ঢাকা ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা Logo অর্ধশতাধিক দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ট্রাম্পের Logo স্বামীর সঙ্গে বিরোধ, ঘরে দেশীয় অস্ত্র থাকার কথা পুলিশকে বলে দিলেন স্ত্রী Logo নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কারা অংশ নিতে পারবে না, জানাল ইসি Logo পুরুষ নির্যাতন প্রতিরোধে আইন প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট Logo সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে জড়িয়ে প্রকাশিত খবরের দিকে নজর রাখছে জামায়াত Logo শেখ হাসিনার লাশ বাংলাদেশে জানাজা পাবে না : সারোয়ার তুষার Logo স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন ফিলিস্তিনিরা Logo ১৭ বছর এমপি-মন্ত্রীরা মাদকের ডিলার হিসেবে কাজ করেছে: নিপুণ রায়

ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ৬৪ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতি শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে চীন। সোমবার আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় দেওয়া ভাষণে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থি মতাদর্শ ও সভ্যতার সংঘাতকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করা, শান্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

সুন লেই আরও বলেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এটি সমগ্র মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রচেষ্টাকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করে।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক অংশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই একযোগে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংহতি ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত ও মতপার্থক্য নিরসনে কাজ করতে হবে। অবশ্যই যৌথভাবে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের পথে এগোতে হবে, যাতে জনগণ উন্নয়নের সুফল ও সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য ভোগ করতে পারে।

সুন লেই বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, অর্থাৎ দারিদ্র্য ও অসমতা দূর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই যৌথভাবে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে, বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, জনগণের মধ্যে বন্ধনকে লালন করতে হবে এবং সব ধরনের বাধা ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে হবে।

সূত্র: সিনহুয়া

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সহজ হচ্ছে এনআইডি সংশোধন, প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধনে কমছে জটিলতা

ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের

আপডেট সময় ০৬:২৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতি শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে চীন। সোমবার আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় দেওয়া ভাষণে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থি মতাদর্শ ও সভ্যতার সংঘাতকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করা, শান্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

সুন লেই আরও বলেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এটি সমগ্র মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রচেষ্টাকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করে।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক অংশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই একযোগে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংহতি ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত ও মতপার্থক্য নিরসনে কাজ করতে হবে। অবশ্যই যৌথভাবে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের পথে এগোতে হবে, যাতে জনগণ উন্নয়নের সুফল ও সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য ভোগ করতে পারে।

সুন লেই বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, অর্থাৎ দারিদ্র্য ও অসমতা দূর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই যৌথভাবে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে, বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, জনগণের মধ্যে বন্ধনকে লালন করতে হবে এবং সব ধরনের বাধা ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে হবে।

সূত্র: সিনহুয়া