পরিমাণ এলএনজি সরবরাহ করে। তবে মজুত বেশি থাকায় এসব দেশ তুলনামূলকভাবে নিরাপদ অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে চীনের আমদানির উৎস বৈচিত্র্যময় হওয়ায় দেশটি এ পরিস্থিতি মানিয়ে নিতে পারবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481