ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক Logo ইরান ধ্বংসস্তূপ থেকে বারবার ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠার ক্ষমতা রাখে: মিডলইস্ট আই Logo আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও বিকট বিস্ফোরক অস্ত্র ব্যবহার করছে ইরান: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র Logo লারিজানির হত্যাকাণ্ড যুদ্ধ থেকে ট্রাম্পের বের হওয়ার পথ কঠিন করবে: বিশ্লেষক Logo ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রীকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের Logo অস্ট্রেলিয়ায় ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ Logo মধ্যপ্রাচ্যকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে ইসরায়েল : এরদোয়ান Logo ইসলাম বিদ্বেষের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স প্রদর্শনের আহ্বান চীনের Logo মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া Logo তারেক রহমান ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম মাসেই ‘সীমান্ত হত্যা’ শূন্য

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:২৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দাতুক সেরি জোহারি আব্দুল ঘানি জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া–যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি ‘অ্যাগরিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ এখন অকার্যকর ও শূন্য। এছাড়া এই চুক্তির কোনো প্রভাব নেই।

সিএশিয়া নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখে পারস্পরিক শুল্ক নীতিকে বাতিল করেছে। এই চুক্তি ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির অধীনে মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ১৯ শতাংশ নির্ধারিত ছিল। আবার কিছু পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং বিনিময়ে মালয়েশিয়া মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার ও নীতি ছাড় দেয়।

দেশটির মন্ত্রী জোহারি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো শুল্ক আরোপ করতে চাইলে তা অবশ্যই স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট কারণের ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। যদি শুল্ক বাণিজ্য ঘাটতির কারণে আরোপিত হয়, মার্কিন সরকারকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিল্প সনাক্ত করতে হবে এবং সামগ্রিকভাবে শুল্ক আরোপ করা যাবে না। বর্তমানে মার্কিন সরকার ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ধারা ১২২ ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার ২০২৫ সালে মার্কিন বাজারে রপ্তানি প্রায় ২৩৩ বিলিয়ন রিংগিত ছিল। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক্স, তেল ও গ্যাস, পাম তেল, এবং রাবার-ভিত্তিক পণ্য যেমন হ্যান্ডসগ্লভ। মন্ত্রী জোহারি সতর্ক করেছেন, মালয়েশিয়ার রপ্তানিকারিদের আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশ সংক্রান্ত মানদণ্ড মেনে চলতে হবে, যাতে আরও কোনো বিঘ্ন না আসে।

মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপ অন্যান্য দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত মার্কিন শুল্কের সঙ্গে ১৫-২০ শতাংশ হারে চুক্তি গ্রহণ করেছিল এবং বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে। তবে আদালতের রায়ে, এই চুক্তিগুলোর প্রেফারেন্সিয়াল সুবিধা কার্যত শূন্য হয়ে গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি পাশ কাটানোর চেষ্টায় সৌদি, আমিরাত, ইরাক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল ঘোষণা করলো মালয়েশিয়া

আপডেট সময় ০৬:২৪:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করেছে মালয়েশিয়া। দেশটির বিনিয়োগ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী দাতুক সেরি জোহারি আব্দুল ঘানি জানিয়েছেন, মালয়েশিয়া–যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি ‘অ্যাগরিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড’ এখন অকার্যকর ও শূন্য। এছাড়া এই চুক্তির কোনো প্রভাব নেই।

সিএশিয়া নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ফেব্রুয়ারি ২০ তারিখে পারস্পরিক শুল্ক নীতিকে বাতিল করেছে। এই চুক্তি ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিম ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির অধীনে মালয়েশিয়া থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর মার্কিন শুল্ক ১৯ শতাংশ নির্ধারিত ছিল। আবার কিছু পণ্যের জন্য শুল্কমুক্ত সুবিধা এবং বিনিময়ে মালয়েশিয়া মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার ও নীতি ছাড় দেয়।

দেশটির মন্ত্রী জোহারি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র যে কোনো শুল্ক আরোপ করতে চাইলে তা অবশ্যই স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট কারণের ওপর ভিত্তি করে হতে হবে। যদি শুল্ক বাণিজ্য ঘাটতির কারণে আরোপিত হয়, মার্কিন সরকারকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট শিল্প সনাক্ত করতে হবে এবং সামগ্রিকভাবে শুল্ক আরোপ করা যাবে না। বর্তমানে মার্কিন সরকার ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের ধারা ১২২ ব্যবহার করে ১৫০ দিনের জন্য ১০ শতাংশ অস্থায়ী শুল্ক আরোপ করছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মালয়েশিয়ার ২০২৫ সালে মার্কিন বাজারে রপ্তানি প্রায় ২৩৩ বিলিয়ন রিংগিত ছিল। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ খাতগুলোর মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক ও ইলেকট্রনিক্স, তেল ও গ্যাস, পাম তেল, এবং রাবার-ভিত্তিক পণ্য যেমন হ্যান্ডসগ্লভ। মন্ত্রী জোহারি সতর্ক করেছেন, মালয়েশিয়ার রপ্তানিকারিদের আন্তর্জাতিক শ্রম ও পরিবেশ সংক্রান্ত মানদণ্ড মেনে চলতে হবে, যাতে আরও কোনো বিঘ্ন না আসে।

মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপ অন্যান্য দেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে ধরা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত মার্কিন শুল্কের সঙ্গে ১৫-২০ শতাংশ হারে চুক্তি গ্রহণ করেছিল এবং বড় ধরনের ছাড় দিয়েছে। তবে আদালতের রায়ে, এই চুক্তিগুলোর প্রেফারেন্সিয়াল সুবিধা কার্যত শূন্য হয়ে গেছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481