ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক Logo ইরান ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার ক্ষমতা রাখে: মিডলইস্ট আই Logo আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও বিকট বিস্ফোরক অস্ত্র ব্যবহার করছে ইরান: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র Logo লারিজানির হত্যাকাণ্ড যুদ্ধ থেকে ট্রাম্পের বের হওয়ার পথ কঠিন করবে: বিশ্লেষক Logo ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রীকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের Logo অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ Logo মধ্যপ্রাচ্যকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ইসরায়েল : এরদোয়ান Logo ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া Logo তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম মাসেই ‘সীমান্ত হত্যা’ শূন্য

ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতি শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে চীন। সোমবার আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় দেওয়া ভাষণে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থি মতাদর্শ ও সভ্যতার সংঘাতকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করা, শান্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

সুন লেই আরও বলেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এটি সমগ্র মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রচেষ্টাকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করে।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক অংশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই একযোগে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংহতি ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত ও মতপার্থক্য নিরসনে কাজ করতে হবে। অবশ্যই যৌথভাবে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের পথে এগোতে হবে, যাতে জনগণ উন্নয়নের সুফল ও সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য ভোগ করতে পারে।

সুন লেই বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, অর্থাৎ দারিদ্র্য ও অসমতা দূর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই যৌথভাবে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে, বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, জনগণের মধ্যে বন্ধনকে লালন করতে হবে এবং সব ধরনের বাধা ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে হবে।

সূত্র: সিনহুয়া

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক

ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের

আপডেট সময় ০৬:২৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতি শূন্য সহনশীলতার (জিরো টলারেন্স) নীতি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে চীন। সোমবার আন্তর্জাতিক ইসলামবিদ্বেষ বিরোধী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের সভায় দেওয়া ভাষণে জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের উপস্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সব দেশের উচিত চরমপন্থি মতাদর্শ ও সভ্যতার সংঘাতকে দৃঢ়ভাবে প্রতিহত করা, ধর্ম বা বিশ্বাসের ভিত্তিতে ঘৃণা ও অসহিষ্ণুতার উসকানি নিষিদ্ধ করা, শান্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করা এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা।

সুন লেই আরও বলেন, ইসলামোফোবিয়া জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালার সরাসরি লঙ্ঘন। এটি সমগ্র মানবতার অভিন্ন মূল্যবোধকে ক্ষুণ্ণ করে, শান্তি ও উন্নয়নের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে এবং সংহতি ও সহযোগিতা জোরদারে আন্তর্জাতিক সমাজের প্রচেষ্টাকে গুরুতরভাবে ব্যাহত করে।

বর্তমানে বিশ্বের অনেক অংশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে কুসংস্কার, বৈষম্য এবং সহিংসতা বেড়েই চলেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, ইসলামোফোবিয়া আঞ্চলিক সংঘাত, সামাজিক বৈষম্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির অপব্যবহারের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ক্ষেত্রে একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইসলামোফোবিয়া সম্পূর্ণরূপে নির্মূল করতে হলে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবশ্যই একযোগে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংহতি ও পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি এবং সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত ও মতপার্থক্য নিরসনে কাজ করতে হবে। অবশ্যই যৌথভাবে উন্নয়ন ও পুনরুজ্জীবনের পথে এগোতে হবে, যাতে জনগণ উন্নয়নের সুফল ও সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সাফল্য ভোগ করতে পারে।

সুন লেই বলেন, বৈষম্য ও অসহিষ্ণুতার মূল কারণ, অর্থাৎ দারিদ্র্য ও অসমতা দূর করতে হবে। আমাদের অবশ্যই যৌথভাবে বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে সংলাপকে উৎসাহিত করতে হবে, বিভিন্ন জাতি, সংস্কৃতি ও ধর্মের মধ্যে অন্তর্ভুক্তিমূলক সহাবস্থান ও পারস্পরিক শিক্ষাকে শক্তিশালী করতে হবে, জনগণের মধ্যে বন্ধনকে লালন করতে হবে এবং সব ধরনের বাধা ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে হবে।

সূত্র: সিনহুয়া


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481